প্রণোদনা ২.৫ শতাংশ থেকে ১০ শতাংশে উন্নীত করার দাবি

প্রণোদনা ২.৫ শতাংশ থেকে ১০ শতাংশে উন্নীত করার দাবি

Aug 15, 2026

 

আন্তর্জাতিক নিউজঃ

নিজস্ব প্রতিবেদক:

দেশের স্বার্থেই রেমিট্যান্স যোদ্ধাদের ঐতিহাসিক ছয় দফা বাস্তবায়নের আহ্বান দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন, প্রবাসীদের অধিকার, নিরাপত্তা ও বিনিয়োগ নিশ্চিত করতে আন্তর্জাতিক রেমিট্যান্স যোদ্ধা সংসদের ঘোষিত ঐতিহাসিক ছয় দফা বাস্তবায়নের আহ্বান জানানো হয়েছে। একই সঙ্গে বৈধ পথে রেমিট্যান্স প্রবাহ বাড়াতে সরকারি নগদ প্রণোদনা ২.৫ শতাংশ থেকে ১০ শতাংশে উন্নীত করার দাবি জানানো হয়েছে।

গত শুক্রবার, ১৪ আগস্ট ২০২৬, যুক্তরাজ্য সময় সন্ধ্যা ৬টায় পূর্বঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী আন্তর্জাতিক রেমিট্যান্স যোদ্ধা সংসদের উদ্যোগে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভার্চুয়াল আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় দেশ-বিদেশের বিভিন্ন পর্যায়ের বিশিষ্ট ব্যক্তি, প্রবাসী প্রতিনিধি, আইনজীবী, সাবেক সামরিক কর্মকর্তা, চিকিৎসক, সাংবাদিক, সামাজিক সংগঠক, নারী নেত্রী এবং আন্তর্জাতিক রেমিট্যান্স যোদ্ধা সংসদের নেতৃবৃন্দ অংশ নেন। সভায় সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা ও কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট এ. এন. এম. ঈসা। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মুক্তিযুদ্ধ গবেষক, যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধা এবং বাংলাদেশ বীর মুক্তিযোদ্ধা ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান আলহাজ আব্দুল মালেক খান। সভা পরিচালনা করেন আন্তর্জাতিক রেমিট্যান্স যোদ্ধা সংসদের উদ্যোক্তা, সংগঠক, স্পিকার ও সদস্য সচিব এম. এ. রউফ। ছয় দফা বাস্তবায়নে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান প্রধান অতিথির বক্তব্যে আলহাজ আব্দুল মালেক খান বলেন, প্রবাসী রেমিট্যান্স যোদ্ধাদের সহযোগিতা করা কিংবা তাঁদের যৌক্তিক দাবি মেনে নেওয়া দেশের জন্য ক্ষতিকর হবে না; বরং এতে দেশ অর্থনৈতিকভাবে আরও লাভবান হতে পারে।
তিনি বলেন, প্রবাসীরা রাষ্ট্রের কাছ থেকে সম্মান, নিরাপত্তা ও আস্থা পেলে বৈধ পথে অর্থ পাঠানো এবং বাংলাদেশে বিনিয়োগে আরও উৎসাহিত হবেন। এর ফলে কর্মসংস্থান, ব্যবসা-বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড বাড়তে পারে।
তিনি আরও বলেন, ইউরোপ ও আমেরিকায় বেড়ে ওঠা প্রবাসী পরিবারের নতুন প্রজন্মের অনেকেই বাংলাদেশে স্থায়ীভাবে ফিরে আসতে আগ্রহী নয়। এই দূরত্ব কমাতে হলে বাংলাদেশে নিরাপদ, স্বচ্ছ, বিনিয়োগবান্ধব ও মর্যাদাপূর্ণ পরিবেশ গড়ে তুলতে হবে। প্রবাসীদের অবদান জাতীয় অর্থনীতির সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত রংধনু নারী ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান লায়ন শাহিদা পারভীন রত্না এবং প্রধান উপদেষ্টা নাসরিন আক্তার তরফদার রউফ প্রবাসী পরিবার ও রেমিট্যান্সের গুরুত্ব তুলে ধরেন। বক্তারা বলেন, প্রবাসীদের পাঠানো অর্থ শুধু একটি পরিবারের আর্থিক অবস্থার উন্নতি করে না; বরং ক্ষুদ্র ব্যবসা, শিক্ষা, চিকিৎসা, আবাসন ও সামগ্রিক অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তাই প্রবাসীদের কল্যাণকে জাতীয় অর্থনীতি ও সামাজিক উন্নয়নের অংশ হিসেবে বিবেচনা করা প্রয়োজন। পেনশন, দক্ষতা ও প্রতিনিধিত্বের দাবি আলোচনায় প্রবাসী কল্যাণ, রেমিট্যান্স ব্যবস্থার উন্নয়ন, বিদেশে কর্মসংস্থানের ব্যয় কমানো, পেনশন, নিরাপত্তা, দক্ষ জনশক্তি তৈরি এবং রাষ্ট্র পরিচালনায় প্রবাসীদের কার্যকর প্রতিনিধিত্ব নিয়ে আলোচনা হয়। বক্তারা বলেন, দক্ষ জনশক্তি বিদেশে পাঠানো গেলে আয় বাড়বে, বিদেশ যাওয়ার ব্যয় কমানো গেলে ঋণের বোঝা কমবে এবং নিরাপত্তা নিশ্চিত হলে দেশে বিনিয়োগ বাড়বে। ছয় দফা সরকারের কাছে পৌঁছে দেওয়ার আহ্বান সাংবাদিক মো. আব্দুল ওয়াহাব রিংকো বলেন, আন্তর্জাতিক রেমিট্যান্স যোদ্ধা সংসদের ছয় দফা দাবি শুধু সভা-সমাবেশে সীমাবদ্ধ রাখা যাবে না। সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়, সরকারি কর্মকর্তা, নীতিনির্ধারক, সংসদ সদস্য ও রাজনৈতিক নেতৃত্বের কাছে লিখিতভাবে দাবিগুলো পৌঁছে দিতে হবে। তিনি ছয় দফা দাবি তাঁর সম্পাদিত পত্রিকায় প্রকাশ এবং দেশীয় ও আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে প্রচারের উদ্যোগ নেওয়ার কথা জানান। স্বজনপ্রীতি ও অদক্ষতা উন্নয়নের বড় বাধা
মেজর (অব.) ইমরান মিয়া বলেন, বাংলাদেশের উন্নয়নের ক্ষেত্রে স্বজনপ্রীতি একটি বড় সমস্যা। যোগ্যতার পরিবর্তে পরিচয় ও ব্যক্তিগত স্বার্থকে প্রাধান্য দেওয়া হলে প্রতিষ্ঠান দুর্বল হয়ে পড়ে। তিনি বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনে প্রবাসী রেমিট্যান্স যোদ্ধাদের গুরুত্বপূর্ণ অবদানের কথা তুলে ধরেন। প্রবাসীদের সমস্যা একদিনে তৈরি হয়নি কর্নেল ফেরদৌস আজিজ বলেন, প্রবাসীদের সমস্যাগুলো বহু বছরের। একদিনে এসব সমস্যার সৃষ্টি হয়নি এবং একদিনে সব সমস্যার সমাধানও সম্ভব নয়। তবে অগ্রাধিকার নির্ধারণ করে ধাপে ধাপে বাস্তবসম্মত সমাধানের দিকে এগোতে হবে।
অ্যাডভোকেট মীর সিরাজ বলেন, সীমিত সম্পদের সর্বোত্তম ব্যবহার করে অগ্রাধিকারভিত্তিতে সমস্যার সমাধান করাই দক্ষ রাষ্ট্র পরিচালনার পরিচয়। অ্যাডভোকেট তাজুল ইসলাম বলেন, প্রবাসীদের অনেক সমস্যার সমাধানের জন্য সব সময় বিপুল অর্থের প্রয়োজন নেই; প্রশাসনিক সদিচ্ছা, জবাবদিহিতা ও সম্মানজনক আচরণও বড় পরিবর্তন আনতে পারে। ব্যাংক আমানতের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি আন্তর্জাতিক রেমিট্যান্স যোদ্ধা সংসদের ফ্রান্স কমিটির আহ্বায়ক মির্জা সুমন প্রবাসীদের ব্যাংক আমানতের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন। সভা থেকে প্রবাসীদের বৈধ অর্থের নিরাপত্তা এবং স্বাভাবিক ব্যাংকিং সুবিধা নিশ্চিত করার দাবি জানানো হয়। ‘দেশের মানুষ ভালো থাকলে প্রবাসীরাও ভালো থাকেন’ সদস্য সচিব এম. এ. রউফ বলেন, প্রবাসীরা দেশের বাইরে থাকলেও তাঁদের মা-বাবা, ভাই-বোন, আত্মীয়স্বজন ও শিকড় বাংলাদেশে। তিনি বলেন, দেশের মানুষ সুখে থাকুক, দেশ শান্তিতে থাকুক এটাই প্রবাসীদের কামনা। বাংলাদেশ ভালো থাকলে প্রবাসীরাও ভালো থাকেন।

ছয় দফা বাস্তবায়নের দাবিঃ
সভায় আন্তর্জাতিক রেমিট্যান্স যোদ্ধা সংসদের ছয় দফা দাবি পুনর্ব্যক্ত করা হয়—
১. স্থায়ী পেনশন ব্যবস্থা।
২. বিদেশে কর্মসংস্থানের ব্যয় কমানো।
৩. আধুনিক শিক্ষা ও কারিগরি প্রশিক্ষণ নিশ্চিত করা।
৪. প্রবাসীদের পূর্ণ নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।
৫. প্রবাসী কল্যাণ তহবিল গঠন করা।
৬. রাষ্ট্র পরিচালনায় কার্যকর প্রবাসী প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করা।
সভাপতির বক্তব্যে অ্যাডভোকেট এ. এন. এম. ঈসা রেমিট্যান্সে সরকারি নগদ প্রণোদনা ২.৫ শতাংশ থেকে ১০ শতাংশে উন্নীত করার দাবি জানান।
তিনি বলেন, বৈধ ব্যাংকিং চ্যানেলে অর্থ পাঠানোকে আরও আকর্ষণীয় করতে হবে এবং একই সঙ্গে অবৈধ হুন্ডি ও অর্থপাচার প্রতিরোধে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে হবে।
আলহাজ আব্দুল মালেক খানকে উপদেষ্টা হওয়ার অনুরোধ
সভা শেষে সদস্য সচিব এম. এ. রউফ আলহাজ আব্দুল মালেক খানকে আন্তর্জাতিক রেমিট্যান্স যোদ্ধা সংসদের উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের অনুরোধ জানান।
আলহাজ আব্দুল মালেক খান এতে সম্মতি প্রকাশ করলে প্রতিষ্ঠাতা ও কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট এ. এন. এম. ঈসা প্রস্তাবটি অনুমোদন করেন। সাংগঠনিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার লক্ষ্যে বিষয়টি পরবর্তী সাধারণ সভায় উপস্থাপনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
অ্যাডভোকেট এ. এন. এম. ঈসা বলেন, “প্রবাসীদের শক্তি দেশের শক্তি। প্রবাসীদের নিরাপত্তা দেশের বিনিয়োগের নিরাপত্তা। আমরা দেশের ক্ষতি করে কিছু চাই না; দেশের উন্নয়নের স্বার্থেই আমাদের ছয় দফা বাস্তবায়ন চাই।”
উপস্থিত ও অংশগ্রহণকারী নেতৃবৃন্দের নাম
কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব ও বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ
১. অ্যাডভোকেট এ. এন. এম. ঈসা — প্রতিষ্ঠাতা ও কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক
২. এম. এ. রউফ — উদ্যোক্তা, সংগঠক, স্পিকার ও সদস্য সচিব; কাতার
৩. আলহাজ আব্দুল মালেক খান — মুক্তিযুদ্ধ গবেষক, যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধা ও বাংলাদেশ বীর মুক্তিযোদ্ধা ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান
৪. কর্নেল ফেরদৌস আজিজ — সদস্য
৫. কর্নেল আলী — সদস্য
৬. মেজর (অব.) ইমরান মিয়া — সদস্য
৭. ব্রিগেডিয়ার বাইজিদ
৮. মেজর আখতারুজ্জামান
৯. অ্যাডভোকেট মীর সিরাজ
১০. অ্যাডভোকেট তাজুল ইসলাম — সদস্য, বাংলাদেশ
১১. ড. মালেক ফারাজী — আহ্বায়ক, সুইডেন
১২. ড. শরিফ সাকি
১৩. লায়ন আব্দুল কাদের জিলানী
১৪. সাব্বির আহমেদ
১৫. নজরুল ইসলাম সোহান
১৬. হাকিকূল ইসলাম খোকন — সিনিয়র সাংবাদিক, আমেরিকা
১৭. মো. আব্দুল ওয়াহাব রিঙ্কো — সভাপতি, গাজীপুর সেন্ট্রাল প্রেস ক্লাব; সম্পাদক ও প্রকাশক, দৈনিক শব্দ দেশ
আন্তর্জাতিক ও দেশভিত্তিক আহ্বায়কবৃন্দ
১৮. রিমন হোসেন — আহ্বায়ক, সৌদি আরব
১৯. হেলাল আহমেদ — ইউরোপ
২০. ফারুক আহমেদ চৌধুরী — আহ্বায়ক, ইউরোপ
২১. মোসাদ্দিক মিয়া মানিক — আহ্বায়ক, যুক্তরাজ্য কমিটি
২২. সৈয়দ খালেদ মিয়া অলিদ — আহ্বায়ক, আমেরিকা
২৩. রেজা নবী — যুগ্ম আহ্বায়ক, আমেরিকা
২৪. রেয়াজ আবু সাঈদ — আহ্বায়ক, ইতালি
২৫. মির্জা সুমন — আহ্বায়ক, ফ্রান্স
২৬. জামাল উদ্দীন — আহ্বায়ক, ফ্রান্স
২৭. জামাল মোস্তফা — আহ্বায়ক, স্পেন
২৮. রহিম মিয়া — আহ্বায়ক, সিঙ্গাপুর
২৯. মোহাম্মদ আজাদ রহমান — আহ্বায়ক, কানাডা
৩০. কাজী মোকলিছ — আহ্বায়ক, মালদ্বীপ
৩১. আরব আলী — আহ্বায়ক, কুয়েত
৩২. আবুল হোসেন সরদার — আহ্বায়ক, অস্ট্রেলিয়া
৩৩. শাহাজান মিয়া — আহ্বায়ক, কাতার
৩৪. হেলাল উদ্দীন — আহ্বায়ক, মালয়েশিয়া
৩৫. শাহাজান খান — আহ্বায়ক, বাহরাইন
৩৬. কামাল মিয়া — আহ্বায়ক, ওমান
৩৭. শাহিন তালুকদার — আহ্বায়ক, দুবাই
৩৮. অ্যাডভোকেট আবেদ রাজা — আহ্বায়ক, আইল্যান্ড
৩৯. অ্যাডভোকেট এনাম মিয়া — আহ্বায়ক, আইল্যান্ড
৪০. শাহাদাৎ হোসেন — আহ্বায়ক, পোল্যান্ড
৪১. আক্তার মিয়া — আহ্বায়ক, বাংলাদেশ
৪২. মুস্তাফিজুর রহমান রিপন — বাংলাদেশ
৪৩. কাপ্তান মিয়া — আহ্বায়ক, পাবনা
সদস্যবৃন্দ
৪৪. আবু তাহের মিয়া — সদস্য, লন্ডন
৪৫. লুৎফুর রহমান — সদস্য, লন্ডন
৪৬. মোহাম্মদ এনাম মিয়া — সদস্য, লন্ডন
৪৭. ইকবাল তালুকদার — সদস্য, লন্ডন
৪৮. নাজমা আক্তার — সদস্য, বাংলাদেশ
৪৯. আব্দুল হামিদ মিয়া — সদস্য, সৌদি আরব
৫০. শুভ মীর — সদস্য, সৌদি আরব
৫১. মো. সজীব — সদস্য, সৌদি আরব
৫২. মো. সাব্বির হোসেন — সদস্য, সৌদি আরব
৫৩. মো. রবিউস সানী — সদস্য, সৌদি আরব
৫৪. মো. মামুন মোল্লা — সদস্য, সৌদি আরব
৫৫. সাগর মিয়া — সদস্য
৫৬. মীর আশরাফ — সদস্য, আমেরিকা
৫৭. রিপন মিয়া — সদস্য, বাংলাদেশ
৫৮. ফোটন — সদস্য
৫৯. আব্দুল কাইয়ুম — সদস্য
৬০. আব্দুল লতিফ — সদস্য
৬১. মোহাম্মদ হারুনুর রশিদ — সদস্য
৬২. কামাল হোসেন — সদস্য
৬৩. জাহাঙ্গীর আলম — সদস্য
৬৪. সিরাজ খান — সদস্য
৬৫. কাওসার আহমেদ — সদস্য
৬৬. আবুল বাসার — সদস্য
৬৭. ব্যারিস্টার জাহাঙ্গীর — সদস্য
৬৮. আলী আশরাফ — সদস্য, অস্ট্রেলিয়া
৬৯. শেখ ফরিদ — সদস্য
৭০. নুরুল হুদা — সদস্য
৭১. মনিরুজ্জামান — সদস্য
৭২. ইসমাইল খান — সদস্য
৭৩. ইসমাইল — সদস্য
৭৪. এস. এম. আব্দুস সাত্তার পাটোয়ারী — সদস্য
৭৫. এনামুল কবির লিটু — সদস্য
৭৬. মো. এনাম চৌধুরী — সাধারণ সম্পাদক, নিউক্যাসল
৭৭. কবির আহমেদ — সদস্য
৭৮. মাসুম হোসেন — সদস্য
৭৯. হোসেন আহমেদ ইনসাফ — সদস্য
৮০. হাবিবুর রহমান রানা — সদস্য, লন্ডন
৮১. সেলিম রানা — সদস্য, সৌদি আরব
৮২. আলী নবাব খান খোকন — সদস্য
৮৩. জগলু আহমেদ — সদস্য
৮৪. মুজিবর রহমান মধু — সদস্য
৮৫. আব্দুস সালাম রাজা — সদস্য, যুক্তরাজ্য
৮৬. রফিক উদ্দিন চৌধুরী — সদস্য, যুক্তরাজ্য
৮৭. আরমান — সদস্য
৮৮. আকাশ দেওয়ান — সদস্য
৮৯. হেলাল খান — সদস্য
৯০. মোহাম্মদ আজাদ দেওয়ান — সদস্য
৯১. লিটু — সদস্য
৯২. হামিদুল ইসলাম — সদস্য
৯৩. জাকির হোসেন — সদস্য
৯৪. খালিদ — সদস্য
৯৫. ইউসুফ আলী — সদস্য, ভারত
৯৬. হাসান — সদস্য
৯৭. আবুল খায়ের — সদস্য
৯৮. সাইদুল করিম — সদস্য
৯৯. মো. ফজলুল করিম — সদস্য
১০০. গোলাম কিবরিয়া — সদস্য
১০১. আমিনুল ইসলাম — সদস্য
১০২. সৈয়দ মোহাম্মদ কায়সার — সদস্য
১০৩. ড. মোস্তাফিজুর রহমান — ইরান
১০৪. মাহমুদুর রহমান মান্না — সদস্য
১০৫. লায়ন মোহাম্মদ আজম খান — সদস্য
১০৬. সোহান — সদস্য
১০৭. সাব্বির — সদস্য
রংধনু নারী ফাউন্ডেশনের নেতৃবৃন্দ ও সদস্যদের তালিকা
১. নাসরিন আক্তার তরফদার রউফ — প্রধান উপদেষ্টা
২. লায়ন শাহিদা পারভীন রত্না — চেয়ারম্যান
৩. বিনা ঈসা
৪. মিসেস নার্গিস খালেদ
৫. ইয়াসমিন রহমান বকুল
৬. নাজনীন রহমান রাজন
৭. ইয়াসমিন আক্তার রুমন
৮. লাবনী আনোয়ার
৯. শাহানা হক
১০. খিরননাহার হ্যাপি
১১. আবিদা সুলতানা মিতু
১২. আলহাজ রুমেনা আক্তার
১৩. হাসিনা মমতাজ
১৪. আলেয়া বেগম
১৫. মোস্ত. সবুজা খাতুন
১৬. মিস নিলুফার জাহান নীল
১৭. হাসিনা বেগম সতি
১৮. নোভা
১৯. ইসরাত জাহান রিপা
২০. মিসেস রিপা আক্তার
২১. সৈয়দা তাজনাহার কাজল
২২. রানিসা রউফ
২৩. মাহিসা রউফ
২৪. তাজ ফারজানা আফরুজা শারমিন
২৫. জানজিনা জাহান
২৬. নূরনাহার
২৭. মোহন
প্রকাশক:
অ্যাডভোকেট এ. এন. এম. ঈসা
প্রতিষ্ঠাতা ও কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক
আন্তর্জাতিক রেমিট্যান্স যোদ্ধা সংসদ
উদ্যোক্তা, সংগঠক ও সদস্য সচিব:
এম. এ. রউফ (কাতার)
রংধনু নারী ফাউন্ডেশন:
লায়ন শাহিদা পারভীন রত্না — চেয়ারম্যান
নাসরিন আক্তার তরফদার রউফ — প্রধান উপদেষ্টা

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *