হোমিওপ্যাথি চিকিৎসায় এক অনন্য নাম ডা: খোরশেদ আলম শাকিল

হোমিওপ্যাথি চিকিৎসায় এক অনন্য নাম ডা: খোরশেদ আলম শাকিল

অফিস ডেস্ক :

“বিষয়টা খুবই তাজ্জব আশ্চর্য…”

হোমিওপ্যাথি চিকিৎসায় মানুষের জীবনের জটিল রোগ গুলোর মধ্যে অন্যতম রোগ ক্যান্সার, সেই রোগও বিনা অপারেশনে কয়েকমাসের মধ্যেই সুস্থ হয়ে যায়।

 

দৈনিক জন জাগরণ পত্রিকার নির্বাহী সম্পাদক জি. এস. জয় বলেন,

আমার মা ব্রেস্ট ক্যান্সারে আক্রান্ত ছিলো, ডা: খোরশেদ আলম শাকিলের মাত্র ১মাসের চিকিৎসায় ৭০% সুস্থ হয়ে গেছে।

 

অন্যান্য রোগিরা বলেন,

ডা: খোরশেদ আলম শাকিলের চিকিৎসায় তারা বর্তমানে পূর্ণ সুস্থ হয়ে গেছে। অনেক রোগি সুস্থ হয়ে প্রবাসে জীবন-যাপন করছেন। ডা: খোরশেদ আলম শাকিল স্বল্প খরচে রোগিদের চিকিৎসা করে থাকেন। যে রোগির আর্থিক সামর্থ নাই, সে ধরণের রোগিকে বিনা খরচে চিকিৎসা ও নিজ খরচে ঔষধ প্রদান করেন। সকল রোগিদের একটিই কথা ডা: খোরশেদ আলম শাকিলের মত ডাক্তার দেশের প্রতিটি যায়গাতে থাকলে, দেশের সকল মানুষ ভোগান্তি ছাড়া সঠিক চিকিৎসা নিয়ে সুস্থ জীবনে ফিরে আসতে পারতো। ডা: খোরশেদ আলম শাকিলের জন্য তাদের দোয়া সব সময় থাকবে।

 

ডা: খোরশেদ আলম শাকিলের বলেন,

টাকা-পয়সা চলে গেলে ফিরে আসে, কিন্তু জীবন চলে গেলে কখনও আর ফিরে আসে না। চিকিৎসা করে একজন মানুষকে সুস্থ জীবনে ফিরিয়ে আনার মত আনন্দ আর কোনো কিছুতে নেই। সকল মানুষের দোয়া নিয়েই আমি সারাজীবন বেঁচে থাকতে চাই।

 

ডা: খোরশেদ আলম শাকিলের মতে হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা :

রোগ শরীরে জন্মায় না, রোগ জন্মায় জীবনীশক্তির গভীরে; শরীর কেবল তার দৃশ্যমান প্রতিচ্ছবি। আমরা অনেকেই রোগের নাম জানি, রোগীর ব্যথার ভাষা বুঝি না; অথচ হোমিওপ্যাথি বলে-লক্ষণই রোগের ভাষা। রোগীর কান্না, রাগ, ভয়, অপমানবোধ-এসবই ঔষধ নির্বাচনের মহামূল্যবান দিশারী। একজন মানুষ যখন বলে “ডাক্তার সাহেব, আমি ভেতরে ভেঙে পড়েছি”—সেই বাক্যটি অনেক সময় শত শারীরিক লক্ষণের চেয়েও অধিক মূল্যবান। হোমিওপ্যাথি আমাদের শেখায়-চর্মের ঘা দমন করলে আত্মার কষ্ট বাড়তে পারে; কারণ রোগকে ভিতরে ঠেলে দিলে সে প্রতিশোধ নেয়।

 

ঔষধ কেবল রাসায়নিক পদার্থ নয়; প্রতিটি ঔষধ একটি জীবন্ত চরিত্র-যার নিজস্ব মানসিকতা, নিজস্ব ব্যথা, নিজস্ব আকাঙ্ক্ষা রয়েছে। সঠিক সিমিলিমাম দিলে পুরনো ব্যথা ফিরে আসতে পারে—এটি ব্যর্থতা নয়, এটি সুস্থতার পথে প্রত্যাবর্তন। হোমিওপ্যাথি দ্রুত ফল দেয় না—এ ধারণা ভ্রান্ত; সঠিক ঔষধ তীব্র জ্বরে, হঠাৎ আতঙ্কে, তীব্র ব্যথায় বিস্ময়কর কাজ করতে পারে। হোমিওপ্যাথি কেবল দেহ নয়, মন ও আত্মার সমন্বিত বিজ্ঞান; এটি মানুষের সামগ্রিক সত্তার চিকিৎসা।

 

যে চিকিৎসক রোগীর কথা মাঝপথে থামিয়ে দেন, তিনি কখনও তার সিমিলিমাম খুঁজে পাবেন না। ধৈর্য, সহানুভূতি ও গভীর পর্যবেক্ষণ-এই তিন গুণ ছাড়া হোমিওপ্যাথির আসল শক্তি প্রকাশ পায় না। রোগীকে বোঝা মানে তার জীবনের ইতিহাস শোনা; কারণ প্রতিটি দীর্ঘস্থায়ী রোগের পেছনে এক গভীর মানসিক গল্প থাকে।

 

হোমিওপ্যাথি দমনকে ঘৃণা করে, আরোগ্যকে ভালোবাসে; দমন সাময়িক শান্তি দেয়, আরোগ্য স্থায়ী মুক্তি দেয়। উচ্চ শক্তির ঔষধ জীবনীশক্তির সূক্ষ্ম স্তরে কাজ করে-যেখানে অস্ত্রোপচার বা রাসায়নিক পৌঁছাতে পারে না। হোমিওপ্যাথি একটি সূক্ষ্ম সুরের মতো; সামান্য ভুলে সুর ভেঙে যায়, কিন্তু সঠিক প্রয়োগে সৃষ্টি হয় আরোগ্যের সংগীত।

 

দীর্ঘস্থায়ী রোগ কেবল বাহ্যিক আঘাত নয়; এটি গভীর মিয়াজমের প্রকাশ, আর সেই মিয়াজমকে স্পর্শ করতে পারলেই প্রকৃত মুক্তি সম্ভব।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *