গাজীপুরে জেলা ছাত্রদল নেতার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির অভিযোগ, সাংগঠনিক বহিষ্কার চায় স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।
অফিস ডেস্ক:
গাজীপুরে কালীগঞ্জ উপজেলায় চাঁদা না দেওয়ায় গাড়ি এবং অটোরিকশা ভাঙচুর, হামলার অভিযোগ উঠেছে জেলা ছাত্রদলের এক নেতা, তার ছোট ভাই সহ ৬ জনের বিরুদ্ধে। অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, উপজেলার মোক্তারপুর ইউনিয়নের বড়হরা গ্রামের আবুল হোসেন এর ছেলে লোকমান হোসেন তার নিজের এবং ওয়ারিশগনের ব্যাক্তিমালিকানাধীন ফসলি জমি সমতল করার জন্য উপজেলা নির্বাহী অফিসার এর কাছে অনুমুতি নিয়ে ভেকু দিয়ে মাটি কেটে ফসলি জমি সমতল করার কাজ চালিয়ে যাচ্ছল। গত ১০ এপ্রিল (শুক্রবার) রাত অনুমান ১০.০০ ঘটিকার সময় জেলা ছাত্রদলের সহ দপ্তর সম্পাদক মেহেদী হাসান হিমেল, পোটান গ্রামের রিফাত, আবিদ, মিরাজ এবং হরিদেবপুর গ্রামের জুলহাস, রফিক সহ অজ্ঞাত নামা ৫/৭ জন বিবাদী বেআইনী জনতাবদ্ধে দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র সহ জমিতে অনধিকার প্রবেশ করে মাটি কাটার কাজে বাধা প্রদান করে এবং চাঁদা দাবি করে। ভুক্তভোগী লোকমান হোসেন চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানিয়ে প্রতিবাদ করিলে এলোপাথাড়ি মারপিট করে শরীরের বিভিন্ন স্থানে নিলাফুলা জখম করে এবং ড্রাম টাকের চাবি ছিনিয়ে নিয়ে যায়। স্থানীয়দের সহায়তায় আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করে। বর্তমানে তারা চিকিৎসাধীন রয়েছেন বলে জানা গেছে। অপরদিকে নোয়াপাড়া শহীদ মইজুদ্দিন আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আবুল কালাম আজাদ এর সাথে কথা বলে জানা যায় আবিদ নামের এই ছেলেটি প্রায় সময় তার বন্ধুদের নিয়ে উক্ত স্কুলের মেয়ে শিক্ষার্থীদের রাস্তাঘাটে উত্ত্যক্ত করে থাকে। এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। মোক্তারপুর ইউনিয়ন বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের একাধিক নেতৃবৃন্দ ও স্থানীয় লোকজনের দাবি মেহেদী হাসান হিমেল এর রাজনৈতিক ব্যবহার করে এসব অপকর্ম করছে। বিষয়টি নিয়ে আইনগত পদক্ষেপ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে। এ বিষয়ে জেলা ছাত্রদলের সহ দপ্তর সম্পাদক মেহেদী হাসান হিমেল এর সাথে কথা বললে সম্পূর্ণ অভিযোগ মিথ্যা দাবি করে তিনি বলেন বড়হরা গ্রামে অবৈধভাবে বেকু দিয়ে মাটি কাটা হচ্ছিল। স্থানীয় কিছু যুবক সেখানে যারা মাটি কাটতে ছিল তারা তাদেরকে মারধর করে। কোন চাঁদা দাবি করে নাই।