মেজর (অবঃ)আকতারুজ্জামান রজ্ঞন কার খালো জেএসএফ-বাংলাদেশ সংগঠক হাজী আনোয়ার হোসেন লিটন
হাকিকুল ইসলাম খোকন, বাপসনিউজঃ
সম্প্রতি ঢাকা শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে রেমিট্যান্স যোদ্ধাদের বিশেষ করে বিদেশ বিভূই থেকে যেসকল বাংঙালিরা দেশে যান ছুটিতে বা একেবারে তাদেরকে বাংলাদেশের দূনীর্তিবাজ অবৈধ সরকারের অবৈধ কর্মচারী গন প্রবাসী যাএীদের বিভিন্ন ভাবে অন্যায়ভাবে হয়রানি করে থাকেন তার জন্য জেএসএফ-বাংলাদেশ এর সংগঠক হাজী আনোয়ার হোসেন লিটন একটি ভিডিও লাইভে দিয়েছেন এবং তিনি নিয়মিত বিভিন্ন বিষয় নিয়ে ফেইসবুকে লাইভ দিচ্ছেন ।যা ইতিমধ্যে বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে এবং তার বক্তব্যর জন্য অসংখ্য মানুষ তাকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন ।হাজী আনোয়ার হোসেন লিটন যেখানেই অন্যায় তিনি সেখানেই প্রতিবাদ করছেন বা করে য়াকেন । “৯০এর দশক থেকে নিউইয়র্ক এ পরিচয় এ সিনিয়র সাংবাদিক ও লায়ন হাকিকুল ইসলাম খোকন সর্ব প্রথম থেকেই বিভিন্ন গণমাধ্যমে নিয়মিত তুলে ধরেছেন প্রবাসে সংবাদ। মাধ্যমের অগ্রদূত সংবাদ সংস্থা বাপসনিউজ ও এনওয়াইবিডিনিউজ এবং জনপ্রিয় পোর্টাল আইবিএননিউজ২৪.কম সহ বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে ।সিনিয়র সাংবাদিক ও লায়ন হাকিকুল ইসলাম খোকনকে বিভিন্ন মহল থেকে টেলিফোনে জানিয়েছে গত ৩ অক্টোবর ২০২৬,শনিবার ,জেএসএফ-বাংলাদেশ এর সংগঠক হাজি আনোয়ার হোসেন লিটন বিমান বন্দরে অন্যায় ভাবে হয়রানি করেছেন সেইসব প্রবাসীদের পক্ষে ১৯৭১- বীর মুক্তিযোদ্ধা ও সাবেক সংসদ সদস্য মেজর(অব)আকতারুজ্জামান রজ্ঞন এর কাজের সমর্থন করে ভিডিও বার্তা দিয়েছেন তার জন্য গনমানুয় হাজী আনোয়ার হোসেন লিটনের কাছে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন প্রবাসী মহল ।হাজি আনোয়ার হোসেন লিটন তার বক্তব্যে ভিডিও বার্তায় যে কথাগুলো বলেছেন সংক্ষিপ্ত ভাবে তুলে ধরা হলো,বীর মুক্তিযোদ্ধা ও সাবেক সংসদ সদস্য আনোআখতারুজ্জামান রজ্ঞন জামায়াতের নেতা নন বরং তিনি দলের প্রাথমিক সদস্য বলে দাবি করেছেন জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নায়েবে আমির ও রংপুর-২ আসনের কথিত নির্বাচনের সংসদ সদস্য এ টি এম আজহারুল ইসলাম। তিনি দাবি করেন, ‘জনগণকে বিভ্রান্ত করতেই আখতারুজ্জামানক রজ্ঞনকে জামায়াতে ইসলামীর ‘নেতা’ হিসেবে পরিচয় করিয়ে দেওয়া হচ্ছে।খবর আইবিএননিউজ ও বাপসনিউজ ।তিনি সহযোগী সদস্য বা প্রাথমিক সদস্য হয়েছেন। জামায়াতে প্রাথমিক সদস্য হওয়ার পর কর্মী, তারপর সদস্য এবং এরপর নেতা হওয়া যায়। মেজর(অবঃ)আখতারুজ্জামান রজ্ঞন সিম্পল সদস্যমাত্র।’ বীর মুক্তিযোদ্ধা ও সাবেক বিএনপি এমপি মেজর (অব:) আখতারুজ্জামান রজ্ঞন জামায়াতের কোন নেতা নন। উনি জামায়াতে যোগ দিয়েছেন মাত্র। রাজনীতিতে দীর্ঘ পথচলা মেজর (অবঃ)আখতারুজ্জামান রজ্ঞন কিশোরগঞ্জ-২,কটিয়াদ-পাকুন্দিয়া আসন থেকে বিএনপির মনোনয়নে ১৯৯১ ও ১৯৯৬ সালে টানা দুইবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। পরে ২০১৮ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ধানের শীষ প্রতীকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে পরাজিত হন। ২০২৪ সালের নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবেও তিনি পরাজিত হন। তিনি একসময় কিশোরগঞ্জ জেলা বিএনপির সভাপতি ছিলেন। দলীয় শৃঙ্খলাবিরোধী কর্মকাণ্ডের অভিযোগে ২০২২ সালের ২০ ফেব্রুয়ারি তাঁকে বিএনপি থেকে বহিষ্কার করা হয়। পরে ২০২৫ সালের ১৩ ডিসেম্বর জামায়াতে ইসলামীতে যোগ দেন। জামায়াতের নেতা হতে হলে বহু প্রক্রিয়ার মাধ্যমে এবং সাংগঠনিক বহু লেখাপড়ার পর পদ পেলেই নেতা হবেন। দলে যোগ দিলেই নেতা হতে পারেন কিন্তু বিশেষ করে জামায়াতে যোগ দিয়ে নেতা হতে পারেন না। উল্লেখ্য : বীর মুক্তিযোদ্ধা ও সাবেক এমপি মেজর (অব:) আখতারুজ্জামান রজ্ঞন বিএনপি থেকে ২ বারের এমপি।তবে তিনি কখনো বিএনপি করেননি ।মুক্তিযুদ্ধের সময় আওয়ামী লীগের রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত ছিলেন এবং মুক্তিযুদ্ধের কোটায় তিনি সেনা বাহিনীর একজন কর্মকর্তা ছিলেন । শোনাযায় চাকুরীর জীবনে চট্টগ্রামে অনৈতিক কর্মকাণ্ডে জরিত থাকার কারণে মেজর (অবঃ) আকতারুজ্জামান রজ্ঞনকে সাবেক স্বৈরশাসক ও ২য় ফৌজি রাষ্ট্রপতি এইচএম এরশাদের সরকার তাকে বহিষ্কার করেছিলেন ।পরে মেজর (অবঃ)আকতারুজ্জামান রজ্ঞন বাংলাদেশের ২য় ফৌজি রাষ্ট্রপতি হোসেন মোহাম্মাদ এরশাদের কাছে আত্মসমর্পণ ও তদবির করে জাতীয় পার্টিতে যোগদান করেন এবং ঢাকায় আমেরিকান দূতাবাসের সকল কর্মকর্তাদের সিকিউরিটি ব্যাবসায় নিয়োজিত করেন।”৯০-এর গনআন্দোলন মুখে বাংলাদেশের প্রথম স্বৈরশাসক ও অবৈধ ফৌজি রাষ্ট্রপতি স্বঘোষিত জেনারেল জিয়াউর রহমান নিজ দলের কোন্দল এর কারণে প্রয়াত হলে গৃহবধূর থেকে “৯০-এর দিকে নির্বাচনের সময় মেজর(অবঃ)আকতারুজ্জামান রজ্ঞন জাতীয় পার্টি থেকে বিএনপি”র মনোনয়ন পান প্রায়াত শিল্পপতি ও বাংলাদেশের সৎ মেনপাওয়ার ব্যাবসায়ীদের অন্যতম আহমেদ এন্ড কোম্পানির প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান ও প্রায় সকল সরকারের আমলেই সিআইপি আশরাফ উদ্দিন আহমেদ মেনু নামে পরিচিত এবং তার বড় সুতনয় এবং প্রায়াত প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া ভাই নিউইয়র্কের একটি হাসপাতালে প্রয়াত মেজর(অবঃ) সাঈদ ইস্কান্দর এর খুবই আপনজন প্রয়াত আশফাক আহমেদ বাবু”তদবির ও সুপারিশ এর কারনে ১৯৭১-এর বীর মুক্তিযোদ্ধা মেজর(অবঃ)আকতারুজ্জামান রজ্ঞন “৯০-দশকে প্রথম বিএনপি”র মনোভাব পান ও নির্বাচিত হন প্রথমবার সংসদ সদস্য । ‘একটি দেশের প্রধান আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর রাষ্ট্রের সক্ষমতা ও ব্যবস্থাপনার প্রতিচ্ছবি। এই বিমানবন্দরে প্রতিনিয়ত যাত্রী হয়রানি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা মেজর (অব.) আখতারুজ্জামান রজ্ঞন-উল্লেখ করে সাদিক কায়েম বলেন, ‘ তিনি কথা বলেছিলেন সেই প্রবাসীদের পক্ষে, যারা বাংলাদেশের অর্থনীতির অক্সিজেন, যাদের পাঠানো রেমিট্যান্সে সরকার দেশ চালায়। প্রশ্ন তুলেছিলেন বিমানবন্দরের অব্যবস্থাপনা ও প্রবাসীদের ভোগান্তি নিয়ে। কিন্তু প্রতিবাদের জবাবে আমরা কি দেখলাম? যাদের ব্যর্থতার কারণে প্রবাসীদের ল্যাগেজ চুরি হয়, মালামাল ঠিকভাবে পাওয়া যায় না তাদের কিছু হলো না। অথচ যিনি ভোগান্তির শিকার হলেন, প্রতিবাদ করলেন, তাকে অ্যারেস্ট করা হলো মামলার ঘণ্টাখানেকের মধ্যে।’ বীর মুক্তিযোদ্ধা মেজর (অব.) আখতারুজ্জামান রজ্ঞন আটক কি জরুরি ছিল ? আবার যারাই এখন এই আটকের পক্ষে আছেন , তারা কি মেজর (অব.) আখতারুজ্জামান রজ্ঞন জামায়াতে যোগ না দিলে আগের দলে থাকতেন , তাহলে কি এই আটক সমর্থন করতেন ?জেএসএফ-বাংলাদেলের সংগঠক হাজী আনোয়ার হোসেন লিটন আজীবন ন্যায়ের পক্ষে ও অন্যায়ের বিরুদ্ধে ফেসবুকে ও ভিডিও লাইভে কাজ করে যাবেন ।হাজী আনোয়ার হোসেন লিটন বস্তুনিষ্ঠ ও সত্য সংবাদ পরিবেশন করার জন্য সিনিয়র সাংবাদিক ও লায়ন হাকিকুল ইসলাম খোকন যুক্তরাষ্ট্রের সংবাদ সংস্থার অগ্রদূত “বাপসনিউজ ও এনএয়াইবিডিনিউজ এবং জনপ্রিয় পোর্টাল আইবিএননিউজ২৪.কমকে তাদের কার্যাবলীর জন্য অসংখ্য শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন এবং ধন্যবাদ জানিয়েছেন ।