অফিসিয়াল জরুরি সভার নোটিশঃ
অফিসিয়াল জরুরি সভার নোটিশঃ
বিষয়: প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের পরিচালনা ও নীতিনির্ধারণে প্রবাসী রেমিট্যান্স যোদ্ধাদের কার্যকর অংশগ্রহণ ও নেতৃত্বের সুযোগ নিশ্চিত করার দাবিতে জরুরি ভার্চুয়াল আলোচনা সভা। আন্তর্জাতিক রেমিট্যান্স যোদ্ধা সংসদের উদ্যোগে আজ রাত ৯টায় (বাংলাদেশ সময়) একটি জরুরি ভার্চুয়াল আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়েছে। সুধী, আসসালামু আলাইকুম। আশা করি, আপনারা সবাই ভালো আছেন। প্রবাসী রেমিট্যান্স যোদ্ধাদের দীর্ঘদিনের বাস্তব অভিজ্ঞতা, সমস্যা, অধিকার ও কল্যাণের বিষয়গুলো তুলে ধরা এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রম নিয়ে মতবিনিময়ের লক্ষ্যে এ সভার আয়োজন করা হয়েছে। উক্ত সভায় সংশ্লিষ্ট সবাইকে যথাসময়ে ভার্চুয়ালি সংযুক্ত থাকার জন্য আন্তরিক আমন্ত্রণ জানানো যাচ্ছে। সভায় উপস্থিত থাকবেন সভাপতি: অ্যাডভোকেট এ এন এম ঈসা, লন্ডন।প্রধান অতিথি: জে কে জাপর উল্লা, আমেরিকা। প্রধান বক্তা: ফারুক আহমেদ চৌধুরী, যুক্তরাজ্য। প্রধান গবেষক: মোসাদ্দেক মিয়া মানিক, লন্ডন। উদ্বোধনী বক্তব্য: আলহাজ্ব ডক্টর শরিফ সাকি, বাংলাদেশ; মোহাম্মদ আব্দুল ওয়াহাব রিংকু, বাংলাদেশ। বিশেষ অতিথি: জালাল উদ্দীন, ফ্রান্স; বীর মুক্তিযোদ্ধা মুজিবুর রহমান, ফ্রান্স; মোহাম্মদ হোসেন আহমেদ ইনসাফ, লন্ডন। সভা পরিচালনায়: এম এ রউফ, দেশপ্রেমিক, আন্তর্জাতিক রেমিট্যান্স যোদ্ধা সংসদের প্রতিষ্ঠাতা উদ্যোক্তা সংগঠক ও সদস্যসচিব।
আলোচনার মূল বিষয় ১. প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রম, সীমাবদ্ধতা ও প্রবাসীদের প্রত্যাশা। ২. মন্ত্রণালয়ের পরিচালনা ও নীতিনির্ধারণে অভিজ্ঞ প্রবাসী রেমিট্যান্স যোদ্ধাদের কার্যকর অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা। ৩. মন্ত্রণালয়ের গুরুত্বপূর্ণ বোর্ড, কমিটি ও সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়ায় যোগ্য প্রবাসীদের অন্তর্ভুক্তি এবং নেতৃত্বের সুযোগ সৃষ্টি। ৪. বিমানবন্দর ও দূতাবাসে প্রবাসীদের হয়রানি, কর্মসংস্থানসংক্রান্ত জটিলতা এবং বিদেশে কর্মরত শ্রমিকদের বাস্তব সমস্যার সমাধান। ৫. প্রবাসীদের অধিকার সংরক্ষণ, জবাবদিহিতা বৃদ্ধি এবং মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রমে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার উপায়। ৬. প্রবাসী রেমিট্যান্স যোদ্ধাদের মেধা, অভিজ্ঞতা ও দক্ষতাকে দেশের উন্নয়ন এবং প্রবাসীদের কল্যাণে কার্যকরভাবে কাজে লাগানো। আয়োজকের বক্তব্যঃ আন্তর্জাতিক রেমিট্যান্স যোদ্ধা সংসদের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, সরকারের প্রশাসনিক ও ব্যবস্থাপনাগত সীমাবদ্ধতা থাকতে পারে। তবে সরকারের সদিচ্ছা, ন্যায়বিচার এবং জনগণের কল্যাণের প্রত্যাশা নিয়েই দেশের মানুষ এগিয়ে যেতে চায়। প্রবাসীরা শুধু বৈদেশিক মুদ্রা পাঠানোর মাধ্যম নন; তাঁরা দেশের অর্থনীতির অন্যতম চালিকাশক্তি। দেশের অর্থনীতিতে তাঁদের গুরুত্বপূর্ণ অবদান থাকলেও নিজেদের স্বার্থসংশ্লিষ্ট নীতিনির্ধারণ ও সিদ্ধান্ত গ্রহণে তাঁদের অভিজ্ঞতা ও মতামত যথাযথভাবে প্রতিফলিত হচ্ছে কি না, তা গুরুত্বের সঙ্গে পর্যালোচনা করা প্রয়োজন। প্রবাসীদের বাস্তব অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে প্রবাসীবান্ধব নীতিমালা প্রণয়ন, সেবার মান উন্নয়ন এবং জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা সময়ের দাবি। দার্শনিক দেশবন্ধু অ্যাডভোকেট এ এন এম ঈসার বক্তব্যের মূল প্রতিপাদ্য হলো—প্রবাসী রেমিট্যান্স যোদ্ধাদের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতা, পুঞ্জীভূত ক্ষোভ ও ন্যায্য অধিকারকে গুরুত্ব দিয়ে তাঁদের সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়ায় কার্যকর অংশগ্রহণের সুযোগ দিতে হবে। আমাদের প্রত্যাশা প্রবাসী রেমিট্যান্স যোদ্ধাদের শুধু রেমিট্যান্স প্রেরণকারী হিসেবে নয়, বরং দেশের উন্নয়ন, অর্থনৈতিক অগ্রগতি ও নীতিনির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার হিসেবে বিবেচনা করতে হবে। মন্ত্রণালয়ের নীতিনির্ধারণে যোগ্য ও অভিজ্ঞ প্রবাসীদের অংশগ্রহণের সুযোগ সৃষ্টি করা হলে প্রবাসীদের আস্থা বৃদ্ধি পাবে, বাস্তব সমস্যার কার্যকর সমাধান সহজ হবে এবং প্রবাসী কল্যাণমূলক কার্যক্রম আরও গতিশীল হতে পারে। আমরা বিশ্বাস করি, পারস্পরিক আলোচনা, সহযোগিতা, ন্যায়বিচার ও সদিচ্ছার মাধ্যমে প্রবাসীদের ন্যায্য দাবিগুলো বাস্তবায়নের পথ তৈরি করা সম্ভব। প্রবাসীদের অধিকার প্রতিষ্ঠা, মর্যাদা রক্ষা এবং দেশের সার্বিক কল্যাণে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানানো হচ্ছে।
বিনীত,
এম এ রউফ
দেশপ্রেমিক
প্রতিষ্ঠাতা উদ্যোক্তা সংগঠক ও সদস্যসচিব
আন্তর্জাতিক রেমিট্যান্স যোদ্ধা সংসদ ই-মেইল: roufnasrin@gmail.com যোগাযোগ: 09746695835 স্লোগান: বিভাজন নয়, ঐক্য চাই।