বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী রাব্বী সৈয়দের ১০ দফা নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা
হাকিকুল ইসলাম খোকন, বাপসনিউজঃ
নিউইয়র্কে বাংলাদেশ সোসাইটির ২০২৬ সালের ২৫ অক্টোবর,রবিবার এর নির্বাচনকে সামনে রেখে সাধারণ সম্পাদক পদে স্বতন্ত্র প্রার্থী রাব্বী সৈয়দ তাঁর ১০ দফা নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা করেছেন। সদস্যদের অধিকার প্রতিষ্ঠা, স্বচ্ছ প্রশাসন, জবাবদিহি নিশ্চিতকরণ এবং প্রবাসী বাংলাদেশি কমিউনিটির সার্বিক কল্যাণকে অগ্রাধিকার দিয়ে তিনি এ ইশতেহার তুলে ধরেছেন।খবর বাপসনিউজ ও আইবিএননিউজ। রাব্বী সৈয়দের নির্বাচনী প্রচারণার পোস্টারে তাঁর ব্যালট নম্বর C4 উল্লেখ করে ভোটারদের কাছে সমর্থন চাওয়া হয়েছে। ইশতেহারে বাংলাদেশ সোসাইটিকে আরও আধুনিক, জনবান্ধব ও কার্যকর সংগঠন হিসেবে গড়ে তোলার নানা প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে। ইশতেহারের ১০ দফায় যেসব প্রতিশ্রুতি রাব্বী সৈয়দের ঘোষিত ইশতেহারে রয়েছে সদস্য নিবন্ধন আধুনিকায়ন, নৈতিক ভোটার নিবন্ধন ব্যবস্থার ত্রুটিমুক্তকরণ, স্বচ্ছ প্রশাসন এবং হিসাব ও আর্থিক জবাবদিহি নিশ্চিত করার অঙ্গীকার। এ ছাড়া নিজস্ব কমিউনিটি সেন্টার প্রতিষ্ঠা ও সোসাইটির অফিসের ভাড়াসংক্রান্ত সমস্যা নিরসনের প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে। প্রবাসী সদস্যদের সেবায় সমন্বিত সদস্যসেবা কেন্দ্র ও মোবাইল ক্লিনিক চালুর পরিকল্পনাও তুলে ধরা হয়েছে। ইশতেহারের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো, এআই-সংযুক্ত ২৪ ঘণ্টার কাস্টমার কেয়ার চালু করা। এর মাধ্যমে ইমিগ্রেশন, লিগ্যাল ও কনস্যুলার সহায়তা দেওয়ার পরিকল্পনার কথা জানানো হয়েছে। শিক্ষাক্ষেত্রে পাঁচটি বরো থেকে মোট ১৫ জন শিক্ষার্থীকে মেধাভিত্তিক বৃত্তি দেওয়ার প্রতিশ্রুতি রয়েছে। পাশাপাশি ধর্মীয় রীতিতে দাফন ও সংস্কার এবং মরদেহ বাংলাদেশে প্রেরণে সহায়তার কথা বলা হয়েছে। নতুন প্রজন্মের নেতৃত্ব ও অংশগ্রহণ বৃদ্ধি, কর্মসংস্থানে সহায়তা এবং পেশাজীবীদের মধ্যে নেটওয়ার্ক গড়ে তোলার বিষয়টিও ইশতেহারে গুরুত্ব পেয়েছে। এ ছাড়া সাব-কমিটির মাধ্যমে প্রশাসনিক কার্যক্রম বিকেন্দ্রীকরণের পরিকল্পনা তুলে ধরা হয়েছে। কমিউনিটির সেবায় নতুন পরিকল্পনা রাব্বী সৈয়দের ১০ দফা ইশতেহারে প্রবাসীদের দৈনন্দিন সমস্যা সমাধান, সংগঠনের কার্যক্রমে স্বচ্ছতা এবং নতুন প্রজন্মকে সম্পৃক্ত করার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। এসব প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়িত হলে বাংলাদেশ সোসাইটির সেবামূলক কার্যক্রম আরও বিস্তৃত হতে পারে বলে মনে করছেন তাঁর সমর্থকেরা। তবে নির্বাচনী ইশতেহারে ঘোষিত প্রতিশ্রুতিগুলোর বাস্তবায়ন নির্ভর করবে নির্বাচনে বিজয়, সাংগঠনিক সিদ্ধান্ত এবং সংশ্লিষ্ট উদ্যোগগুলোর কার্যকর বাস্তবায়নের ওপর। ভোটারদের কাছে এখন মূল বিবেচ্য বিষয় হবে, প্রার্থীদের প্রতিশ্রুতির মধ্যে কোনটি তাঁদের প্রত্যাশা ও কমিউনিটির প্রয়োজনের সঙ্গে সবচেয়ে বেশি সামঞ্জস্যপূর্ণ।রাব্বি সৈয়দ এর স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে বাংলাদেশ কমিউনিটির দুই সুপরিচিত নেতা প্রবাসী বাংলাদেশিদের পক্ষে ভোট দেওয়ার আহবান জানিয়েছে হাজী আনোয়ার হোসেন লিটল ও শামসুদ্দিন আহমেদ শামিম ।নিউইয়র্কের এই দুই সুপরিচিত নেতা বাপসনিউজকে বলেছেন,সাধারণ সম্পাদক হিসেবে সতন্ত্র প্রার্থী রাব্বি সৈয়দ একজন সৎ। ও আদর্শ বান প্রার্থী।তারা আরোও বলেছেন, সতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে রাব্বি সৈয়দ লীজের ডলার দিয়ে ভোট বানান নি॥তিনিই তিন প্রার্থীর মধ্যে যোগ্য প্রার্থী।বাংলাদেশ সোসাইটির সকল অনিয়ম,স্বজনপ্রীতি অবৈধ কাজের বিরুদ্ধে রাব্বি সৈয়দ সৎ ও যোগ্য প্রার্থী।তাই সকল ভোটারের কাছে এই দুই নেতা রাব্বি সৈয়দকে ভোট দেওয়ার জন্য সবার প্রতি অনুরোধ করেছেন।