প্রেস বিজ্ঞপ্তি
আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ
সংবিধানের ৭০(খ) ধারা বাতিল আন্দোলন জোরদার ও বাংলাদেশে আহ্বায়ক কমিটি গঠনের প্রস্তাব গত রবিবার, ১২ জুলাই, আন্তর্জাতিক দেশবন্ধু রেমিটেন্স যোদ্ধা সংসদের উদ্যোগে একটি ভার্চুয়াল সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন সংবিধানের ৭০(খ) ধারা বাতিল আন্দোলনের জনক, দার্শনিক দেশবন্ধু অ্যাডভোকেট এ. এন. এম. ঈসা। সভা সঞ্চালনা করেন এম. এ. রউফ, সদস্য সচিব, আন্তর্জাতিক দেশবন্ধু রেমিটেন্স যোদ্ধা সংসদ। সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মেজর (অব.) আখতারুজ্জামান। প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন কর্নেল ফেরদৌস আজিজ। এছাড়াও বক্তব্য প্রদান করেন ব্রিগেডিয়ার জেনারেল বায়েজিদ, মেজর ইমরান মিয়া, এডভোকেট জিয়াউর রহমান, মেজর আনিসুর রহমান, মুস্তাকিক মিয়া, রেয়াজ আবু সাইদ, শাহিন তালুকদার, রংধনু নারী ফাউন্ডেশনের প্রধান উপদেষ্টা নাসরিন আক্তার তরফদার রউফ ও রংধনু নারী ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান লায়ন শাহিদা পারভীন রতনাসহ দেশ-বিদেশের বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ। সভায় বক্তারা বাংলাদেশের সংসদীয় গণতন্ত্রকে আরও কার্যকর, জবাবদিহিমূলক ও শক্তিশালী করার লক্ষ্যে সংবিধানের ৭০(খ) ধারা নিয়ে জাতীয় পর্যায়ে আলোচনা এবং আন্দোলন আরও জোরদার করার বিষয়ে সর্বসম্মতিক্রমে ঐকমত্য প্রকাশ করেন। আলোচনায় সিদ্ধান্ত গৃহীত হয় যে, আন্দোলনের কার্যক্রমকে আরও সুসংগঠিত ও বিস্তৃত করার লক্ষ্যে বাংলাদেশে প্রাথমিকভাবে একটি আহ্বায়ক কমিটি গঠনের উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে। এই কমিটি দেশের বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, সামাজিক সংগঠন, মানবাধিকার সংগঠন, শিক্ষাবিদ, আইনজ্ঞ, তরুণ সমাজ ও নাগরিক প্রতিনিধিদের সঙ্গে যোগাযোগ করে একটি বৃহত্তর জাতীয় সংলাপের পরিবেশ তৈরিতে কাজ করবে। সভাপতির বক্তব্যে দার্শনিক দেশবন্ধু অ্যাডভোকেট এ. এন. এম. ঈসা বলেন, একটি স্বাধীন রাষ্ট্রের জন্য স্বাধীন সংসদ অপরিহার্য। তিনি বলেন, জনগণের প্রতিনিধিদের স্বাধীনভাবে মতামত প্রকাশ ও জাতীয় স্বার্থে সিদ্ধান্ত গ্রহণের সুযোগ নিশ্চিত করা গণতন্ত্রকে আরও শক্তিশালী করবে। তিনি শান্তিপূর্ণ, সাংবিধানিক ও গণতান্ত্রিক উপায়ে সংস্কারের পক্ষে মত প্রকাশ করেন। সভায় প্রধান মেজর (অব.) আখতারুজ্জামান বলেন, অধিকার কখনো নীরব থাকলে অর্জিত হয় না; অধিকার আদায়ের জন্য ধারাবাহিকভাবে দাবি জানাতে হয়। প্রধান বক্তা কর্নেল ফেরদৌস আজিজ বলেন, সরকার দাবি গ্রহণ করবে কি না, সেটি সরকারের সিদ্ধান্ত। কিন্তু জনগণের ন্যায্য দাবি শান্তিপূর্ণ ও গণতান্ত্রিক উপায়ে তুলে ধরা এবং তা অব্যাহত রাখা নাগরিকদের অধিকার ও দায়িত্ব। মেজর ইমরান মিয়া বলেন, জাতীয় ঐক্য, গঠনমূলক সংলাপ এবং গণতান্ত্রিক অংশগ্রহণের মাধ্যমে একটি শক্তিশালী, স্বাধীন ও জবাবদিহিমূলক সংসদ প্রতিষ্ঠার বিষয়ে দেশের সর্বস্তরের মানুষের মধ্যে সচেতনতা আরও বৃদ্ধি পাবে।
এম. এ. রউফ (কাতার)সদস্য সচিব বলেন, বাংলাদেশ স্বাধীন থাকুক। সংসদ স্বাধীন থাকুক। জনগণের কণ্ঠস্বর স্বাধীন থাকুক। শহীদদের আত্মত্যাগ বৃথা যেতে দেওয়া যাবে না।
রেমিট্যান্স যোদ্ধা সংসদ ইন্টারন্যাশনাল
roufnasrin@ gmail com
এম. এ. রউফ (কাতার) সদস্য সচিব আন্তর্জাতিক দেশবন্ধু রেমিটেন্স যোদ্ধা সংসদ।