প্রেস বিজ্ঞপ্তি
আন্তর্জাতিক নিউজঃ
দেশের স্বার্থেই প্রবাসী রেমিট্যান্স যোদ্ধাদের ছয় দফা দাবি মেনে নেওয়া উচিত-অ্যাডভোকেট এ. এন. এম. ঈসা
প্রতিষ্ঠাতা ও কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক, আন্তর্জাতিক রেমিট্যান্স যোদ্ধা সংসদ
গত বৃহস্পতিবার, ১৩ আগস্ট ২০২৬, আন্তর্জাতিক রেমিট্যান্স যোদ্ধা সংসদের উদ্যোগে প্রবাসী রেমিট্যান্স যোদ্ধাদের বিভিন্ন দাবি ও দেশের অর্থনীতিতে তাঁদের অবদান নিয়ে একটি ভার্চুয়াল আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা ও কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট এ. এন. এম. ঈসা। সভা পরিচালনা করেন সংগঠনের সদস্য সচিব, উদ্যোক্তা, সংগঠক ও স্পিকার এম. এ. রউফ (কাতার), সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কর্নেল (অব.) অ্যাডভোকেট ইঞ্জিনিয়ার আনোয়ার হোসেন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মুক্তিযুদ্ধ গবেষক ও যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব এম. এ. মালেক খান, চেয়ারম্যান, বাংলাদেশ বীর মুক্তিযোদ্ধা ফাউন্ডেশন (সরকার অনুমোদিত)।
সভায় ড. শরীফ সাকি প্রবাসীদের দক্ষতা উন্নয়ন, বৈধ কর্মসংস্থান, বিনিয়োগের নিরাপত্তা, ব্যাংকিং সেবা, জানমালের নিরাপত্তা, সহজ ঋণ, পেনশন, কল্যাণ তহবিল এবং রাষ্ট্র পরিচালনায় কার্যকর প্রতিনিধিত্বসহ আন্তর্জাতিক রেমিট্যান্স যোদ্ধা সংসদের ছয় দফা দাবি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন। দক্ষ জনশক্তি বিদেশে পাঠাতে পারলে দেশ বহুগুণ লাভবান হবে প্রধান অতিথির বক্তব্যে কর্নেল (অব.) অ্যাডভোকেট ইঞ্জিনিয়ার আনোয়ার হোসেন বলেন, বাংলাদেশের শ্রমশক্তিকে উপযুক্ত প্রশিক্ষণ দিয়ে বিদেশে পাঠানো গেলে দেশের অর্থনীতি বহুমাত্রিকভাবে উপকৃত হবে। একজন অদক্ষ শ্রমিকের তুলনায় দক্ষ ও প্রশিক্ষিত কর্মী অধিক বেতন, উন্নত কর্মপরিবেশ এবং দীর্ঘমেয়াদি কর্মসংস্থানের সুযোগ পেতে পারেন। তিনি বলেন, বিদেশে পাঠানোর আগে ভাষা, প্রযুক্তি, কারিগরি দক্ষতা এবং সংশ্লিষ্ট দেশের কর্মসংস্কৃতি সম্পর্কে প্রশিক্ষণ দেওয়া হলে একজন কর্মী শুধু নিজের পরিবার নয়, দেশের বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারবেন। তিনি আরও বলেন, একজন কর্মীকে প্রশিক্ষণ দিতে প্রাথমিকভাবে একবার ব্যয় করতে হয়; কিন্তু সেই দক্ষতা থেকে ব্যক্তি, পরিবার ও রাষ্ট্র বহু বছর উপকৃত হতে পারে। তাই কারিগরি প্রশিক্ষণকে ব্যয় হিসেবে নয়, দীর্ঘমেয়াদি জাতীয় বিনিয়োগ হিসেবে বিবেচনা করতে হবে। রাষ্ট্র পরিচালনায় সততা, দক্ষতা ও যোগ্য নেতৃত্বের গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি বলেন, ভালো নীতি তখনই সফল হয়, যখন তা সৎ, দক্ষ ও যোগ্য ব্যক্তিদের মাধ্যমে বাস্তবায়িত হয়। প্রবাসীদের জানমাল ও বিনিয়োগের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে মুক্তিযুদ্ধ গবেষক ও যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব এম. এ. মালেক খান বলেন, প্রবাসীদের যথাযথ মূল্যায়ন করা হলে এবং তাঁদের জানমাল, পরিবার ও সম্পদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা গেলে তাঁরা দেশে আরও বড় পরিসরে বিনিয়োগে উৎসাহিত হবেন।
তিনি বলেন, একজন প্রবাসী যদি নিশ্চিত হন যে তাঁর বৈধভাবে অর্জিত অর্থ, ব্যাংক আমানত, জমি, ব্যবসা ও বিনিয়োগ নিরাপদ থাকবে, তাহলে তিনি বিদেশে অর্থ রেখে দেওয়ার পরিবর্তে বাংলাদেশে বিনিয়োগ করতে আগ্রহী হবেন।
তিনি আরও বলেন, প্রবাসীদের অর্থনৈতিক নিরাপত্তা শুধু ব্যক্তিগত স্বার্থের বিষয় নয়; এটি কর্মসংস্থান সৃষ্টি, শিল্পায়ন, বৈদেশিক মুদ্রা প্রবাহ এবং দেশের অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার সঙ্গেও সরাসরি জড়িত। তিনি আন্তর্জাতিক রেমিট্যান্স যোদ্ধা সংসদের সদস্য সচিব ও স্পিকার এম. এ. রউফকে একজন দেশপ্রেমিক ও সংগঠক হিসেবে উল্লেখ করে তাঁর সাংগঠনিক ভূমিকার প্রশংসা করেন। ব্যাংক থেকে নিজের টাকা তুলতে না পারার অভিযোগ উদ্বেগজনক সভাপতির বক্তব্যে অ্যাডভোকেট এ. এন. এম. ঈসা বলেন, বিভিন্ন প্রবাসীর কাছ থেকে অভিযোগ পাওয়া গেছে যে কোনো কোনো ক্ষেত্রে তাঁরা ব্যাংকে রাখা নিজেদের অর্থ সময়মতো তুলতে পারছেন না। এ ধরনের অভিযোগ প্রবাসীদের আস্থা নষ্ট করে এবং দেশে বিনিয়োগের আগ্রহ দুর্বল করে। তিনি সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, প্রবাসীদের বৈধ অর্থ, ব্যাংক আমানত, সম্পত্তি ও বিনিয়োগের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে। কোনো প্রবাসী যেন নিজের কষ্টার্জিত অর্থ নিয়ে অনিশ্চয়তার মধ্যে না থাকেন। তিনি বলেন, “প্রবাসীরা যদি তাঁদের অর্থের নিরাপত্তা, বিনিয়োগের নিশ্চয়তা এবং আইনি সুরক্ষা পান, তাহলে তাঁরা ছোটখাটো নয়, বড় আকারের বিনিয়োগও করতে পারবেন। এতে নতুন ব্যবসা, শিল্প, কর্মসংস্থান ও রাজস্ব সৃষ্টি হবে।”
তিনি আরও বলেন, সরকারকে প্রবাসীদের বিনিয়োগে উৎসাহিত করতে তথ্যসেবা, প্রশিক্ষণ, সহজ অনুমোদন, স্বচ্ছ প্রশাসন এবং সহজ শর্তে ঋণের ব্যবস্থা আরও কার্যকর করতে হবে। প্রচলিত প্রবাসী ঋণ বা পুনর্বাসন সুবিধা থাকলেও তা যেন সহজলভ্য, স্বচ্ছ এবং বাস্তব প্রয়োজনের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ হয়। প্রবাসীরা অবহেলিত নয়, জাতীয় অর্থনীতির অংশীদার সভা পরিচালনাকালে এম. এ. রউফ বলেন, প্রবাসীরা দীর্ঘদিন ধরে তাঁদের অবদানের তুলনায় যথেষ্ট মর্যাদা ও সুযোগ পাচ্ছেন না। তিনি বলেন, “আমরা সবসময়ই কোনো না কোনোভাবে বঞ্চিত হয়েছি। আমাদের এখন ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। প্রবাসীদের দাবি কোনো ব্যক্তিগত সুবিধার দাবি নয়; এটি আমাদের ন্যায্য অধিকার এবং দেশের অর্থনীতিকে আরও শক্তিশালী করার দাবি।” তিনি বলেন, বিভক্ত অবস্থায় প্রবাসীদের কণ্ঠ দুর্বল থাকে। কিন্তু যৌক্তিক দাবির প্রশ্নে ঐক্যবদ্ধ হলে সরকার ও নীতিনির্ধারকদের সামনে একটি শক্তিশালী, গঠনমূলক ও জাতীয় স্বার্থভিত্তিক অবস্থান তৈরি করা সম্ভব। কেন ছয় দফা দেশের স্বার্থেই বাস্তবায়ন করা উচিত
সভাপতি অ্যাডভোকেট এ. এন. এম. ঈসা বলেন, আন্তর্জাতিক রেমিট্যান্স যোদ্ধা সংসদের ছয় দফা দাবি কোনো বিশেষ গোষ্ঠীকে অতিরিক্ত সুবিধা দেওয়ার কর্মসূচি নয়। এসব দাবি বাস্তবায়িত হলে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে বাংলাদেশের অর্থনীতি, কর্মসংস্থান, বৈদেশিক মুদ্রা প্রবাহ এবং সামাজিক নিরাপত্তা শক্তিশালী হবে।
১. স্থায়ী পেনশন ব্যবস্থা
দীর্ঘদিন বিদেশে কাজ করে দেশে ফেরা বহু প্রবাসী বার্ধক্যে আর্থিক অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়েন। একটি কার্যকর পেনশন বা অবসরকালীন সামাজিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা থাকলে তাঁরা শেষ জীবনে অসহায় হয়ে পড়বেন না। এটি শুধু মানবিক বিষয় নয়; একটি কার্যকর পেনশন কাঠামো বৈধ পথে রেমিট্যান্স পাঠানো, সঞ্চয় এবং দীর্ঘমেয়াদি আর্থিক পরিকল্পনাকেও উৎসাহিত করতে পারে।
২. বিদেশে কর্মসংস্থানের ব্যয় কমানো
বিদেশ যেতে অতিরিক্ত অর্থ ব্যয় করতে হলে একজন কর্মী ঋণের বোঝা নিয়ে কর্মজীবন শুরু করেন। ফলে প্রথম কয়েক বছর তাঁর আয়ের বড় অংশ ঋণ পরিশোধে চলে যায়।
দালাল ও সিন্ডিকেটনির্ভর ব্যয় কমানো গেলে কর্মীর হাতে বেশি সঞ্চয় থাকবে, তিনি বৈধ পথে বেশি রেমিট্যান্স পাঠাতে পারবেন এবং তাঁর পরিবারও দ্রুত আর্থিকভাবে স্থিতিশীল হতে পারবে।
৩. আধুনিক শিক্ষা ও কারিগরি প্রশিক্ষণ-বিশ্বের শ্রমবাজার দ্রুত পরিবর্তিত হচ্ছে। শুধু শারীরিক শ্রম নয়, প্রযুক্তি, স্বাস্থ্যসেবা, নির্মাণ, প্রকৌশল, পরিবহন, ডিজিটাল সেবা ও বিশেষায়িত কারিগরি দক্ষতার চাহিদা বাড়ছে। বাংলাদেশ দক্ষ জনশক্তি তৈরি করতে পারলে একই সংখ্যক কর্মী বিদেশে গিয়েও অধিক আয় করতে পারবেন। এতে মাথাপিছু রেমিট্যান্স বাড়বে, দেশের ভাবমূর্তি উন্নত হবে এবং বাংলাদেশি কর্মীদের দর-কষাকষির ক্ষমতাও বাড়বে।
৪. প্রবাসীদের পূর্ণ নিরাপত্তা- নিরাপত্তা বলতে শুধু বিদেশে জীবনরক্ষার বিষয় বোঝায় না। এর মধ্যে রয়েছে দেশে থাকা পরিবার, সম্পদ, ব্যাংক আমানত, জমি, ব্যবসা, বিমানবন্দর সেবা, আইনি সহায়তা এবং প্রতারণা থেকে সুরক্ষা। যে প্রবাসী নিজের অর্থ ও সম্পদের নিরাপত্তা নিয়ে সন্দিহান থাকেন, তিনি দেশে বড় বিনিয়োগ করতে সাহস পাবেন না। তাই প্রবাসীদের পূর্ণ নিরাপত্তা নিশ্চিত করা বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ তৈরির অন্যতম পূর্বশর্ত।
৫. প্রবাসী কল্যাণ তহবিল- বিদেশে দুর্ঘটনা, অসুস্থতা, চাকরি হারানো, মৃত্যু কিংবা জরুরি মানবিক পরিস্থিতিতে অনেক পরিবার আকস্মিক বিপর্যয়ের মুখে পড়ে। একটি শক্তিশালী, স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক প্রবাসী কল্যাণ তহবিল থাকলে জরুরি সহায়তা দ্রুত পৌঁছানো সম্ভব হবে। এতে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো ঋণগ্রস্ত বা নিঃস্ব হয়ে পড়া থেকে রক্ষা পেতে পারে।
৬. জাতীয় সংসদ ও সরকারে কার্যকর প্রবাসী প্রতিনিধিত্ব
প্রবাসীদের বাস্তব সমস্যা যারা প্রতিদিন অনুভব করেন, তাঁদের অভিজ্ঞতা যদি নীতিনির্ধারণে সরাসরি না পৌঁছায়, তাহলে অনেক সিদ্ধান্ত কাগজে ভালো হলেও বাস্তবে অকার্যকর হতে পারে। এই কারণেই আন্তর্জাতিক রেমিট্যান্স যোদ্ধা সংসদ জাতীয় সংসদ ও সরকারে কার্যকর প্রবাসী প্রতিনিধিত্বের দাবি জানিয়ে আসছে। এ ধরনের প্রতিনিধিত্ব থাকলে পাসপোর্ট, বিমানবন্দর, বিদেশে কর্মসংস্থান, বিনিয়োগ, ব্যাংকিং, নিরাপত্তা ও পুনর্বাসনের মতো বিষয় সরাসরি নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে তুলে ধরা সম্ভব হবে। ছয় দফা মানা মানে প্রবাসীদের সুবিধা নয়, দেশের বিনিয়োগ বাড়ানো
অ্যাডভোকেট এ. এন. এম. ঈসা বলেন, সরকার যদি প্রবাসীদের নিরাপত্তা, প্রশিক্ষণ, পেনশন, কল্যাণ এবং বিনিয়োগের উপযুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করে, তাহলে এর সুফল শেষ পর্যন্ত বাংলাদেশের অর্থনীতিই পাবে। তিনি বলেন, “একজন প্রবাসীকে নিরাপত্তা দিলে তিনি দেশে টাকা পাঠাবেন। আস্থা দিলে বিনিয়োগ করবেন। প্রশিক্ষণ দিলে বেশি আয় করবেন। বিদেশ যাওয়ার খরচ কমালে বেশি রেমিট্যান্স পাঠাবেন। পেনশন দিলে দেশে ফিরে সম্মানের সঙ্গে জীবনযাপন করবেন। আর প্রতিনিধিত্ব দিলে তাঁদের বাস্তব অভিজ্ঞতা সরাসরি রাষ্ট্র পরিচালনায় কাজে লাগবে। তাই আমাদের ছয় দফা শুধু প্রবাসীদের দাবি নয়, এটি বাংলাদেশের অর্থনৈতিক স্বার্থের দাবি।” সভা থেকে সরকার, বিরোধী দল, সংসদ সদস্য, সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়, ব্যাংকিং প্রতিষ্ঠান ও নীতিনির্ধারকদের প্রতি আহ্বান জানানো হয়—আন্তর্জাতিক রেমিট্যান্স যোদ্ধা সংসদের ছয় দফা দাবি নিয়ে প্রবাসী প্রতিনিধিদের সঙ্গে আনুষ্ঠানিক আলোচনায় বসে বাস্তবায়নের জন্য একটি সময়সীমাভিত্তিক কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করা হোক।
সবশেষে অ্যাডভোকেট এ. এন. এম. ঈসা বলেন, “দেশের স্বার্থ আর প্রবাসীদের স্বার্থ পরস্পরের বিরোধী নয়। প্রবাসীরা শক্তিশালী হলে দেশের অর্থনীতিও শক্তিশালী হবে। তাই দেশের স্বার্থেই প্রবাসী রেমিট্যান্স যোদ্ধাদের ছয় দফা দাবি গুরুত্বের সঙ্গে গ্রহণ করা উচিত।” সভায় উপস্থিত ও আলোচনায় অংশগ্রহণকারী ব্যক্তিবর্গ
১. অ্যাডভোকেট এ. এন. এম. ঈসা — প্রতিষ্ঠাতা ও কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক, আন্তর্জাতিক রেমিট্যান্স যোদ্ধা সংসদ
২. কর্নেল (অব.) অ্যাডভোকেট ইঞ্জিনিয়ার আনোয়ার হোসেন — প্রধান অতিথি
৩. আলহাজ্ব এম. এ. মালেক খান — মুক্তিযুদ্ধ গবেষক ও যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধা; চেয়ারম্যান, বাংলাদেশ বীর মুক্তিযোদ্ধা ফাউন্ডেশন
৪. এম. এ. রউফ — সদস্য সচিব, উদ্যোক্তা, সংগঠক ও স্পিকার, আন্তর্জাতিক রেমিট্যান্স যোদ্ধা সংসদ
৫. প্রফেসর ড. সাইফুল আলম চৌধুরী — সভাপতি, জিয়া পরিষদ যুক্তরাজ্য শাখা; সভাপতি, বহির্বিশ্ব জাতীয়তাবাদী ফোরাম, কুলাউড়া
৬. ড. মালেক ফরাজী — বিশেষ অতিথি
৭. ডা. মোস্তাফিজুর রহমান ইরান — বিশেষ অতিথি
৮. কর্নেল আলী — বিশেষ অতিথি, বাংলাদেশ
৯. মেজর ইমরান মিয়া — বিশেষ অতিথি
১০. মোসাদ্দিক মিয়া মানিক — বিশেষ অতিথি
১১. কর্নেল ফেরদৌস আজিজ — বিশেষ অতিথি
১২. লায়ন শাহিদা পারভীন রতনা
১৩. নাসরিন আক্তার তরফদার রউফ
১৪. রেয়াজ আবু সাঈদ
১৫. মির্জা সুমন
১৬. এস. এম. আঃ সাত্তার
১৭. হাকিকূল ইসলাম খোকন — সিনিয়র সাংবাদিক
১৮. সৈয়দ খালিদ মিয়া অলিদ
১৯. আলহাজ্ব ড. শরীফ সাকি
২০. মোহাম্মদ হারুনুর রশিদ
২১. মো. আব্দুল ওয়াহাব রিংকো — সভাপতি, গাজীপুর সেন্ট্রাল প্রেস ক্লাব; সম্পাদক ও প্রকাশক, দৈনিক শব্দ দেশ
২২. ইসমাইল খান
২৩. হেলাল উদ্দীন
২৪. হেলাল খান
২৫. মোহাম্মদ ফজলুল করিম শেখ
২৬. মোহাম্মদ ফজলুল হক
২৭. অ্যাডভোকেট তাজুল ইসলাম
২৮. অ্যাডভোকেট মীর সিরাজ
২৯. জালাল উদ্দীন — ফ্রান্স
৩০. ইসমাইল মিয়া
৩১. মোস্তাফিজুর রহমান রিপন
প্রকাশক:
অ্যাডভোকেট এ. এন. এম. ঈসা
প্রতিষ্ঠাতা ও কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক
আন্তর্জাতিক রেমিট্যান্স যোদ্ধা সংসদ
এম. এ. রউফ (কাতার)
সদস্য সচিব, উদ্যোক্তা, সংগঠক ও স্পিকার
আন্তর্জাতিক রেমিট্যান্স যোদ্ধা সংসদ