বাংলাদেশি-আমেরিকান বংশোদ্ভূত প্রার্থীদের কে জিতেছেন, কে হারলেন
হাকিকুল ইসলাম খোকন,এমডি নাসির,হেলাল মাহমুদ,আরিফুর রহমান আরিফ,বাপসনিউজঃ
যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে গত মংগলবার,৩ নভেম্বর ২০২৬,অনুষ্ঠিত জর্জিয়ার স্টেট সিনেটের ৫ নম্বর ডিস্ট্রিক্টে পুনর্নির্বাচিত হয়েছেন বাংলাদেশি-আমেরিকান বংশোদ্ভূত ডেমোক্র্যাট শেখ রহমান চন্দন ।সাধারণ নির্বাচনে তাঁর বিপক্ষে কোনো প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন না। অন্যদিকে, কানেকটিকাটের স্টেট সিনেটর মাসুদুর রহমান এবং নিউ হ্যাম্পশায়ারের স্টেট রিপ্রেজেন্টেটিভ আবুল খানের আসনে এ প্রতিবেদন হালনাগাদ করা পর্যন্ত জয়-পরাজয়ের নির্ভরযোগ্য ঘোষণা পাওয়া যায়নি। তবে ফলাফলে তারা এগিয়ে রয়েছেন। খবর আইবিএননিউজ ও বাপসনিউজ ।শেখ রহমান চন্দন এর আগে গত ১৯ মে ২০২৬ ডেমোক্র্যাটিক প্রাইমারিতে রবিন ম্যাককয়কে পরাজিত করেন। তিনি পান ৬ হাজার ১৮৮ ভোট, ম্যাককয় পান ৫ হাজার ১৬৬ ভোট। প্রাইমারিতে শেখ রহমান চন্দ ভোটের হার ছিল ৫৪ দশমিক ৫ শতাংশ। নভেম্বরের সাধারণ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বী না থাকায় আসনটি ধরে রেখেছেন তিনি। এখানে উল্লেখ্য, শেখ রহমান চন্দন এর আগে পরপর তিনবার সিনেটর নির্বাচিত হয়েছেন। এটি তার চতুর্থবার বিজয়। কানেকটিকাটের স্টেট সিনেটের ৪ নম্বর ডিস্ট্রিক্টে পুনর্নির্বাচনের জন্য প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন মাসুদুর রহমান। ডেমোক্র্যাটিক ও ওয়ার্কিং ফ্যামিলিজ পার্টির প্রার্থী হিসেবে তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী রিপাবলিকান জেন জেনিংস। ফলাফলের সর্বশেষ যাচাইয়ে এই আসনে বিজয়ীর নাম নিশ্চিত করা যায়নি। ফলে তাঁকে এখনই জয়ী বা পরাজিত বলা যাচ্ছে না। তবে প্রাপ্ত ভোটে তিনি এগিয়ে রয়েছেন। নিউ হ্যাম্পশায়ারের প্রতিনিধি পরিষদের রকিংহাম-৩০ ডিস্ট্রিক্টে পুনর্নির্বাচনের প্রার্থী রিপাবলিকান আবুল খান। দুই সদস্য নির্বাচনের এই আসনে অন্য দুই প্রার্থী রিপাবলিকান জেসন জ্যানভ্রিন এবং ডেমোক্র্যাট ডায়ানা ল্যাব্রেক চ্যাপম্যান। দলীয় প্রাইমারিতে মনোনয়ন নিশ্চিত করলেও সাধারণ নির্বাচনে আবুল খানের জয়-পরাজয় এ প্রতিবেদন হালনাগাদ করা পর্যন্ত নিশ্চিত হওয়া যায়নি। এদিকে, বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত কয়েকজন প্রার্থীর নির্বাচনী লড়াই আগেই দলীয় মনোনয়নপর্বে শেষ হয়েছে। জর্জিয়ার সাবেক স্টেট সিনেটর নাবিলা ইসলাম পার্কস এবার লেফটেন্যান্ট গভর্নর পদে ডেমোক্র্যাটিক মনোনয়ন চেয়েছিলেন। গত ১৬ জুনের প্রাইমারি রানঅফে তিনি জশ ম্যাকলরিনের কাছে পরাজিত হন। নাবিলা পান ১ লাখ ৭৩ হাজার ৩৭০ ভোট বা ৪৫ দশমিক ১ শতাংশ। ম্যাকলরিন পান ২ লাখ ১০ হাজার ৮৪২ ভোট বা ৫৪ দশমিক ৯ শতাংশ। এটি দলীয় মনোনয়ন নির্বাচনের ফল, ৩ নভেম্বরের সাধারণ নির্বাচনের নয়। নিউইয়র্ক স্টেট অ্যাসেম্বলির ৩০ নম্বর ডিস্ট্রিক্টে ডেমোক্র্যাটিক প্রাইমারিতে মাত্র সাত ভোটে পিছিয়ে পড়েন শামসুল হক। গত ২৩ জুনের ভোটের পর পুনর্গণনায় প্যাট্রিক মার্টিনেজ পান ২ হাজার ৭৮৪ ভোট এবং শামসুল হক পান ২ হাজার ৭৭৭ ভোট। এর ফলে ডেমোক্র্যাটিক মনোনয়ন পান মার্টিনেজ। অ্যাসেম্বলির ৩৬ নম্বর ডিস্ট্রিক্টে ডেমোক্র্যাটিক প্রাইমারিতে মেরি জোবাইদা পান ২ হাজার ৪৫ ভোট বা ১৭ দশমিক ১ শতাংশ। সেখানে ৯ হাজার ৩৮৬ ভোট পেয়ে মনোনয়ন পান ডায়ানা মোরেনো। অ্যাসেম্বলির ৩৭ নম্বর ডিস্ট্রিক্টে একই দলের প্রাইমারিতে পিয়া রহমান পান ১ হাজার ৯০৪ ভোট বা ১৫ দশমিক ৯ শতাংশ। ওই আসনে ৮ হাজার ৩১ ভোট বা ৬৬ দশমিক ৯ শতাংশ ভোট পেয়ে ডেমোক্র্যাটিক মনোনয়ন পান সামান্থা ক্যাটান।