প্রেস বিজ্ঞপ্তি
প্রেস বিজ্ঞপ্তি
প্রবাসী রেমিট্যান্স যোদ্ধাদের সরকারি চাকরিজীবীদের মতো পেনশন সুবিধার আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন রেমিট্যান্স যোদ্ধা সংসদ পরিবার ও অ্যাডভোকেট এ. এন. এম. ঈসা, প্রতিষ্ঠাতা ও কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক, আন্তর্জাতিক রেমিট্যান্স যোদ্ধা সংসদ। গত সোমবার, ৩ আগস্ট, যুক্তরাজ্য সময় সন্ধ্যা ৬টায় আন্তর্জাতিক রেমিট্যান্স যোদ্ধা সংসদের উদ্যোগে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে অবস্থানরত বাংলাদেশি প্রবাসীদের অংশগ্রহণে একটি ভার্চুয়াল সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা ও কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট এ. এন. এম. ঈসা। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী গণমাধ্যম ব্যক্তিত্ব ও সমাজসেবী জনাব আনোয়ার হোসেন লিটন। সভা পরিচালনা করেন স্পিকার সংগঠনের সদস্য সচিব এম. এ. রউফ। সভার মূল আলোচ্য বিষয় ছিল প্রবাসী রেমিট্যান্স যোদ্ধাদের দীর্ঘদিনের অধিকার, বিশেষ করে তাদের জন্য একটি স্থায়ী পেনশন ব্যবস্থা প্রবর্তনের দাবি এবং সংগঠনের ঘোষিত ছয় দফা দাবি বাস্তবায়নের প্রয়োজনীয়তা। আমরা রেমিট্যান্স যোদ্ধা পরিবার সরকারকে বিনীতভাবে অনুরোধ করেছি। প্রধান অতিথির বক্তব্যে আনোয়ার হোসেন লিটন বলেন, প্রবাসী রেমিট্যান্স যোদ্ধারা কোনো সরকার বা রাজনৈতিক দলের পক্ষে কিংবা বিপক্ষে নন। সরকার পরিবর্তন হতে পারে, কিন্তু প্রবাসী রেমিট্যান্স যোদ্ধা দের ন্যায্য দাবি পরিবর্তন হয় না। তাই সরকার যেই থাকুক না কেন, প্রবাসীদের অধিকার প্রতিষ্ঠার দাবি অব্যাহত থাকবে। রংধনু নারী ফাউন্ডেশন চেয়ারম্যান লায়ন শাহিদা পারভীন রত্না ও নাসরিন আক্তার তরফদার রউফ ও নারী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ। রেমিট্যান্স যোদ্ধা সহ পরিবার বলেন, বাংলাদেশের অর্থনীতির অন্যতম প্রধান চালিকাশক্তি হলো প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্স। রপ্তানি খাত থেকে বৈদেশিক মুদ্রা এলেও শিল্পের কাঁচামালসহ বিভিন্ন প্রয়োজনীয় পণ্য আমদানিতে তার একটি বড় অংশ ব্যয় হয়। অন্যদিকে প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্স দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ, পারিবারিক অর্থনীতি এবং সামগ্রিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তাই প্রবাসীদের যথাযথ মর্যাদা ও অধিকার নিশ্চিত করা সময়ের দাবি। আমরা কোন বিপক্ষে নয়। যে কোন সরকার আসুক সরকার কে আমরা স্বাগতম জানাই। আমরা সরকার কে সহযোগিতা দিবো। সভায় অংশগ্রহণকারী বক্তারা একবাক্যে আন্তর্জাতিক রেমিট্যান্স যোদ্ধা সংসদের ঘোষিত ছয় দফা দাবির প্রতি সমর্থন জানিয়ে সরকারের প্রতি দ্রুত বাস্তবায়নের আহ্বান জানান। তারা বলেন, প্রয়োজনে অর্থ পাচার রোধে আরও কঠোর ও কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে এবং একই সঙ্গে বৈধ পথে রেমিট্যান্স পাঠাতে উৎসাহিত করার জন্য প্রবাসীদের ন্যায্য দাবিগুলো বাস্তবায়ন করতে হবে। আমরা কোন সরকারের বিপক্ষে নয়। আমরা সবাই সরকারের পক্ষ কাজ করিবো। ইনশাআল্লাহ। রেমিট্যান্স যোদ্ধা সংসদ পরিবার। হাকিকূল ইসলাম খোকন। মির্জা সূমন। জালাল উদ্দীন। গোলাম কিবরিয়া। আমিনুল রাশেদ শাহিন তালুকদার হেলাল উদদীন রেয়াজ আবু সাইদ দিদার সরদার আবূল হোসেন সরদার। এস এম আঃ সাত্তার ইসমাইল মিয়া কাতার বলেন, দীর্ঘদিন বিদেশে কঠোর পরিশ্রম করে দেশের অর্থনীতিতে অবদান রাখা প্রবাসী রেমিট্যান্স যোদ্ধাদের সরকারি চাকরিজীবীদের মতো একটি পেনশন ব্যবস্থার আওতায় আনা উচিত। তিনি বলেন, যারা যৌবনের সেরা সময় বিদেশে কাটিয়ে দেশের জন্য বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করেন, তারা বার্ধক্যে দেশে ফিরে ন্যূনতম সামাজিক নিরাপত্তা পাওয়ার অধিকার রাখেন। এটি কোনো দয়া বা অনুগ্রহ নয়, বরং তাদের অবদানের স্বীকৃতি। এডভোকেট মির সিরাজ ও এডভোকেট তাজুল ইসলাম। আলহাজ্ব ডঃ শরিফ সাকি। মোহাম্মদ আব্দুল ওয়াহাব রিংকো মেজর ইমরান মিয়া। কর্নেল ফেরদৌস আজিজ. তাজউদ্দিন । এম এ মালেক খান।বিদ্যুৎ রেজা নবী সপিক মিয়া এনাম চৌধুরী খোকন কবির আহমেদ মাসূম কাপ্তান মিয়া। সৈয়দ খালিদ মিয়া অলিদ মুস্তাদিক মিয়া মানিক সহ রেমিট্যান্স যোদ্ধা সংসদ পরিবার বলেন, প্রবাসী রেমিট্যান্স যোদ্ধারা যদি ঐক্যবদ্ধ থাকেন, তাহলে তাদের ন্যায্য দাবিগুলো প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব। তবে এই আন্দোলন হবে সম্পূর্ণ শান্তিপূর্ণ, গণতান্ত্রিক এবং রাষ্ট্রের স্বার্থকে অক্ষুণ্ন রেখে। কেউ কেউ মনে করেন প্রবাসীদের এই আন্দোলন বৃথা। কিন্তু ইতিহাস ভিন্ন কথা বলে। দীর্ঘ আন্দোলনের ধারাবাহিকতায় প্রবাসীদের রেমিট্যান্স যোদ্ধাদেরব ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠায় উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি এসেছে। তাই ধৈর্য, ঐক্য এবং ধারাবাহিক প্রচেষ্টার মাধ্যমে অন্যান্য দাবিও একদিন বাস্তবায়িত হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন। রেমিট্যান্স যোদ্ধা সংসদ পরিবার ইন্টারন্যাশনাল টিম বলেছেন । দেশ আমাদের মা। দেশ কে আমরা ভালোবাসি। আমরা কোন রাজনৈতিক দল নয়। আমরা রেমিট্যান্স যোদ্ধা দেশের উন্নয়নের চালিকাশক্তি। দেশের ক্ষতি হয় এমন কোনো কর্মসূচিতে আমরা বিশ্বাস করি না। এবং কখনোই সে পথে আমরা যাব না। আমরা চাই আলোচনার মাধ্যমে, গণতান্ত্রিক উপায়ে এবং যুক্তির ভিত্তিতে প্রবাসীদের ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠিত হোক।” টেবিলের মাধ্যমে বসে। সভা পরিচালনাকালে এম. এ. রউফ বলেন, “আমরা ১৯৯২ সাল থেকে অ্যাডভোকেট এ. এন. এম. ঈসা সাহেবের নেতৃত্বে প্রবাসীদের অধিকার আদায়ের আন্দোলনের সঙ্গে সম্পৃক্ত। দাবি বাস্তবায়ন না হওয়া পর্যন্ত আমাদের এই আন্দোলন শান্তিপূর্ণ ও গণতান্ত্রিকভাবে অব্যাহত থাকবে, ইনশাআল্লাহ। সভা শেষে সর্বসম্মতিক্রমে সরকারের প্রতি আহ্বান জানানো হয় যে, প্রবাসী রেমিট্যান্স যোদ্ধাদের জাতীয় উন্নয়নের অংশীদার হিসেবে স্বীকৃতি দিয়ে তাদের জন্য একটি স্থায়ী পেনশন ব্যবস্থা প্রবর্তন, ছয় দফা দাবি বাস্তবায়ন এবং প্রবাসীদের সঙ্গে নিয়মিত সংলাপের উদ্যোগ গ্রহণ করা হোক।
প্রকাশক:অ্যাডভোকেট এ. এন. এম. ঈসাপ্রতিষ্ঠাতা ও কেন্দ্রীয় আহ্বায়কআন্তর্জাতিক রেমিট্যান্স যোদ্ধা সংসদ। স্পিকার
এম. এ. রউফ (কাতার)সদস্য সচিবআন্তর্জাতিক রেমিট্যান্স যোদ্ধা সংসদ।