জীবনযুদ্ধে লড়ছেন সাংবাদিক আব্দুল হামিদ খান দেশবাসীর দোয়া কামনা পরিবারের

জীবনযুদ্ধে লড়ছেন সাংবাদিক আব্দুল হামিদ খান দেশবাসীর দোয়া কামনা পরিবারের

নিজস্ব প্রতিবেদক :
পেশাগত দায়িত্ব পালনে যিনি ছিলেন আপসহীন ও সাহসী, মানুষের দুঃসময়ে যিনি কলম ধরতেন গভীর মানবিকতা নিয়ে—আজ সেই মানুষটিই নিজেই জীবনের সবচেয়ে কঠিন লড়াইয়ে অবতীর্ণ। গাছা প্রেসক্লাবের সভাপতি এবং দৈনিক মুক্ত খবর-এর জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক মোঃ আব্দুল হামিদ খান বর্তমানে গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় রাজধানীর একটি বিশেষায়িত হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে সমাজের নানা অসঙ্গতি, অন্যায় ও বৈষম্যের বিরুদ্ধে সোচ্চার কণ্ঠ হিসেবে পরিচিত আব্দুল হামিদ খান আজ লিভারের জটিল সমস্যা ও জন্ডিসসহ একাধিক গুরুতর রোগে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালের শয্যায় কাতরাচ্ছেন। চিকিৎসকরা তার শারীরিক অবস্থা নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, লিভারের মারাত্মক জটিলতার সঙ্গে জন্ডিসের তীব্রতা তার অবস্থাকে আরও সংকটাপন্ন করে তুলেছে। হাসপাতালের নীরব পরিবেশ, যন্ত্রের একটানা শব্দ—সবকিছুর মাঝেই তিনি লড়ছেন বেঁচে থাকার জন্য, আবার স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসার আশায়।
এই দুঃসময়ে তার পরিবার, সহকর্মী এবং পুরো সাংবাদিক অঙ্গনে নেমে এসেছে গভীর উৎকণ্ঠা ও বেদনাবিধুর আবহ। যারা তাকে কাছ থেকে দেখেছেন ও চিনেছেন, তারা জানেন—আব্দুল হামিদ খান কেবল একজন সাংবাদিক নন; তিনি একজন মানবিক অভিভাবক, একজন নির্ভীক পথপ্রদর্শক। বহু তরুণ সাংবাদিকের কাছে তিনি ছিলেন অনুপ্রেরণার প্রতীক।
তার অসুস্থতায় সাংবাদিক সমাজ এক অপূরণীয় শূন্যতা অনুভব করছে। গাছা প্রেসক্লাবসহ বিভিন্ন সাংবাদিক সংগঠনের পক্ষ থেকে তার দ্রুত আরোগ্য কামনা করে বিবৃতি দেওয়া হয়েছে।
আব্দুল হামিদ খানের পরিবার আজ ভেঙে পড়া কণ্ঠে দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়েছেন। পরিবারের এক সদস্য বলেন,
“আমরা আমাদের প্রিয় মানুষটিকে হারানোর আশঙ্কায় ভীত। আল্লাহর কাছে একটাই প্রার্থনা—তিনি যেন তাকে আমাদের মাঝে সুস্থভাবে ফিরিয়ে দেন।”
সহকর্মীরা জানিয়েছেন, যিনি আজীবন মানুষের বিপদে পাশে দাঁড়িয়েছেন, আজ সেই মানুষটিই হাসপাতালের বিছানায় শুয়ে মৃত্যুর সঙ্গে লড়াই করছেন। এই সংকটময় সময়ে মহান আল্লাহর রহমত ও দেশবাসীর দোয়াই হতে পারে তার জন্য একমাত্র ভরসা।
আমরাও প্রার্থনা করি—পরম করুণাময় আল্লাহ তাআলা যেন সাংবাদিক আব্দুল হামিদ খানকে দ্রুত সুস্থতা দান করেন এবং আবারও তার সাহসী লেখনী ও প্রাণবন্ত উপস্থিতি আমাদের মাঝে ফিরিয়ে দেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *