প্রবাসী কার্ডে ‘রেমিটেন্স ভাতা’ সংযুক্তির দাবি “দেশবন্ধু” রেমিটেন্স যোদ্ধা সংসদের
অফিস ডেস্ক :
প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য প্রবর্তিত প্রবাসী কার্ডের সঙ্গে একটি ন্যূনতম ‘রেমিটেন্স ভাতা’ সংযুক্ত করার জোর দাবি জানিয়েছে “দেশবন্ধু” রেমিটেন্স যোদ্ধা সংসদ। সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা ও কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট এ এন এম ঈসা এবং সদস্য সচিব এম এ রউফ (কাতার) এক যৌথ বিবৃতিতে এ দাবি তোলেন।
বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ বলেন, দেশের অর্থনীতির অন্যতম প্রধান চালিকাশক্তি প্রবাসী রেমিটেন্স। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে কঠোর পরিশ্রম করে প্রবাসীরা যে বৈদেশিক মুদ্রা পাঠান, তা দেশের রিজার্ভ শক্তিশালী করা, উন্নয়ন কর্মকাণ্ড সচল রাখা এবং অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। কিন্তু দীর্ঘদিন প্রবাস জীবন শেষে দেশে ফিরে অনেকেই আর্থিক অনিশ্চয়তা, অসুস্থতা ও সামাজিক অবহেলার মুখোমুখি হন।
তাদের ভাষ্য, সংগঠনের ছয় দফা দাবির অন্যতম ছিল প্রবাসী কার্ড চালু করা। সরকার নীতিগতভাবে এ কার্ড প্রদানের সিদ্ধান্ত নেওয়ায় কৃতজ্ঞতা জানালেও প্রবাসীদের ন্যূনতম জীবনযাপনের নিশ্চয়তা হিসেবে ‘ডাল-ভাতের রেমিটেন্স ভাতা’ এখনো বাস্তবায়িত হয়নি। তাই প্রবাসী কার্ডের আওতায় এ ভাতা অন্তর্ভুক্ত করার আহ্বান জানান তারা।
নেতৃবৃন্দ বলেন, প্রবাসীরা কোনো করুণা চান না; তারা চান তাদের শ্রম ও ত্যাগের ন্যায্য মূল্যায়ন। ২০–৩০ বছর বিদেশে কাজ করার পর অনেকের উপার্জনের পথ বন্ধ হয়ে যায়, বার্ধক্যে সম্মানজনক জীবনযাপনের নিশ্চয়তা থাকে না। এ বাস্তবতা বিবেচনায় একটি স্থায়ী রেমিটেন্স ভাতা সময়ের দাবি।
বিবৃতিতে আরও উল্লেখ করা হয়, প্রবাসী কার্ড বা ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ডের সদস্যপদ কার্ডের মাধ্যমে আর্থিক সহায়তা, মৃত্যুজনিত ক্ষতিপূরণ, শিক্ষাবৃত্তি, ব্যাংকিং সুবিধা, আইনি সহায়তা, বিমানবন্দরে বিশেষ সেবা ও প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক থেকে ঋণ সুবিধা মিলছে। এসব সুবিধার পাশাপাশি ন্যূনতম ভাতা যুক্ত হলে অবসরপ্রাপ্ত প্রবাসীরা সম্মানের সঙ্গে জীবনযাপন করতে পারবেন।
সংগঠনটির দাবি, দেশের অর্থনৈতিক স্বাধীনতা রক্ষায় প্রবাসীদের অবদান অনস্বীকার্য। তাই তাদের মর্যাদা, নিরাপত্তা ও বার্ধক্যের নিশ্চয়তা নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের নৈতিক দায়িত্ব।
আন্তর্জাতিক কমিটি সমূহ
সৌদি আরব কমিটি
আহবায়ক: রিমন হোসেন
সদস্য: হেলাল আহমেদ, আঃ হামিদ, শুভ মীর, মোঃ সজীব, মোঃ সাব্বির হোসেন, মোঃ রবিউস সানী, মোঃ মামুন মোল্লা, সাগর মিয়া
যুক্তরাজ্য / লন্ডন কমিটি
আহবায়ক (ইউকে): মোসাদ্দিক মিয়া মানিক
যুগ্ন আহবায়ক: সৈয়দ খালেদ মিয়া অলিদ
সদস্য সচিব: নাজমা আক্তার
সদস্য: লুৎফুর রহমান, মোহাম্মদ এনাম মিয়া, ইকবাল তালুকদার, নাজমা আক্তার
ইউরোপ কমিটি
আহবায়ক: ফারুক আহমেদ চৌধুরী
আমেরিকা কমিটি
আহবায়ক: হাকিকূল ইসলাম খোকন
সিনিয়র সাংবাদিক: হাকিকূল ইসলাম খোকন
যুগ্ন আহ্বায়ক: রেজা নবী
সদস্য সচিব: কিলটন পাভেল
সদস্য: মীর আশরাফ
ইতালি কমিটি — আহবায়ক: রেয়াজ আবু সাঈদ
দুবাই কমিটি — আহবায়ক: শাহিন তালুকদার | যুগ্ন আহবায়ক: মাহারাজ মিয়া
কুয়েত কমিটি — আহবায়ক: আরব আলী
মালদ্বীপ কমিটি — আহবায়ক: কাজী মোকলিছ
অস্ট্রিয়া কমিটি — আহবায়ক: আবূল হোসেন সরদার
অস্ট্রেলিয়া কমিটি — আহবায়ক: শাহাজান মিয়া | সদস্য: কাওসার আহমেদ
কাতার কমিটি — আহবায়ক: হেলাল উদ্দীন
মালয়েশিয়া কমিটি — আহবায়ক: শাহাজান খান
বাহরাইন কমিটি — আহবায়ক: কামাল মিয়া
ওমান কমিটি — আহবায়ক: আবূ তাহের মিয়া
ফ্রান্স কমিটি — আহবায়ক: জামাল উদদীন, ডক্টর মালেক ফরাজী
সুইডেন কমিটি — আহবায়ক: জামাল মোস্তফা
স্পেন কমিটি — আহবায়ক: রহিম মিয়া
সিঙ্গাপুর কমিটি — আহবায়ক: মোহাম্মদ আজাদ রহমান
কানাডা কমিটি — আহবায়ক: রিপন মিয়া
পোল্যান্ড কমিটি — আহবায়ক: মোহাম্মদ আজাদ রহমান
আইল্যান্ড কমিটি — আহবায়ক: কামাল হোসেন
বাংলাদেশ কমিটি:
আহবায়ক: মুস্তাফিজুর রহমান রিপন
সদস্য: এডভোকেট তাজূল ইসলাম, মেজর ইমরান, ইয়াসমিন রহমান বকুল, রানিছা, মাহিশা, আলেয়া বেগম, আক্তার মিয়া
মহিলা কমিটি:
আহবায়ক: নাজনীন রহমান রাজন
সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট: নাসরিন আক্তার সূমন রউফ
যুগ্ন আহবায়ক: ইয়াসমিন আক্তার রুমন
সদস্য
ইয়াসমিন আক্তার, মোহন, ফোটন, প্রাপ্তি রহমান, আব্দুল কাইয়ুম, আব্দুল লতিফ, মোহাম্মদ হারুনুর রশিদ, এডভোকেট আবেদ রাজা, জাহাঙ্গীর আলম, সিরাজ খান (পাকিস্তান), কামাল হোসেন (ইন্ডিয়া), শাহাদাৎ হোসেন (চায়না), লাবনী আনোয়ার, আবুল।