ধর্মপাশা উপজেলার শান্তিপুর গ্রামে চলেছে মাদকের রমরমা ব্যবসা

ধর্মপাশা উপজেলার শান্তিপুর গ্রামে চলেছে মাদকের রমরমা ব্যবসা

সুনামগঞ্জ ধর্মপাশা উপজেলা প্রতিনিধি:

সুনামগঞ্জের ধর্মপাশা উপজেলার গোলকপুর বাজারের পশ্চিম -পাশে (শান্তিপুর ) এলাকার চলছে মাদকের রমরমা ব্যবসা।

এখানে লক্ষ্য করে দেখা যাচ্ছে, প্রতিদিনই সন্ধ্যার পর থেকে গ্রামের মধ্য প্রবেশ করে কিছু বাহিরা গত লোক যাদেরকে চেনেন না এলাকা বাসী। তারা গ্রামের কিছু দিন মজুরি ১৮ থেকে ৩০ বছর বয়সের ছেলেদের কাছে নিশা জাতীয় মাদক দ্রব্য ইয়াবা ট্যাবলেট বিক্রি করছে। এতে করে গ্রামের যেমন সোনাম নষ্ট হচ্ছে অপর দিকে এই ছেলে গুলোর জীবন আলো থেকে অন্ধকারের দিকে ধাবিত হচ্ছে। প্রতিদিন সন্ধ্যার পরে দেখা যায় এই মাদক ক্রেতা এবং বিক্রেতা অন্ধকারে গাছপালার মধ্যে ঝুমটি দিয়ে বসে থাকে। এ সময় পথচারী যদি কাউকে দেখে তারা তখন অমুক ভাই তমুক ভাই নাম নিয়ে পথচারীদের ডাকতে থাকে। লক্ষ্য করে দেখা যায় এই সমস্যাটি বিগত আওয়ামিলীগের শাসনা আমল থেকে চলছে। দিন দিন ধরে আরো বৃদ্ধি পাচ্ছে।

তবে আচার্যের বিষয় হচ্ছে এলাকাবাসী এই মাদক কারবারিদের দেখেও যেন না দেখার ভান করে আসছে। প্রতিবাদ করার মতো এলাকায় কোন লোক নেই। গত ২৩-০১-২০২৬ রোজ শুক্রবার রাতের আধারে সুখাইর রাজাপুর উত্তর ইউনিয়নের যুবদলের প্রচার সম্পাদক শান্তিপুর গ্রামের, ১,মোঃ আক্তার হোসেন, (পিতা, আবুল হোসেন)।
২,মোঃ লালচাঁন মিয়া, কাশিপুর জামালগঞ্জ সদর (পিতা হাসিম মিয়া)
৩,মোঃ জোয়েল মিয়া ভাটিলালপুর জামালগঞ্জ সদর ( পিতা শুক্কুর আলি)
সহ সকলকে সুখাইড় রাজাপুর উত্তর ইউনিয়নের শান্তিপুর গ্রামে ১৯ পিস ইয়াবা টেবলেট সহ ধর্মপাশা থানা পুলিশের হাতে আটক হয়।
সচেতন নাগরিক সাংবাদিককে এই বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান এই সকল মাদক কারবারিদের কারণে ক্ষতিগ্রস্তের মধ্য পড়েছে আমাদের এই গ্রামবাসী। প্রতিনিয়তই কারো বাড়ি না কারো বাড়িতে মালামাল চুরি হচ্ছে। তাদের সন্দেহ এই মালামাল গুলো নিশার সাথে যুক্ত থাকা ছেলে গুলোই করছে যখন তাদের কাছে টাকা থাকে না তখন তারা নেশার জন্য পাগল হয়ে জান যার ফলে এই কাজগুলো করে বেড়ান। গভীর রাত পর্যন্ত রমরমা ভাবে চলে তাদের এই ব্যবসা।

সাংবাদিক ও এলাকাবাসির মাধ্যমে ধর্মপাশা প্রশাসনের কাছে অনুরোধ জানিয়েছেন যেন প্রশাসন অভিযানের মাধ্যমে এ সকল মাদক কারবারীদের ধরে আইনের আওতাই এনে শাস্তি প্রদান করেন। এলাকার সাধারণ মানুষ নিশ্চিন্তে তাদের যান মাল নিয়ে সুন্দরভাবে জীবিকা নির্ভর করে চলাচল করতে পারেন।।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *