রেমিট্যান্স যোদ্ধাদের সম্মান ও অধিকার নিশ্চিতের আহ্বান
আন্তর্জাতিক ডেস্ক:
রেমিট্যান্স যোদ্ধাদের প্রতি অবহেলা, বৈষম্য ও অমানবিক আচরণ বন্ধ করে তাদের যথাযথ সম্মান ও অধিকার নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছেন আন্তর্জাতিক রেমিট্যান্স যোদ্ধা সংসদের নেতৃবৃন্দ। সংগঠনের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, প্রবাসীরা বিদেশের মাটিতে কঠোর পরিশ্রম করে বৈধ পথে দেশে অর্থ পাঠিয়ে দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছেন। তাই রেমিট্যান্স যোদ্ধাদের ‘দেশের চালিকাশক্তি’ হিসেবে সম্মান ও মূল্যায়ন করা প্রয়োজন। এম এ রউফ বলেন, “রেমিট্যান্স যোদ্ধাদের কষ্ট ও অবদানকে অবহেলা করা কোনোভাবেই কাম্য নয়। যারা দেশের অর্থনীতিতে অবদান রাখছেন, তাদের সঙ্গে অন্যায় বা অমানবিক আচরণ করা উচিত নয়। ইতিহাস সাক্ষ্য দেয়—অবহেলিত ও নিপীড়িত মানুষের অধিকারকে উপেক্ষা করে কোনো সমাজ দীর্ঘস্থায়ী শান্তি ও স্থিতিশীলতা অর্জন করতে পারে না।” তিনি আরও বলেন, এতিম ও অসহায় মানুষের প্রতি সদয় আচরণের ওপর ইসলাম ও মানবতা বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছে। পবিত্র কোরআনে এতিমদের প্রতি নিষ্ঠুরতা ও অবহেলার বিষয়ে সতর্ক করা হয়েছে। একইভাবে হাদিসেও দুর্বল ও অসহায় মানুষের অধিকার রক্ষার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে। এম এ রউফ বলেন, “এতিমকে আঘাত করা বা অসহায় মানুষের ওপর জুলুম করা যেমন নৈতিকভাবে নিন্দনীয়, তেমনি কোনো মানুষের অধিকার ও মর্যাদাকে পদদলিত করাও মানবিকতার পরিপন্থী। তাই রেমিট্যান্স যোদ্ধা পরিবারকে সম্মান করতে হবে এবং তাদের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করতে হবে।” তিনি বলেন, দেশের স্বার্থে প্রবাসীদের অবদানকে যথাযথভাবে মূল্যায়ন করা জরুরি। রেমিট্যান্স যোদ্ধারা শুধু অর্থ পাঠান না; তারা দেশের পরিবার-পরিজন, অর্থনীতি ও উন্নয়নের সঙ্গে সরাসরি সম্পৃক্ত। বক্তব্যে আরও বলা হয়, “মোরা একটি ফুলকে বাঁচাবো বলে যুদ্ধ করি”—এই চেতনা সামনে রেখে অসহায়, প্রবাসী ও অধিকারবঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়াতে হবে। বিভাজন নয়, পারস্পরিক সম্মান, মানবিকতা ও ঐক্যের ভিত্তিতে রেমিট্যান্স যোদ্ধাদের জন্য একটি মর্যাদাপূর্ণ পরিবেশ গড়ে তোলার আহ্বান জানানো হয়। এম এ রউফ বলেন, “রেমিট্যান্স যোদ্ধা পরিবারকে সম্মান করুন। তারা দেশের সম্পদ ও অর্থনীতির গুরুত্বপূর্ণ অংশ। বেশি কথা বলে সময় নষ্ট করতে চাই না—আমরা চাই বাস্তবসম্মত উদ্যোগ ও দৃশ্যমান পরিবর্তন।”
এম এ রউফ
রেমিট্যান্স যোদ্ধা সংসদ