প্রবাসীদের স্ত্রী-কন্যাদের মর্যাদা রক্ষায় কার্যকর পদক্ষেপের দাবি আন্তর্জাতিক রেমিট্যান্স যোদ্ধা সংসদের

প্রবাসীদের স্ত্রী-কন্যাদের মর্যাদা রক্ষায় কার্যকর পদক্ষেপের দাবি আন্তর্জাতিক রেমিট্যান্স যোদ্ধা সংসদের

Oct 17, 2026

যুক্তরাজ্য, ১৬ অক্টোবর ২০২৬:

প্রবাসী বাংলাদেশিদের পাঠানো রেমিট্যান্স দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে এবং তাঁদের যথাযথ সম্মান দেওয়া উচিত—মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের এমন বক্তব্যকে স্বাগত জানিয়েছে আন্তর্জাতিক রেমিট্যান্স যোদ্ধা সংসদ। একই সঙ্গে প্রবাসী রেমিট্যান্স যোদ্ধাদের স্ত্রী, কন্যা ও পরিবারের নারী সদস্যদের সম্পর্কে অশালীন, অপমানজনক ও মর্যাদাহানিকর বক্তব্য দেওয়ার অভিযোগের বিষয়ে সরকারের দৃশ্যমান ও কার্যকর পদক্ষেপ দাবি করেছে সংগঠনটি। ১৬ অক্টোবর ২০২৬ তারিখে দেওয়া এক যৌথ বিবৃতিতে সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা ও আহ্বায়ক দার্শনিক দেশবন্ধু অ্যাডভোকেট এ এন এম ঈসা এবং প্রতিষ্ঠাতা সদস্যসচিব এম এ রউফ এ দাবি জানান। বিবৃতিতে তাঁরা বলেন, প্রবাসীদের অর্থনৈতিক অবদানের স্বীকৃতি দেওয়া যেমন জরুরি, তেমনি তাঁদের পরিবারের সম্মান, নিরাপত্তা ও আইনগত অধিকার রক্ষা করাও রাষ্ট্রের দায়িত্ব। প্রবাসীদের স্ত্রী-কন্যাদের সম্পর্কে অশালীন ও যৌন ইঙ্গিতপূর্ণ বক্তব্যের অভিযোগকে হালকাভাবে দেখার সুযোগ নেই। এ ধরনের অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত এবং আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।

শুধু প্রশংসা নয়, পরিবারের মর্যাদার সুরক্ষাও চাইঃ অ্যাডভোকেট এ এন এম ঈসা বলেন, প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্স বাংলাদেশের অর্থনীতির গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি। তাঁরা পরিবার থেকে দূরে থেকে বিদেশের মাটিতে কঠোর পরিশ্রম করে দেশের উন্নয়নে অবদান রাখেন। তাই তাঁদের অবদানের স্বীকৃতি দেওয়ার পাশাপাশি তাঁদের স্ত্রী, কন্যা, মা ও পরিবারের অন্যান্য সদস্যের সম্মান ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করাও রাষ্ট্রের দায়িত্ব। তিনি বলেন, প্রবাসীদের অবদানের প্রশংসা শুনে তাঁরা আনন্দিত হন। কিন্তু তাঁদের পরিবারের নারী সদস্যদের সম্পর্কে অবমাননাকর বক্তব্য দেওয়ার অভিযোগ উঠলে সরকারের পক্ষ থেকে সুস্পষ্ট অবস্থান ও কার্যকর পদক্ষেপ প্রত্যাশা করেন। তিনি আরও বলেন, বিষয়টি কোনো সাধারণ রাজনৈতিক বিতর্ক নয়; এটি নারীর মর্যাদা, প্রবাসীদের পারিবারিক সম্মান এবং আইনের শাসনের সঙ্গে সম্পর্কিত একটি গুরুত্বপূর্ণ সামাজিক প্রশ্ন।

সরকারের প্রতি পাঁচ দফা দাবিঃ আন্তর্জাতিক রেমিট্যান্স যোদ্ধা সংসদ সরকারের কাছে পাঁচটি দাবি জানিয়েছে। প্রথমত, প্রবাসীদের স্ত্রী-কন্যাদের সম্পর্কে অশালীন ও মর্যাদাহানিকর বক্তব্যের অভিযোগের বিষয়ে সরকারের সুস্পষ্ট অবস্থান জনসমক্ষে প্রকাশ করতে হবে। দ্বিতীয়ত, বক্তব্যের মূল রেকর্ড ও প্রাসঙ্গিক সাক্ষ্যপ্রমাণ যাচাই করে নিরপেক্ষ তদন্ত নিশ্চিত করতে হবে এবং অভিযোগের সত্যতা ও প্রযোজ্য আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে। তৃতীয়ত, নারীদের বিরুদ্ধে গুরুতর যৌন অবমাননা, হয়রানি ও মর্যাদাহানিকর আচরণের প্রতিকারসংক্রান্ত বিদ্যমান আইন পর্যালোচনা করতে হবে। প্রয়োজন হলে আইন বিশেষজ্ঞ ও নারী অধিকার সংগঠনের সঙ্গে আলোচনা করে আইন সংস্কারের উদ্যোগ নিতে হবে। চতুর্থত, বিদেশে অবস্থানরত ক্ষতিগ্রস্ত বাংলাদেশিদের অভিযোগ ও সাক্ষ্য গ্রহণের জন্য সহজ, স্বচ্ছ ও কার্যকর ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করতে হবে। পঞ্চমত, প্রবাসীদের পরিবারসহ বাংলাদেশের সব নারীর সম্মান, নিরাপত্তা ও আইনগত সুরক্ষা নিশ্চিত করতে জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম জোরদার করতে হবে।

আইন সংস্কার ও দৃষ্টান্তমূলক বিচারের আহ্বানঃ অ্যাডভোকেট এ এন এম ঈসা বলেন, কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে যুক্তিসংগত সমালোচনা কিংবা আইনসম্মত মতপ্রকাশকে অপরাধ হিসেবে বিবেচনা করা উচিত নয়। তবে মতপ্রকাশের স্বাধীনতার আড়ালে যৌন হয়রানি, বিশ্বাসযোগ্য হুমকি কিংবা আইনত দণ্ডনীয় মর্যাদাহানিকর আচরণকে প্রশ্রয় দেওয়াও গ্রহণযোগ্য নয়। তিনি বলেন, প্রচলিত আইনে পর্যাপ্ত প্রতিকার নিশ্চিত করা সম্ভব কি না, তা আইন বিশেষজ্ঞদের মাধ্যমে পর্যালোচনা করা প্রয়োজন। প্রয়োজন হলে অপরাধের প্রকৃতি ও গুরুতরতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ কার্যকর শাস্তির বিধান নিশ্চিত করতে হবে। তিনি আরও বলেন, তাঁদের দাবি কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে প্রতিহিংসামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ নয়। তাঁরা চান নিরপেক্ষ তদন্ত, নির্ভরযোগ্য সাক্ষ্যপ্রমাণ এবং আদালতের ন্যায়সংগত বিচারের মাধ্যমে অভিযোগের নিষ্পত্তি হোক। অভিযোগ প্রমাণিত হলে প্রচলিত আইন অনুযায়ী দৃষ্টান্তমূলক বিচার নিশ্চিত করতে হবে।

প্রবাসীদের ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বানঃ সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা সদস্যসচিব এম এ রউফ বলেন, বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশিরা তাঁদের স্ত্রী-কন্যা ও পরিবারের নারী সদস্যদের নিয়ে এ ধরনের বক্তব্যের অভিযোগে মর্মাহত। প্রবাসীদের পারস্পরিক বিভেদ দূর করে সম্মিলিতভাবে নিজেদের অধিকার ও মর্যাদা রক্ষায় কাজ করতে হবে। তিনি বলেন, প্রবাসীদের অধিকার রক্ষার আন্দোলন হতে হবে সুপরিকল্পিত, শান্তিপূর্ণ, ঐক্যবদ্ধ ও আইনসম্মত। ব্যক্তিগত আক্রমণ কিংবা প্রতিহিংসার পরিবর্তে তথ্যপ্রমাণ, যুক্তি, নৈতিকতা ও আইনের ভিত্তিতে দাবি আদায়ের চেষ্টা করতে হবে। সংগঠনটি বাংলাদেশের বিমানবন্দরে আন্তর্জাতিক মানের সেবা নিশ্চিত করা, প্রবাসীদের নিরাপত্তা ও ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠা, তাঁদের পরিবারের মর্যাদা রক্ষা এবং ঘোষিত ছয় দফা দাবি বাস্তবায়নের আহ্বানও জানিয়েছে।

ঐক্য, মর্যাদা ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার প্রত্যয়, বিবৃতির সমাপনী বক্তব্যে অ্যাডভোকেট এ এন এম ঈসা বলেন, বাংলাদেশের উন্নয়ন, প্রবাসীদের সম্মান এবং তাঁদের স্ত্রী-কন্যাদের মর্যাদার সুরক্ষা—সবই জাতীয় স্বার্থের সঙ্গে সম্পর্কিত। একজন নারীর সম্মান শুধু তাঁর পরিবারের বিষয় নয়; এটি সমগ্র জাতির মর্যাদার প্রশ্ন। তিনি বলেন, “আমরা বাংলাদেশের উন্নয়ন চাই, প্রবাসীদের সম্মান চাই এবং তাঁদের স্ত্রী-কন্যাদের মর্যাদার সুরক্ষা চাই। প্রবাসীদের অর্থনৈতিক অবদানের স্বীকৃতি যেমন দেওয়া হয়, তাঁদের পরিবারের সম্মানহানির অভিযোগের ক্ষেত্রেও তেমনি কার্যকর ও ন্যায়সংগত পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে।” বিবৃতিতে তাঁরা বিভাজনের পরিবর্তে ঐক্য, প্রতিশোধের পরিবর্তে ন্যায়বিচার এবং নীরবতার পরিবর্তে দায়িত্বশীল ও আইনসম্মত পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানান।

বিবৃতিদাতাঃ দার্শনিক দেশবন্ধু অ্যাডভোকেট এ এন এম ঈসা, প্রতিষ্ঠাতা ও আহ্বায়ক, আন্তর্জাতিক রেমিট্যান্স যোদ্ধা সংসদ; এম এ রউফ, প্রতিষ্ঠাতা সদস্যসচিব, আন্তর্জাতিক রেমিট্যান্স যোদ্ধা সংসদ, কাতার।

আন্তর্জাতিক রেমিট্যান্স যোদ্ধা সংসদের নেতৃবৃন্দ, প্রতিনিধি ও সদস্যবৃন্দ

সভাপতি: অ্যাডভোকেট এ এন এম ঈসা, লন্ডন। প্রধান অতিথি: তাজ উদ্দীন, লন্ডন। প্রধান বক্তা: ফারুক আহমেদ চৌধুরী, যুক্তরাজ্য। উদ্বোধনী বক্তব্য: আলহাজ্ব ডক্টর শরিফ সাকি, বাংলাদেশ।

বিশেষ অতিথি ও সংশ্লিষ্ট প্রতিনিধিবৃন্দ: অবসরপ্রাপ্ত ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ড. মো. নাসিমুল গনি, বাংলাদেশ; বীর মুক্তিযোদ্ধা মুজিবুর রহমান, ফ্রান্স; ড. মনিরুজ্জামান ভূঁইয়া, লন্ডন; মেজর ইমরান মিয়া, বাংলাদেশ; আলী নবাব খোকন, বাংলাদেশ; মির্জা সুমন, ফ্রান্স; জালাল উদ্দীন, ফ্রান্স; হাকিকুল ইসলাম খোকন, আমেরিকা; হাজী আনোয়ার হোসেন, আমেরিকা; শাহিন তালুকদার, দুবাই; হেলাল উদ্দীন, কাতার; আরব আলী, কুয়েত; মোহাম্মদ মুস্তাদিক মিয়া মানিক, লন্ডন; সৈয়দ খালিদ মিয়া অলিদ, লন্ডন; কবির আহমেদ মাসুম, লন্ডন; এস এম আব্দুস সাত্তার, বাংলাদেশ; মোহাম্মদ আব্দুল ওয়াহাব রিংকু, বাংলাদেশ; মোহাম্মদ ফজলুল হক, বাংলাদেশ; মোহাম্মদ ফজলুল করিম শেখ, বাংলাদেশ; অ্যাডভোকেট তাজুল ইসলাম, বাংলাদেশ; অ্যাডভোকেট মীর সিরাজ, বাংলাদেশ; বিদ্যুৎ, বাংলাদেশ; লায়ন শাহিদা পারভীন রত্না, বাংলাদেশ; নাসরিন আক্তার তরফদার, বাংলাদেশ; ইসমাইল খান, বাংলাদেশ; লায়ন আব্দুল কাদির জিলানী, বাংলাদেশ; হালিম রাজ, বাংলাদেশ; মোহাম্মদ হারুনুর রশিদ, বাংলাদেশ; লায়ন মোহাম্মদ আজম খান, বাংলাদেশ; আহমেদ শাকি, বাংলাদেশ; ড. মালেক ফরাজি, ফ্রান্স; মোহাম্মদ আবুল খায়ের, বাংলাদেশ; হেলাল খান, বাংলাদেশ; কর্নেল ফেরদৌস আজিজ, বাংলাদেশ; এম এ মালেক খান, বাংলাদেশ; সোহান মিয়া, আমেরিকা; মোস্তাফিজুর রহমান রিপন, বাংলাদেশ; আক্তার মিয়া, বাংলাদেশ; মোহাম্মদ আব্দুল কাইয়ুম, বাংলাদেশ; ড. মুস্তাফিজুর রহমান ইরান, বাংলাদেশ; মাহমুদুর রহমান মান্না, বাংলাদেশ; রিয়াজ আবু সাইদ, ইতালি; দিদার সরদার, হংকং; মোহাম্মদ আবুল হোসেন সরদার, অস্ট্রেলিয়া; আব্দুল্লাহ ইউসুফ, অস্ট্রেলিয়া; আবু তাহের চৌধুরী, যুক্তরাজ্য; আবুল বাসার, বাংলাদেশ; নাজনীন রহমান রাজন; রেজা নবী, আমেরিকা; রেজা লতিফ, কানাডা; রিপন, কানাডা; আব্দুল হামিদ, সৌদি আরব; হাফিজ মিয়া, ওমান; ক্লিনটন হাওলাদার পাভেল, আমেরিকা; আমির হোসেন, সিঙ্গাপুর; ড. সোহেল, লন্ডন; কর্নেল মোহাম্মদ আব্দুল হক, বাংলাদেশ; তুষার আহমেদ, লন্ডন; হীরা মিয়া, সুইডেন; মোহাম্মদ লোকন মিয়া, আমেরিকা; অ্যাডভোকেট হাসান মোহাম্মদ, বাংলাদেশ; আশরাফুল কবির আসিফ, আজকের খবর, বাংলাদেশ; জান্নাতুল নাঈম চৌধুরী, মো. আব্দুল ওয়াহাব রিংকো, বাংলাদেশ; হাসিনা মমতাজ, প্রধান শিক্ষক, বাংলাদেশ; মো. নাজমুল হক ভূঁইয়া, সৌদি আরব; রিমন হোসেন, সৌদি আরব; এনাম মিয়া, লন্ডন; মহারাজ মিয়া, দুবাই; কাজী মোকলিস, মালদ্বীপ; শাহজাহান মিয়া, কাতার; শাহজাহান খান, বাহরাইন; কামাল মিয়া, ওমান; লুৎফুর রহমান, লন্ডন; ইকবাল তালুকদার, লন্ডন; আব্দুল হামিদ মিয়া, সৌদি আরব; শুভ মীর, সৌদি আরব; মো. সজীব, সৌদি আরব; মো. সাব্বির হোসেন, সৌদি আরব; মো. রবিউস সানী, সৌদি আরব; মো. মামুন মোল্লা, সৌদি আরব; মীর আশরাফ, আমেরিকা; জামাল মোস্তফা, সুইডেন; রহিম মিয়া, স্পেন; মোহাম্মদ আবুল খায়ের, সিঙ্গাপুর; অ্যাডভোকেট আবেদ রাজা, বাংলাদেশ; কামাল হোসেন, আইল্যান্ড; জাহাঙ্গীর আলম, নেপাল; সিরাজ খান, পাকিস্তান; রহিম মিয়া, চীন; শাহাদাৎ হোসেন, পোল্যান্ড; মোহাম্মদ আজাদ রহমান, লন্ডন; কাওসার আহমেদ, অস্ট্রেলিয়া; ব্যারিস্টার জাহাঙ্গীর, লন্ডন; অ্যাডভোকেট এনাম মিয়া, লন্ডন; শাহাজান মিয়া, আইল্যান্ড; শেখ ফরিদ, অস্ট্রেলিয়া; নুরুল হুদা, বাংলাদেশ; মনিরুজ্জামান, বাংলাদেশ; এনামুল কবির লিটু, বাংলাদেশ; মো. এনাম চৌধুরী খোকন, লন্ডন; হোসেন আহমেদ ইনসাফ, লন্ডন; হাবিবুর রহমান রানা, লন্ডন; আলী নবাব খান খোকন, বাংলাদেশ; জগলু আহমেদ চৌধুরী, যুক্তরাজ্য; মুজিবর রহমান মধু, যুক্তরাজ্য; আব্দুস সালাম রাজা, যুক্তরাজ্য; রফিক উদ্দিন চৌধুরী, যুক্তরাজ্য; আরমান, ইতালি; আকাশ দেওয়ান, বাংলাদেশ; হামিদুল ইসলাম, বাংলাদেশ; নাজাকির হোসেন, বাংলাদেশ; ইউসুফ আলী, বাংলাদেশ; কাপ্তান মিয়া, লন্ডন; সাইদুল করিম শেখ, বাংলাদেশ; মেজর আখতারুজ্জামান, বাংলাদেশ। নারী প্রতিনিধি ও সংশ্লিষ্ট সদস্যবৃন্দ: নাসরিন আক্তার তরফদার রউফ, লায়ন শাহিদা পারভীন রত্না, বিনা ঈসা, নারগিস আক্তার, ইয়ামিন রহমান বকুল, ইয়ামিন আক্তার রুমন, লাবনী আনোয়ার, শাহেনা হক, কোহিনূর হ্যাপি, আবেদা সুলতানা, আলহাজ্ব রোমেনা আক্তার, হাসিনা মমতাজ, আলেয়া বেগম, সবুজা খাতুন, লিলুপা জাহান লিলু, হাসিনা বেগম সাথী, নোভা, ইসরাত জাহান রিপা, রিপা আক্তার, সৈয়দ তানজনা নাহার কাজল, রানিছা রউফ, মহিশা রউফ, নুরনাহার, মোহন তরফদার, আসাদ টাকুর, সাইদুর রহমান, আবু তারেক আনোয়ার, লিলা শেখ, রেশম, জুলিয়া।

যোগাযোগ:
এম এ রউফ
প্রতিষ্ঠাতা সদস্যসচিব, আন্তর্জাতিক রেমিট্যান্স যোদ্ধা সংসদ, কাতার।
ই-মেইল: roufnasrin@gmail.com
মোবাইল: 00974 66958035
তারিখ: ১৬ অক্টোবর ২০২৬

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *