ভারতে বাংলাদেশি ছাত্রনেতা মাহদি হাসান আটক — পুলিশ হত্যা মামলায় সর্তকতার দাবি ও বিতর্ক

অফিস ডেস্ক :
নয়াদিল্লি: বাংলাদেশে জুলাই ২০২৪-এর আন্দোলনের সময় এক পুলিশ বইয়ের মৃত্যু নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রচারিত ভিডিও ও দাবির কেন্দ্র人物, মাহদি হাসান নামে এক বাংলাদেশি ছাত্রনেতাকে ভারতের দিল্লি বিমানবন্দরে ইমিগ্রেশন/আটক করেছে ভারতীয় পুলিশ, যার পর তাকে ঢাকায় ফেরানো হচ্ছে বলে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম রিপোর্ট করেছে।
• পুলিশ ও স্থানীয় প্রতিবেদনে জানা গেছে, মাহদি হাসান ‘স্টুডেন্টস অ্যাগেইনস্ট ডিসক্রিমিনেশন’ (এসএডি) সংগঠনের হাবিগঞ্জ জেলা ইউনিটের নেতা। �
• গত জানুয়ারিতে তাকে বাংলাদেশে গ্রেফতার করা হয়েছিল পুলিশের সঙ্গে তর্কের শিকার হওয়ার প্রেক্ষাপটে, এবং এক ভিডিওতে তিনি “SI সন্তোষ দাসকে পুড়িয়ে মারা” কথাটি বলার জন্য বিতর্ক হয়েছিল। কিন্তু এখানেও তার বিরুদ্ধে হত্যার আধিকারিক মামলা বা চার্জশিট দাখিল হয়েছে কি না তা স্পষ্ট নয়।
• গতকাল (১৭ ফেব্রুয়ারি) সোশ্যাল মিডিয়ায় তার ভারতে অবস্থান সংক্রান্ত ভিডিও ও ছবি ভাইরাল হয়, যেখানে তাকে নয়াদিল্লির পাহাড়গঞ্জে দেখা গিয়েছে বলে দাবী করা হয়।
• সম্প্রতি সে দিল্লির বিমানবন্দরে ইন্ডিগো বিমানে ঢাকায় ফিরতে চায়, কিন্তু ইমিগ্রেশন পুলিশের কাছে আটক করা হয়েছে এবং বাংলাদেশের হাইকমিশনের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে বলে সংবেদনশীল প্রতিবেদনে বলা হয়ছে।
সোশ্যাল মিডিয়া দাবির তৎপরতা:
অনেক সোশ্যাল পোস্টে বলা হচ্ছে মাহদি পাকিস্তানি কোনো জঙ্গি সংগঠনের হয়ে নিরাপত্তা হুমকি সৃষ্টি করার পরিকল্পনা করছে এবং পর্তুগিজ ভিসা নিয়ে পালিয়ে যাবে — তবে এই দাবির কোনো বড় সরকারি বা আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম প্রমাণিত করে প্রকাশিত হয়নি।
• বাংলাদেশে তাকে গ্রেফতার করা হয়েছিল এবং পরে ভারতে অবস্থান নিয়ে বিতর্ক সৃষ্টি হয়, কিন্তু হত্যাকাণ্ডের সংশ্লিষ্টতা ও জঙ্গি সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত থাকার দাবি এখনও সরকারি বা আন্তর্জাতিক প্রমাণের ভিত্তিতে যাচাই হয়নি।
• ভারতীয় ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষের এই পদক্ষেপটি দুই দেশের নিরাপত্তা ও নৈতিক দিক থেকে গুরুত্ব পাচ্ছে।
🔎 উল্লেখ্য: বাংলাদেশে SI সন্তোষ দাস হত্যাকাণ্ড সম্পর্কেও সরকারি বা আদালতের কোনো প্রমাণিত খবর আজ পর্যন্ত আন্তর্জাতিক মাধ্যমে প্রকাশিত হয়নি — যা এখনো তদন্তাধীন বা বিতর্কিত দাবি হিসেবে রয়েছে।