প্রেস বিজ্ঞপ্তি
আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ
১ নভেম্বর ২০২৬ প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা পরিষদে প্রবাসী রেমিট্যান্স যোদ্ধাদের সরাসরি অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে সরকারের কাছে সাত দফা প্রস্তাব ও সিদ্ধান্ত “আমরা দেশের মালিক হতে চাই না, দেশের মানুষের খাদেম হতে চাই। আমরা ক্ষমতা চাই না, সেবা করার সুযোগ চাই।” — দার্শনিক দেশবন্ধু অ্যাডভোকেট এ এন এম ঈসা। আন্তর্জাতিক রেমিট্যান্স যোদ্ধা সংসদের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত এক গুরুত্বপূর্ণ ভার্চুয়াল আলোচনা সভায় প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রম, নীতিনির্ধারণ এবং উপদেষ্টা পরিষদে প্রবাসী রেমিট্যান্স যোদ্ধাদের সরাসরি ও কার্যকর অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে সরকারের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে সাত দফা প্রস্তাব পেশের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সভায় সভাপতিত্ব করেন আন্তর্জাতিক রেমিট্যান্স যোদ্ধা সংসদের প্রতিষ্ঠাতা ও আহ্বায়ক দার্শনিক দেশবন্ধু অ্যাডভোকেট এ এন এম ঈসা (লন্ডন)। সভা পরিচালনা করেন প্রতিষ্ঠাতা সদস্যসচিব এম এ রউফ (কাতার)। সভায় বক্তব্য রাখেন ফারুক আহমেদ চৌধুরী, আলহাজ্ব ডক্টর শরিফ সাকি, অবসরপ্রাপ্ত ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ড. মো. নাসিমুল গনি, বীর মুক্তিযোদ্ধা মুজিবুর রহমান, জালাল উদ্দীন, মির্জা সুমন, মোহাম্মদ আঃ ওয়াহাব রিংকু, ড. শাহিন আক্তার, ইসমাইল খান, মোস্তাদাদিক মিয়া মানিক, লায়ন শাহিদা পারভীন রত্নাসহ বিভিন্ন দেশের প্রবাসী প্রতিনিধিরা। সভায় বক্তারা বলেন, প্রবাসীরা শুধু রেমিট্যান্স প্রেরণকারী নন; তাঁরা বাংলাদেশের সমান মর্যাদাসম্পন্ন নাগরিক এবং জাতীয় উন্নয়নের গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার। বিদেশে কর্মসংস্থান, অভিবাসন ব্যয়, দালাল ও সিন্ডিকেটের দৌরাত্ম্য, কর্মক্ষেত্রে প্রতারণা, বিমানবন্দরে হয়রানি, পাসপোর্ট ও কনস্যুলার সেবার জটিলতা এবং বিপদগ্রস্ত প্রবাসীদের আইনি সহায়তার মতো সমস্যাগুলো সমাধানে প্রবাসীদের প্রত্যক্ষ অভিজ্ঞতাকে নীতিনির্ধারণে গুরুত্ব দিতে হবে। সভাপতির বক্তব্যে অ্যাডভোকেট এ এন এম ঈসা বলেন, “ব্যথিতের বেদনা সেই ভালো বোঝে, যে নিজে সেই ব্যথা অনুভব করেছে। প্রবাসীদের সমস্যা প্রবাসীরাই সবচেয়ে ভালো বোঝেন। তাই প্রবাসীদের কল্যাণে প্রতিষ্ঠিত মন্ত্রণালয়ের নীতিনির্ধারণে তাঁদের কার্যকর অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা প্রয়োজন।” তিনি আরও বলেন, আমরা সরকারের বিকল্প হতে চাই না; সরকারের সহযোগী হয়ে দেশের মানুষের সেবা এবং জাতীয় উন্নয়নে কাজ করতে চাই। রংধনু নারী ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান লায়ন শাহিদা পারভীন রত্না ও নারী নেত্রীরা বলেন, তাঁদের লক্ষ্য ব্যক্তিগত ক্ষমতা বা পদ-পদবি অর্জন নয়; বরং প্রবাসীদের ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠা, বাস্তব সমস্যার সমাধান এবং দেশের অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়নে অবদান রাখা। দেশের প্রতি আনুগত্য এবং নাগরিক অধিকার প্রতিষ্ঠার দাবি পরস্পরের পরিপূরক। এ সময় ফারুক আহমেদ চৌধুরী বলেন, প্রবাসীরা সম্মান, অধিকার এবং দেশের উন্নয়নে দায়িত্বশীল অংশীদার হিসেবে কাজ করার সুযোগ চান। তাঁদের অভিজ্ঞতা ও মতামতকে গুরুত্ব দিতে হবে। এম এ রউফ বলেন, সরকারের সঙ্গে প্রতিযোগিতা নয়, সহযোগিতাই তাঁদের মূল লক্ষ্য। প্রবাসীদের প্রত্যক্ষ অভিজ্ঞতা এবং প্রশাসনের দক্ষতা একত্রিত করা গেলে প্রবাসীসেবার মান উন্নয়নে কার্যকর ভূমিকা রাখা সম্ভব। সরকারের কাছে প্রস্তাবিত সাত দফা
১. প্রবাসীদের প্রতিনিধিত্ব: প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা পরিষদে যোগ্য ও অভিজ্ঞ প্রবাসীদের প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করা। ২. নীতিনির্ধারণে অংশগ্রহণ: অভিবাসন ব্যয়, কর্মসংস্থান, নিরাপত্তা ও পুনর্বাসনসংক্রান্ত নীতিমালা প্রণয়নের আগে প্রবাসীদের মতামত গ্রহণ করা। ৩. আন্তর্জাতিক প্রবাসী পরামর্শ পরিষদ: বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বসবাসরত প্রবাসীদের প্রতিনিধিত্বের ভিত্তিতে কার্যকর পরামর্শ পরিষদ গঠন করা। ৪. অভিযোগ নিষ্পত্তি: প্রবাসীদের অভিযোগ গ্রহণ, তদন্ত ও প্রতিকারের জন্য স্বচ্ছ ও সময়সীমাভিত্তিক ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করা।
৫. মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রম মূল্যায়ন: প্রবাসীসেবার মান ও কল্যাণমূলক কার্যক্রম মূল্যায়নে প্রবাসী প্রতিনিধিদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা। ৬. স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি: প্রবাসী প্রতিনিধি মনোনয়ন বা নির্বাচনের ক্ষেত্রে যোগ্যতা, সততা, অভিজ্ঞতা ও জবাবদিহির নীতিমালা প্রণয়ন করা। ৭. ছয় দফা দাবি বাস্তবায়ন: আন্তর্জাতিক রেমিট্যান্স যোদ্ধা সংসদের ছয় দফা দাবি নিয়ে সরকারের সঙ্গে গঠনমূলক আলোচনা শুরু করা। প্রবাসীদের মতামত গ্রহণের উদ্যোগ সভায় বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বসবাসরত বাংলাদেশি প্রবাসীদের মতামত গ্রহণের জন্য জনমত জরিপ এবং প্রবাসী সংগঠনগুলোর সঙ্গে মতবিনিময়ের উদ্যোগ নেওয়ার প্রস্তাব করা হয়। তাঁদের বাস্তব অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে একটি বিস্তারিত প্রস্তাবনা তৈরি করে সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে উপস্থাপনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সমাপনী বক্তব্য সমাপনী বক্তব্যে অ্যাডভোকেট এ এন এম ঈসা বলেন, “প্রবাসীরা বাংলাদেশের বাইরে থাকলেও তাঁদের হৃদয় বাংলাদেশের মাটিতে। আমরা বাংলাদেশের বোঝা নই, বাংলাদেশের উন্নয়নের অংশীদার। আমরা সরকারের প্রতিপক্ষ নই, সহযোগী হতে চাই। আমরা ক্ষমতা নয়, দায়িত্ব চাই; বিশেষ সুবিধা নয়, ন্যায্য অধিকার চাই।”
তিনি প্রবাসীদের মর্যাদা, অধিকার ও জাতীয় উন্নয়নে তাঁদের অভিজ্ঞতার যথাযথ মূল্যায়ন নিশ্চিত করার জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানান। সভায় উপস্থিত ও বক্তব্য প্রদানকারী ব্যক্তিবর্গের নাম
দার্শনিক দেশবন্ধু অ্যাডভোকেট এ এন এম ঈসা, এম এ রউফ, ফারুক আহমেদ চৌধুরী, আলহাজ্ব ডক্টর শরিফ সাকি, অবসরপ্রাপ্ত ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ড. মো. নাসিমুল গনি, বীর মুক্তিযোদ্ধা মুজিবুর রহমান, ড. মনিরুজ্জামান ভূঁইয়া, মেজর ইমরান মিয়া, আলী নবাব খোকন, মির্জা সুমন, মোহাম্মদ জাফর উল্লাহ, জালাল উদ্দীন, হাকিকুল ইসলাম খোকন, হাজী আনোয়ার হোসেন, শাহিন তালুকদার, হেলাল উদ্দীন, আরব আলী, মোহাম্মদ মুস্তাদিক মিয়া মানিক, সৈয়দ খালিদ মিয়া অলিদ, কবির আহমেদ মাসুম, এস এম আঃ সাত্তার, মোহাম্মদ আঃ ওয়াহাব রিংকু, মোহাম্মদ ফজলুল হক, মোহাম্মদ ফজলুল করিম শেখ, অ্যাডভোকেট তাজুল ইসলাম, অ্যাডভোকেট মীর সিরাজ, বিদ্যুৎ, লায়ন শাহিদা পারভীন রত্না, নাসরিন আক্তার তরফদার, ইসমাইল খান, লায়ন আঃ কাদির জিলানী, হালিম রাজ, লায়ন মোহাম্মদ আজম খান, আহমেদ শাকি, ড. মালেক ফরাজি, মোহাম্মদ আবুল খায়ের, হেলাল খান, কর্নেল ফেরদৌস আজিজ, এম এ মালেক খান, সোহান মিয়া, মোস্তাফিজুর রহমান রিপন, আক্তার মিয়া, মোহাম্মদ আব্দুল কাইয়ুম, ড. মুস্তাফিজুর রহমান ইরান, মাহমুদুর রহমান মান্না, রিয়াজ আবু সাইদ, দিদার সরদার, মোহাম্মদ আবুল হোসেন সরদার, আব্দুল্লাহ ইউসুফ, আবু তাহের চৌধুরী, আবুল বাসার, নাজনীন রহমান রাজন, রেজা নবী, রেজা লতিফ, রিপন, আঃ হামিদ, হাফিজ মিয়া, ক্লিনটন হাওলাদার পাভেল, আমির হোসেন, ড. সোহেল, কর্নেল মোহাম্মদ আব্দুল হক, তুষার আহমেদ, হীরা মিয়া, মোহাম্মদ লোকন মিয়া, অ্যাডভোকেট হাসান মোহাম্মদ, আশরাফুল কবির আসিফ, জান্নাতুল নাঈম চৌধুরী, হাসিনা মমতাজ, মো. নাজমুল হক ভূঁইয়া, রিমন হোসেন, এনাম মিয়া, মাহারাজ মিয়া, কাজী মোকলিস, শাহাজান মিয়া, শাহাজান খান, কামাল মিয়া, লুৎফুর রহমান, ইকবাল তালুকদার, শুভ মীর, মো. সজীব, মো. সাব্বির হোসেন, মো. রবিউস সানী, মো. মামুন মোল্লা, মীর আশরাফ, জামাল মোস্তফা, রহিম মিয়া, অ্যাডভোকেট আবেদ রাজা, কামাল হোসেন, জাহাঙ্গীর আলম, সিরাজ খান, শাহাদাৎ হোসেন, মোহাম্মদ আজাদ রহমান, কাওসার আহমেদ, ব্যারিস্টার জাহাঙ্গীর, অ্যাডভোকেট এনাম মিয়া, শেখ ফরিদ, নুরুল হুদা, মনিরুজ্জামান, এনামুল কবির লিটু, মো. এনাম চৌধুরী খোকন, হোসেন আহমেদ ইনসাফ, হাবিবুর রহমান রানা, জগলু আহমেদ চৌধুরী, মুজিবুর রহমান মধু, আব্দুস সালাম রাজা, রফিক উদ্দিন চৌধুরী, আরমান, আকাশ দেওয়ান, হামিদুল ইসলাম, নজাকির হোসেন, ইউসুফ আলী, কাপ্তান মিয়া, সাইদুল করিম শেখ, মেজর আখতারুজ্জামান, বিনা ঈসা, নারগিস আক্তার, ইয়ামিন রহমান বকুল, ইয়ামিন আক্তার রুমন, লাবনী আনোয়ার, শাহেনা হক, কোহিনূর হ্যাপি, আবেদা সুলতানা, আলহাজ্ব রোমেনা আক্তার, আলেয়া বেগম, সবুজা খাতুন, লিলুপা জাহান লিলু, হাসিনা বেগম সাথী, নোভা, ইসরাত জাহান রিপা, রিপা আক্তার, সৈয়দ তানজনা নাহার কাজল, রানিছা রউফ, মহিশা রউফ, নুরনাহার, মোহন তরফদার, আসাদ টাকুর, সাইদুর রহমান, আবু তারেক আনোয়ার, লিলা শেখ, নুসরাত জাহান রেশমা, তাজ উদ্দীন, মোহাম্মদ শহীদুল ইসলাম চৌধুরী, মোহাম্মদ জয়নাল আবেদীন লস্কর, আঃ কাদির, মোহাম্মদ আইয়ুব আলী, সাইমন ইয়াসিন, মোহাম্মদ মুস্তাফিজুর রহমান, মোহাম্মদ সাগর ইয়াসিন, মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন, মোছাম্মদ জুলিয়া, ডানা আক্তার, রাপি আক্তার, মোহাম্মদ তাফিকুল হক, মোহাম্মদ ইকবাল, ড. শাহিন আক্তার।
প্রচার ও প্রকাশনায়
আন্তর্জাতিক রেমিট্যান্স যোদ্ধা সংসদ
International Remittance Juddah Shonshod
দার্শনিক দেশবন্ধু অ্যাডভোকেট এ এন এম ঈসা
প্রতিষ্ঠাতা ও আহ্বায়ক
এম এ রউফ
প্রতিষ্ঠাতা সদস্যসচিব, কাতার
ইমেইল: roufnasrin@gmail.com
মোবাইল: +974 66958035