বাংলাদেশে ন্যায়বিচার ও মানবিক নিরাপত্তা নিশ্চিতের আহ্বান-উদ্বিগ্ন দেশবন্ধু রেমিটেন্সের যুদ্ধ সংসদের

এডভোকেট এ এন এম ঈসা
প্রতিষ্ঠাতা ও কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক
এম এ রউফ (Qatar)
সদস্য সচিব, কেন্দ্রীয় কমিটি।
গভীর উদ্বেগ ও কষ্টের সাথে লক্ষ্য করছি যে, আমাদের ছোট বোনের উপর ঘটে যাওয়া নির্মম ঘটনার পরও তার বাবা প্রকাশ্যে বিচার দাবি করতে অনীহা প্রকাশ করছেন বা নীরব অবস্থানে রয়েছেন। এই বিষয়টি শুধু একটি পরিবারের ব্যক্তিগত ঘটনা নয়, বরং আমাদের সমাজ, মানবিকতা ও বিচার ব্যবস্থার জন্যও একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন হয়ে দাঁড়িয়েছে।
একজন পিতা শুধু সন্তানের নিরাপত্তা, সম্মান ও ন্যায়বিচারের জন্য সবচেয়ে বড় আশ্রয়স্থল। কিন্তু কোনো অসহায় শিশুর বিচার চাওয়ার প্রশ্নে পরিবার ভীত, চাপে নত অথবা নিশ্চুপ হয়ে যায়, তখন বুঝতে হবে সমাজে কোথাও না কোথাও ভয়, প্রভাব, দুর্বলতা কিংবা নিরাপত্তাহীনতার একটি গভীর সংকট বিদ্যমান।
আমরা বিশ্বাস করি, কোন শিশুর কান্না, কোন নির্যাতিত মানুষের আর্তনাদ এবং কোন মায়ের বুক ফাঁটা আহাজারি কখনোই অবহেলার বিষয় হতে পারে না। বিচার চাওয়া অপরাধ নয়! বরং ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করা রাষ্ট্র, সমাজ ও মানবতার দায়িত্ব।
বাংলাদেশ একটি স্বাধীন ও মানবিক রাষ্ট্র। এখানে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করতে হলে দুর্বল, অসহায় ও নির্যাতিত মানুষের পাশে দাঁড়াতে হবে। বিশেষ করে শিশু নির্যাতন, ধর্ষণ, সহিংসতা ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনায় দ্রুত, নিরপেক্ষ ও দৃশ্যমান বিচার নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরী।
আমি সংশ্লিষ্ট প্রশাসন, মানবাধিকার সংগঠন, গণমাধ্যম এবং সচেতন নাগরিকদের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি, ঘটনার প্রকৃত সত্য উদঘাটনে এগিয়ে আসুন।
কোন পরিবার যেন ভয়, চাপ বা নিরাপত্তাহীনতার কারণে ন্যায়বিচার চাইতে পিছিয়ে না যায়, সেই পরিবেশ নিশ্চিত করুন।
আমরা প্রতিশোধ চাই না, আমরা ন্যায়বিচার চাই।
কারণ বিচারহীনতা শুধু একটি পরিবারকে নয়, পুরো সমাজকে অন্ধকারের দিকে ঠেলে দেয়।