প্রেস বিজ্ঞপ্তিঃ

প্রেস বিজ্ঞপ্তিঃ

Jul 7, 2026

প্রেস বিজ্ঞপ্তি

দেশপ্রেম, নাগরিকের অধিকার ও জাতীয় দায়িত্ব: একটি ভারসাম্যপূর্ণ দৃষ্টিভঙ্গির আহ্বান দেশপ্রেমের প্রকৃত চেতনা, নাগরিকের মৌলিক অধিকার এবং জাতীয় দায়িত্ব নিয়ে আজ এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় বক্তারা বলেন, একজন প্রকৃত দেশপ্রেমিক কখনো ব্যক্তিগত ক্ষুদ্র স্বার্থকে জাতীয় স্বার্থের ঊর্ধ্বে স্থান দেন না। তিনি দেশের স্বাধীনতা, মানুষের অধিকার, ন্যায়বিচার, সুশাসন এবং সামাজিক উন্নয়নের জন্য নিষ্ঠা ও সততার সঙ্গে কাজ করেন। আলোচনায় দেশপ্রেমের কয়েকটি মৌলিক নীতি তুলে ধরা হয়: রংধনু নারী ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান লায়ন শাহিদা পারভীন রতনা আন্তর্জাতিক ও প্রধান উপদেষ্টা নাসরিন আক্তার তরফদার রউফ তারা বলেছেন দেশের স্বার্থকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া। ব্যক্তিগত লাভ বা প্রতিদানের প্রত্যাশা ছাড়াই দেশের কল্যাণে কাজ করা। অন্যায়, দুর্নীতি ও বৈষম্যের বিরুদ্ধে সাহসিকতার সঙ্গে অবস্থান নেওয়া। সততা, দায়িত্ববোধ এবং আইন মেনে নিজের কর্তব্য পালন করা। দেশের মর্যাদা, ঐক্য ও মানবিক মূল্যবোধ রক্ষায় সক্রিয় ভূমিকা রাখা। সভায় অ্যাডভোকেট এ.এন.এম. ঈসা’র দার্শনিক দৃষ্টিভঙ্গিও উপস্থাপন করা হয়। এতে বলা হয়, একজন নাগরিককে প্রথমে নিজের জীবন, নিরাপত্তা এবং মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করতে হবে। এরপর ব্যক্তি তার জ্ঞান, শ্রম, সময় ও সামর্থ্যের বৃহত্তর অংশ দেশের এবং  দশের কল্যাণে উৎসর্গ করবেন। এই ধারণাকে প্রতীকীভাবে ৫১:৪৯ অনুপাত দিয়ে ব্যাখ্যা করা হয়, যেখানে ৫১ শতাংশ গুরুত্ব জাতীয় স্বার্থকে এবং ৪৯ শতাংশ গুরুত্ব ব্যক্তিগত স্বার্থকে দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। বক্তারা উল্লেখ করেন, এটি কোনো আইনগত বা বাধ্যতামূলক নীতি নয়; বরং ব্যক্তি ও রাষ্ট্রের স্বার্থের মধ্যে একটি নৈতিক ভারসাম্যের দার্শনিক ধারণা। রংধনু নারী ফাউন্ডেশনের প্রধান আন্তর্জাতিক উপদেষ্টা নাসরিন আক্তার তরফদার রউফ ও রংধনু নারী ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান লায়ন শাহিদা পারভীন রতনা রংধনু নারী ফাউন্ডেশনের সংসদ পরিবার ও রেমিট্যান্স যোদ্ধা সংসদ পরিবার আন্তর্জাতিক তারা বলেছেন। দেশপ্রেমিক নিজের ক্ষুদ্র স্বার্থের জন্য লড়াই করেন না। তিনি দেশের স্বাধীনতা, মানুষের অধিকার এবং সমাজের উন্নতির জন্য নিঃস্বার্থভাবে কাজ করেন।এখানে দেশপ্রেমের মূল ভাবনাগুলো হলো:দেশের স্বার্থ সবার আগে: দেশপ্রেমিকের কাছে নিজের লাভ বা ক্ষমতার চেয়ে দেশের কল্যাণ অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ। নিঃস্বার্থ ভালোবাসা: তারা কোনো পুরস্কার বা প্রতিদান আশা না করেই দেশের মঙ্গলের জন্য কাজ করেন।অন্যায়ের প্রতিবাদ: দেশের ক্ষতি হয় এমন যেকোনো অন্যায় বা দুর্নীতির বিরুদ্ধে তারা সাহসের সাথে লড়াই করেন।দায়িত্ব পালন: শুধু বড় লড়াই নয়, নিজের কাজ সততার সাথে করা এবং দেশকে ভালোবাসা হলো আসল দেশপ্রেম।সংক্ষেপে, দেশপ্রেমিক নিজের কথা ভুলে গিয়ে পুরো দেশের মানুষের কথা ভাবেন। দেশের সেবা করা ও দেশের সম্মান রক্ষা করাই তাদের একমাত্র লক্ষ্য। এম. এ. রউফ, সদস্য সচিব বলেন, শক্তিশালী রাষ্ট্র গড়তে শুধু আবেগ নয়, প্রয়োজন সুশাসন, জবাবদিহিতা, মানবিক মূল্যবোধ এবং সচেতন নাগরিক অংশগ্রহণ। প্রকৃত দেশপ্রেমের পরিচয় হলো দেশের মানুষের কল্যাণ, ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি উন্নত রাষ্ট্র গড়ে তোলার নিরন্তর প্রচেষ্টা।

যোগাযোগ:

অ্যাডভোকেট এ.এন.এম. ঈসাপ্রতিষ্ঠাতা ও আহ্বায়কDesh Bondhu remittance warriors parliament desh.bondhu@hotmail.com

এম. এ. রউফসদস্য সচিবEmail: Roufnasrin@gmail.comমোবাইল: +974 6695 8035
লায়ন আঃ কাদির জিলানী
প্রচার সম্পাদক রিমন হোসেন সৌদি আরব
রেমিট্যান্স যোদ্ধা সংসদ সদস্য পরিবার
মোহাম্মদ আঃ ওয়াহাব
আলহাজ্ব ডঃ শরিফ সাকি

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *