তরুণদের নিয়ে ‘স্মার্ট ওয়ার্ড’ গড়ার প্রত্যয়: কাউন্সিলর প্রার্থী এস আই টুটুল
অফিস ডেস্ক :
ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনের প্রাক্কালে উত্তরা অঞ্চলে আলোচনায় রয়েছেন এস আই টুটুল। তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর রাজনীতির সঙ্গে দীর্ঘদিন সম্পৃক্ত এবং বর্তমানে উত্তরা পূর্ব থানা বিএনপি-এর যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। আসন্ন নির্বাচনে তিনি কাউন্সিলর পদে প্রার্থী হয়েছেন।
আমাদের প্রতিবেদকের সঙ্গে আলাপকালে এস আই টুটুল বলেন, ছাত্রদল থেকে তার রাজনৈতিক পথচলা শুরু। দলীয় কর্মসূচির পাশাপাশি উত্তরা এলাকায় বিভিন্ন সামাজিক ও মানবিক কার্যক্রমে তিনি সক্রিয় রয়েছেন। তিনি বিশ্বাস করেন, কাউন্সিলর হিসেবে নির্বাচিত হলে ওয়ার্ডের নাগরিক সমস্যাগুলো পরিকল্পিতভাবে সমাধান করা সম্ভব।
উত্তরা পূর্ব থানা বিএনপির এক আহ্বায়ক সদস্য বলেন, “এস আই টুটুল রাজপথের পরীক্ষিত নেতা। আন্দোলন-সংগ্রামের পাশাপাশি তিনি সবসময় সাধারণ মানুষের পাশে থেকেছেন। কাউন্সিলর হিসেবে তিনি জনগণের সেবা করার সুযোগ পাবেন বলে আমরা বিশ্বাস করি।”
এস আই টুটুল জানান, উত্তরা পূর্ব থানার অন্তর্ভুক্ত ওয়ার্ডগুলো পরিকল্পিত আবাসিক এলাকা হলেও এখানে জলাবদ্ধতা, যানজট, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, কিশোর গ্যাং ও মাদকের সমস্যা প্রকট। সেক্টরভিত্তিক নাগরিক সুবিধার তারতম্যও একটি বড় ইস্যু। এসব সমস্যা সমাধানে তিনি কয়েকটি অগ্রাধিকারভিত্তিক পরিকল্পনা তুলে ধরেন—
স্মার্ট ড্রেনেজ: বর্ষার আগেই ড্রেন ও খাল সংস্কার করে জলাবদ্ধতা নিরসন
বর্জ্য ব্যবস্থাপনা: প্রতিটি সেক্টরে রাতের বেলা বর্জ্য অপসারণ ও সেকেন্ডারি ট্রান্সফার স্টেশন স্থাপন
নিরাপদ নগর: কিশোর গ্যাং ও মাদক নির্মূলে সামাজিক আন্দোলন, গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে সিসি ক্যামেরা ও পর্যাপ্ত স্ট্রিট লাইট
যানজট নিরসন: অবৈধ পার্কিং উচ্ছেদ ও স্কুল-কলেজ ছুটির সময় ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা জোরদার
ওয়ান-স্টপ সার্ভিস: কাউন্সিলর কার্যালয়ে জন্ম-মৃত্যু সনদ, ট্রেড লাইসেন্স ও হোল্ডিং ট্যাক্স সেবা দ্রুত নিশ্চিতকরণ
তরুণদের জন্য উদ্যোগ: মাঠ ও পার্ক উদ্ধার, সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড জোরদার
তিনি বলেন, “আমি দলের একজন নিবেদিত কর্মী। দল যে সিদ্ধান্ত দেবে তা মেনে নেব। তবে এই ওয়ার্ডের সন্তান হিসেবে মানুষের সুখে-দুঃখে পাশে থাকাই আমার রাজনীতি। আমার লড়াই কোনো দলের বিরুদ্ধে নয়, ওয়ার্ডের সমস্যার বিরুদ্ধে।”