চট্টগ্রাম নগরীর নিউমুরিং বিদ্যুৎ অফিসের, সহকারী প্রকৌশলী ইব্রাহিম খলিলের অপকর্মে, অতিষ্ঠ হাজারো বিদ্যুৎ গ্রাহকগণ

চট্টগ্রাম নগরীর নিউমুরিং বিদ্যুৎ অফিসের, সহকারী প্রকৌশলী ইব্রাহিম খলিলের অপকর্মে, অতিষ্ঠ হাজারো বিদ্যুৎ গ্রাহকগণ

Nov 4, 2026

চট্টগ্রাম প্রতিনিধিঃ

চট্টগ্রাম জেলা প্রতিনিধিঃ

চট্টগ্রাম নগরীর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ এলাকা হচ্ছে চট্টগ্রাম ইপিজেড এলাকা তাই এই এলাকায় ৩ টি ওয়ার্ডে লোক সংখ্যা যেমন বেশি, তেমন বিদ্যুৎ গ্রাহক ও বেশি এই গ্রাহক সংখ্যা বেশির সুযোগ কে হাতিয়ার হিসেবে ব্যাবহার করছেন নিউমুরিং বিদ্যুৎ অফিসের সহকারী প্রকৌশলী,ইব্রাহিম খলিল এর, অপকর্মের অতিষ্ঠ ,এলাকা বাসী, লাইন বিচ্ছিন্ন করে দেওয়ার কথা বলে টাকা আত্মসাতও বিএনপি পরিচয় পেলে হয়রানির অভিযোগ,আরও অভিযোগ রয়েছে নারী গ্রাহক গেলে বিদ্যুৎ সেবার জন্য তাদের বাড়ীর বিদ্যুৎ লাইন কেটে দেওয়ার কথা বলে, অশ্লীল আচার-আচরণ ও বিভিন্ন কু- প্রস্তাব দেওয়ার, একাধিক মহিলা গ্রাহক সাংবাদিকদের কাছে অভিযোগ করে, বলেন সে একজন ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে, এধরনের অভিযোগ বা মহিলা গ্রাহকদের সাথে এসব কর্মকান্ড, সরকারি কর্মকর্তা হিসেবে আশা করি না, আমরা ৩৭,৩৮,৩৯ নং ওয়ার্ড বাসী,ও বন্দর, ই পিজেড থানা এলাকার গ্রাহকরা, আগামীতে আগ্রাবাদ, অফিসে লিখিত অভিযোগ দিব, এধরনের ইঞ্জিনিয়ার যেন নিউমুরিং বিদ্যুৎ অফিসে না থাকে, যাদের কোন মা, বোন নেই, এবং তারা মা,বোন পরিচয় হীন,অতিসত্বর, এবং দ্রুত এধরণের ইঞ্জিনিয়ার কে, সরিয়ে সৎ লোককে, দায়িত্ব দেওয়ার জন্য আহ্বান জানান ইপিজেড এলাকার সাধারণ বিদ্যুৎ গ্রাহকের,,, তারা আরও অভিযোগ করে বলেন, এই ইব্রাহিম খলিল কোন সময় অসয় নাই যেকোনো সময় গাড়ি এবং, লোকজন নিয়ে চলে আসে লাইন কাটার জন্য, লোকজন বিদ্যুৎ এর কুটিতে তুলে দিয়ে শুরু হয় তার দর কষাকষির পালা, তাকে টাকা দিলে, বিদ্যুৎ বিল যত মাসের বকেয়া হোক না কেন, সহকারী প্রকৌশলী, ইব্রাহিম খলিল এর কাছে সব মাফ, এতেই থেমে নেই, ৩৭ ও ৩৮ নং ওয়ার্ডে আনুমানিক ১৫০ টির বেশি ছোট বড় অটোরিকশা চার্জ দেওয়ার গ্যারেজ রয়েছে, তাদের বিল যদি আসে মাসে ৮০ হাজার টাকা থেকে ১.২০০০০,সেখানে এই ইব্রাহিম খলিল কে ২০ থেকে ৩০ হাজার টাকা দিলে উল্লেখিত গ্যারেজ গুলোর বিল আসে, অর্ধেকের ও কম, এ বিষয় নিয়ে, ৩৮ নং ওয়ার্ড আনন্দ বাজার এলাকায় অবস্থিত অটোরিকশার গাড়ি ও গ্যারেজের মালিক, মনির কোম্পানীর সাথে সরাসরি তার গ্যারেজে গিয়ে কথা বললে, তিনি বলেন, আপনার নিউজ রিপোর্টার আপনারা আমাদের চাইতে বেশি জানেন, টাকা দিয়ে বিদ্যুৎ বিল না কমালে, আমাদের শুধু বিদ্যুৎ বিল দিতে দিতে মাস বছর যাবে, কিছু অসাধু অফিসার বিদ্যুৎ অফিসে আছে বলে আমরা আমাদের গাড়ী ও গ্যারেজ ব্যাবসা চালাতে পারতেছি, নাহলে কবে সব বন্ধ করে বাড়ী চলে যেতে হতো,,এধরনের অপকর্ম নিয়ে সহকারী প্রকৌশলী, ইব্রাহিম খলিল,এর মোটোফোনে ফোন দিয়ে জানতে চাইলে তিনি এসব অপকর্ম অস্বীকার করেন এবং প্রতিবেদককে, সংবাদ প্রকাশ না করার জন্য, মাসোহারা দেওয়ার প্রস্তাব দেয়, এবং তার অফিসে গিয়ে কথা বলতে বলেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *