বাংলাদেশ পুলিশের একটি সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে, সংগঠনের নাম, ছবি ও পরিচয় অপব্যবহার সম্পর্কে কঠোর সতর্কবার্তা

বাংলাদেশ পুলিশের একটি সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে, সংগঠনের নাম, ছবি ও পরিচয় অপব্যবহার সম্পর্কে কঠোর সতর্কবার্তা

May 7, 2026
  1. এম এ রউফ (Qatar)
সদস্য সচিব, কেন্দ্রীয় কমিটি
দেশবন্ধু” রেমিটেন্স যোদ্ধা
প্রেস বিজ্ঞপ্তি
দেশে-বিদেশে বিভিন্ন প্রিন্ট মিডিয়া, সোশ্যাল মিডিয়া, অনলাইন পোর্টাল, ইউটিউব চ্যানেল, ফেসবুক পেজ, টিভি মিডিয়া এবং অন্যান্য ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে “দেশবন্ধু” রেমিটেন্স যোদ্ধা সংসদের নাম, সংগঠনের পরিচয়, অ্যাডভোকেট এ এন এম ঈসা সাহেবের নাম, ছবি, বক্তব্য এবং সংগঠনের কার্যক্রম ব্যবহার করে বিভিন্ন ধরনের সংবাদ ও প্রচারণা চালানো হচ্ছে—যার অনেকগুলোর সাথে আমাদের সংগঠনের কোনো ধরনের আনুষ্ঠানিক সম্পর্ক নেই।
আমাদের দৃষ্টিগোচর হয়েছে যে, কিছু ব্যক্তি ও গোষ্ঠী নিজেদের উদ্দেশ্য হাসিলের জন্য সংগঠনের অনুমতি ব্যতীত মিথ্যা, বিভ্রান্তিকর, মনগড়া অথবা বিকৃত তথ্য প্রকাশ করছে। এমনকি এমন সংবাদও প্রকাশিত হয়েছে যেখানে আমাদের সংগঠনের কোনো দায়িত্বশীল ব্যক্তি, কেন্দ্রীয় কমিটি কিংবা প্রতিষ্ঠাতা অ্যাডভোকেট এ এন এম ঈসা সাহেবের কোনো অনুমোদন বা সংশ্লিষ্টতা ছিল না।
সম্প্রতি বাংলাদেশ পুলিশের একটি সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে এডভোকেট এ এন এম ঈসা সাহেবের এবং এম এ রউফ (Qatar) নাম এবং ছবি ব্যবহার করে একটি নিউজ করা হয়েছে.
আমরা স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিতে চাই:
সংগঠনের অফিসিয়াল অনুমোদন, অফিসিয়াল বিবৃতি, অফিসিয়াল প্রেস রিলিজ অথবা অনুমোদিত প্রতিনিধির লিখিত সম্মতি ব্যতীত “দেশবন্ধু” রেমিটেন্স যোদ্ধা সংসদের নাম, লোগো, ছবি, বক্তব্য বা সাংগঠনিক পরিচয় ব্যবহার করে কোনো সংবাদ, প্রচারণা বা মন্তব্য প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি, অনৈতিক এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে।
বিশেষ করে, অ্যাডভোকেট এ এন এম ঈসা সাহেব একজন সুপরিচিত প্রবাসী অধিকার আন্দোলনের ব্যক্তিত্ব, প্রবাসী ভোটাধিকার আন্দোলনের অন্যতম প্রবক্তা এবং জনক, আন্তর্জাতিক টিপাইমুখ বাঁধ বিরোধী আন্দোলনের জনক এবং “দেশবন্ধু” খেতাবপ্রাপ্ত ব্যক্তি হিসেবে পরিচিত। তিনি বর্তমানে দেশবন্ধু রেমিটেন্স যোদ্ধা সংসদের প্রতিষ্ঠাতা এবং কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক,
ফলে তার নাম, ছবি বা বক্তব্য বিকৃতভাবে ব্যবহার করা হলে তা শুধু ব্যক্তি মানহানিই নয়, আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বিভ্রান্তি ও ক্ষতির কারণ হতে পারে। খুব বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হতে পারেন.
আইনগত দিক ও সম্ভাব্য পরিণতি
অননুমোদিতভাবে কারো নাম, ছবি, পরিচয় বা সংগঠনের সুনাম ব্যবহার করে বিভ্রান্তিকর সংবাদ প্রচার করা নিম্নলিখিত অপরাধের আওতায় পড়তে পারে:
মানহানি (Defamation)
সাইবার অপরাধ
পরিচয় অপব্যবহার (Identity Misuse)
মিথ্যা তথ্য প্রচার
ডিজিটাল নিরাপত্তা ও তথ্যপ্রযুক্তি সংশ্লিষ্ট অপরাধ
সংগঠনের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার অপচেষ্টা
প্রয়োজনবোধে দেশীয় ও আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী দেওয়ানি ও ফৌজদারি উভয় ধরনের আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হতে পারে। এর মধ্যে থাকতে পারে:
ক্ষতিপূরণ মামলা
মানহানির মামলা
ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে রিপোর্ট ও ব্লক
আদালতের নিষেধাজ্ঞা
আন্তর্জাতিক পর্যায়ে আইনি নোটিশ
আর্থিক ক্ষতিপূরণের দাবি
আমরা ইতোমধ্যে বহু অভিযোগ ও রিপোর্ট পেয়েছি যেখানে আমাদের সংগঠনের নাম ব্যবহার করে বিভ্রান্তিকর সংবাদ প্রচার করা হয়েছে। তাই সংশ্লিষ্ট সকল ব্যক্তি, মিডিয়া ও অনলাইন প্ল্যাটফর্মকে সতর্ক করা যাচ্ছে যে, তারা যেন অবিলম্বে মিথ্যা বা অনুমতিবিহীন সংবাদ প্রত্যাহার করেন এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের কার্যক্রম থেকে বিরত থাকেন।
আমরা স্বাধীন ও দায়িত্বশীল সাংবাদিকতার প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তবে স্বাধীনতার নামে মিথ্যা তথ্য, বিভ্রান্তি, চরিত্রহনন বা সংগঠনের পরিচয় অপব্যবহার কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।
সকল মিডিয়াকর্মী, অনলাইন অ্যাক্টিভিস্ট ও সাধারণ জনগণকে অনুরোধ করা হচ্ছে—যে কোনো সংবাদ প্রকাশের পূর্বে অবশ্যই সংগঠনের অফিসিয়াল সূত্র থেকে সত্যতা যাচাই করবেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *