প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী, রাশেদ খাঁন বনাম আজকে একটি অন্ধকার অধ্যায়ের অবসান প্রসঙ্গে
অথই নূরুল আমিন
মো. রাশেদ খান, যিনি এক সময়ের রাজপথের বিপ্লবী নেতা। ছাত্রজীবন থেকে অসংখ্য সমস্যা মোকাবেলা করে করে, আজকে তিনি আপন যোগ্যতায় প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী ( সচিব পদমর্যাদা )। বিগত সময়ে লক্ষ্য করে দেখেছি। মো. রাশেদ খাঁন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী নিয়োগ পাওয়ার পর থেকেই, এক শ্রেণির লোক ফেসবুকে বিভিন্ন সময় বিভিন্নভাবে তিরস্কার করেই চলেছে। ফেসবুকে যেন মো. রাশেদ খানকে নিয়ে তিরস্কার আর তিরস্কার। এ যেন বলে কয়ে শেষ করার মতো নয়। যাক যার যেমন মনখুশি আলোচনা সমালোচনা করতেই পারেন। তবে মো. রাশেদ খাঁন , তিনি যে একজন মেধাবী এবং প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী হিসেবেও যে তিনি সত্যি সত্যি যোগ্য। তার যথেষ্ট প্রমাণ পাওয়া গেলো আজকের একটি বিষয়কে কেন্দ্র করে । বিগত সময়ে রাশেদ খানকে নিয়ে যারা তুচ্ছতাচ্ছিল্য করে পোস্ট বা কমেন্ট করেছেন, মো. রাশেদ খাঁনের আজকের এই মহতি ঘটনার পর থেকে তারা সবাই লজ্জিত হবেন অবশ্যই। যাদের দৃষ্টিতে মো. রাশেদ খাঁন নিন্দিত অবহেলিত, সেই রাশেদ খাঁন আজকে দেশের সবচেয়ে গ্রহণযোগ্য একটি কাজ করেছেন। একটা প্রথার বিরুদ্ধে যুদ্ধ করেছেন । আর সেই বিষয়টি হলো, সরকারি চাকরির ক্ষেত্রে ভূমি না থাকায় চাকরি না হওয়া প্রসঙ্গে। এমন একটি বিষয় মো. রাশেদ খাঁনের নজরে আসার পর বাংলাদেশে এই প্রথম, সরকারের কোন উচ্চ পর্যায়ের কর্মকর্তার হস্তক্ষেপ স্বচক্ষে দেখলাম, খুবই ভালো লাগলো । আজকে তিনি মো. রাশেদ খাঁন প্রমাণ করেছেন। তিনি যে মানবিক, জন দরদি, এবং দেশপ্রেমিক একজন ব্যক্তি। এছাড়া আরো প্রমাণ করেছেন, তিনি সত্যি সত্যি প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী হিসেবেও যোগ্য। যে কাজ তিনি আজকে করেছেন। এখানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ও সম্মান আরো উচ্চতায় পৌঁছেছে নিশ্চিত করেই বলা যায়। ঘটনা হচ্ছে, ভূমি নেই বলে চাকরি থেকে বাদ পরেছিলেন একজন প্রার্থী। আজকে মো. রাশেদ খাঁন সেই ভূক্তভোগী প্রার্থীকে সঙ্গে করে নিয়ে , শিক্ষামন্ত্রীর সাথে সাক্ষাৎ করেছেন এবং বিষয়টি সমাধান করতে সক্ষমও হয়েছেন, যেহেতু বিষয়টি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে মো. রাশেদ খাঁনের মতো তৃণমূল অভিজ্ঞ একজন লোক না থাকলে আজকে এরকম একটি বিষয়ের সমাধান হতো না, তাও নিশ্চিত করেই বলা যায়। বিগত সময়েও এরকম ভাবে অসংখ্য প্রার্থী বাদ পরেছিলেন । কিন্তু রাষ্ট্রের বড় পদের কেউ এগিয়ে এসেছিলেন বলে আমার জানা নেই। আজকের ঘটনার পর থেকে এই ধারাবাহিকতা বজায় থাকবে বলে আমার বিশ্বাস। সরকারি চাকরি হবে তার যোগ্যতায়। এখানে ভূমি আছে কি নেই, এরকম অন্ধকার আইন বাতিল হবে বলে আমার বিশ্বাস। তবে আজকে মন থেকে খুব কষ্ট পাচ্ছি এই কারণে যে, মো. রাশেদ খান আজকে যা করে দেখালেন। তা নিয়ে একমাত্র শিক্ষামন্ত্রী ছাড়া দেশের আর কেউ এই বিষয় নিয়ে মো. রাশেদ খানকে ধন্যবাদ জানিয়ে একটা পোস্ট হয়নি বলে। আমরা যদি ভালো কাজের প্রশংসা না করি, তাহলে এটা অমানবিক হয়ে যায়। একজন লোক ভালো কাজ করার পর যদি তার প্রশংসা করা হয়। তাহলে ভালো কাজ করার জন্য আরো অসংখ্য লোক বের হবে এটা আমার বিশ্বাস। ধন্যবাদ বীর মো. রাশেদ খাঁন । মো. রাশেদ খাঁনের জন্য রইল শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন। একইসঙ্গে শিক্ষামন্ত্রীকেও ধন্যবাদ জানাই। তিনিও বিষয়টি খুবই গুরুত্বের সাথে দেখেছেন এবং সঙ্গে সঙ্গে ব্যবস্থাও নিয়েছেন বলেও জানতে পারলাম । প্রসঙ্গ প্রাথমিকে শিক্ষক নিয়োগ।