অন্যের সম্পত্তি আত্মসাৎ করে কেউ সমাজে মাথা উঁচু করে বাঁচতে পারে না
আন্তর্জাতিক ডেস্ক:
“অন্যের সম্পত্তি আত্মসাৎকারী ব্যক্তি সমাজে কখনো প্রকৃত সম্মান নিয়ে মাথা উঁচু করে বাঁচতে পারে না”—এমন মন্তব্য করেছেন লেখক ও রেমিট্যান্স যোদ্ধা সংসদের সহযোদ্ধা এম এ রউফ। তিনি বলেন, অন্যের সম্পদ অন্যায়ভাবে দখল বা ভোগ করা শুধু নৈতিক অবক্ষয়ের পরিচয় নয়, এটি ব্যক্তি ও সমাজ উভয়ের জন্যই ক্ষতিকর। সাময়িকভাবে কেউ অন্যের সম্পদ আত্মসাৎ করে লাভবান হলেও এর দীর্ঘমেয়াদি পরিণতি কখনো সুখকর হয় না। ইতিহাসের বিভিন্ন ঘটনা থেকেও এর নানা দৃষ্টান্ত পাওয়া যায়। এম এ রউফের বক্তব্য অনুযায়ী, যারা অন্যের সম্পদ ভোগ করেন, তাদের জীবনের বিভিন্ন পর্যায়ে সামাজিক অসম্মান ও অবিশ্বাসের মুখোমুখি হতে হয়। অনেক সময় ভয়ের কারণে কেউ প্রকাশ্যে প্রশংসা করলেও অন্তর থেকে সেই ব্যক্তির প্রতি প্রকৃত শ্রদ্ধা থাকে না। তিনি আরও বলেন, অবৈধভাবে অর্জিত সম্পদ মানুষের মনে প্রকৃত শান্তি এনে দিতে পারে না। অন্যের অধিকার হরণ করে অর্জিত সম্পদ পরিবার, সমাজ ও ব্যক্তিজীবনে নানা ধরনের অশান্তি ও জটিলতার কারণ হতে পারে। সম্পদের মালিকানা নিয়ে বিরোধ সৃষ্টি হলে আইনি জটিলতারও মুখোমুখি হতে হয়। এম এ রউফ বলেন, অন্যের সম্পত্তি আত্মসাৎ করার ঘটনা দীর্ঘদিন গোপন রাখা সম্ভব হলেও একসময় সত্য প্রকাশ পায়। তখন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির সামাজিক অবস্থান, পারিবারিক সম্পর্ক ও ব্যক্তিগত সুনাম প্রশ্নের মুখে পড়তে পারে। একই সঙ্গে পরিস্থিতি অনুযায়ী আইনগত ব্যবস্থারও সম্মুখীন হতে হয়।
তিনি সমাজের সবাইকে অন্যের অধিকার ও সম্পত্তির প্রতি সম্মান দেখানোর আহ্বান জানিয়ে বলেন, অন্যের সম্পদ ভোগ নয়, ন্যায় ও সততার পথে অর্জিত সম্পদই মানুষের প্রকৃত মর্যাদার ভিত্তি। ইতিহাস সাক্ষী—অন্যায়ভাবে অর্জিত সম্পদের স্থায়িত্ব ও পরিণতি সম্পর্কে ইতিহাসের শিক্ষা ভিন্ন কথা বলে।