ইয়া নাফসি, ইয়া নাফসি’—পরকালীন জবাবদিহি ও আত্মশুদ্ধির আহ্বানে মতবিনিময় সভা
আন্তর্জাতিক ডেস্ক:
‘ইয়া নাফসি, ইয়া নাফসি’—অর্থাৎ ‘হায়, আমার নিজের কী হবে?’ এই বিষয়কে কেন্দ্র করে আজ এক মতবিনিময় সভার আয়োজন করা হয়েছে। সভায় ইসলামের আলোকে কিয়ামতের দিনের ভয়াবহতা, পরকালীন জবাবদিহি, আত্মশুদ্ধি ও মানবিক দায়িত্ববোধ নিয়ে আলোচনা করা হবে।
সভায় সভাপতিত্ব করবেন অ্যাডভোকেট এ. এন. এম. ঈসা। প্রধান অতিথি হিসেবে থাকবেন বীর মুক্তিযোদ্ধা মুজিবুর রহমান। প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য দেবেন জালাল উদ্দীন, ফ্রান্স। উদ্বোধনী বক্তব্য দেবেন মোহাম্মদ আবদুর ওয়াহাব রিংকু, বাংলাদেশ। বিশেষ অতিথি হিসেবে থাকবেন ফারুক আহমেদ চৌধুরী, যুক্তরাজ্য। সভায় আরও উপস্থিত থাকবেন সহযোদ্ধা এম এ রউফ এবং সদস্য মুস্তাদিক মিয়া মানিক, লন্ডন। আলোচনার বিষয়: ‘ইয়া নাফসি, ইয়া নাফসি’
আরবি ‘ইয়া’ শব্দের অর্থ ‘হে’ এবং ‘নাফসি’ অর্থ ‘আমার আত্মা’ বা ‘আমি নিজে’। সম্মিলিতভাবে ‘ইয়া নাফসি’ কথাটির ভাবার্থ হলো—‘হায়, আমার নিজের কী হবে!’ ইসলামি বিশ্বাস অনুযায়ী, কিয়ামতের দিন হাশরের ময়দানে প্রত্যেক মানুষ নিজের কর্মের হিসাব ও পরিণতি নিয়ে উদ্বিগ্ন থাকবে। সেদিন মানুষ আল্লাহর রহমত ও মুক্তির প্রত্যাশায় থাকবে। ইসলামের বিভিন্ন হাদিসে কিয়ামতের দিনের কঠিন পরিস্থিতি এবং নবী-রাসুলদের সুপারিশের বিষয়টি বর্ণিত হয়েছে। ইসলামি বর্ণনা অনুযায়ী, মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.) সেদিন তাঁর উম্মতের জন্য সুপারিশ করবেন। মুসলমানদের কাছে এটি আল্লাহর রহমত ও মহানবী (সা.)-এর উম্মতের প্রতি ভালোবাসার এক গুরুত্বপূর্ণ নিদর্শন। আত্মশুদ্ধি ও মানবকল্যাণের বার্তা আলোচনায় মানুষের জীবনের উদ্দেশ্য, নৈতিকতা, সততা, পরকালীন জবাবদিহি এবং মানবকল্যাণে আত্মনিয়োগের গুরুত্ব তুলে ধরা হবে। প্রত্যেক মানুষকে নিজের কাজের হিসাব দেওয়ার কথা স্মরণ রেখে অন্যায় থেকে বিরত থাকা, মানুষের অধিকার রক্ষা করা এবং সত্য ও ন্যায়ের পথে চলার আহ্বান জানানো হবে। এম এ রউফ বলেন, “আমি এম এ রউফ, আপনাদের সবার সহযোদ্ধা ভাই। আসুন, আমরা আত্মজিজ্ঞাসা, নৈতিকতা, পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও মানবকল্যাণের চেতনায় ঐক্যবদ্ধ হই। নিজেদের সংশোধনের পাশাপাশি পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রের কল্যাণে কাজ করি।”