চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র পদে নির্বাচনের থেকে ক্যান্ডিডেট হওয়া নিয়েই লড়াই হবে বেশি

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র পদে নির্বাচনের থেকে ক্যান্ডিডেট হওয়া নিয়েই লড়াই হবে বেশি

Oct 3, 2026

চট্টগ্রাম মহানগর প্রতিনিধিঃ

বিএনপি থেকে মনোনয়ন প্রত্যাশী অনেক। এর মধ্যে এক নম্বরে আছে বর্তমান দায়িত্বে থাকা মেয়র (মেয়াদোত্তীর্ণ) শাহাদাত হোসেন। উনি অবশ্য পলিটিক্সটা বেশ ভালোই করেছেন। ৫ আগস্টের পর আদালতের রায়ে মেয়র হয়ে যান। এরপর মেয়াদ শেষ হলে বলেন, উনি না থাকলে এই নগরী এতিম হয়ে যাবে! এখনও চেয়ার ধরে রেখেছেন। সামনের বছর নির্বাচন পর্যন্ত বহাল থাকবেন। শাহাদাতের আমলে সবথেকে বড় সমস্যা জলাবদ্ধতা। লোকজন যে পরিমাণ গালি দিয়েছে! এই জায়গায় তার প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে টিকিট চাচ্ছে বিএনপির আন্তর্জাতিক বিষয়ক উপকমিটির সদস্য ইসরাফিল খসরু। অর্থমন্ত্রী আমীর খসরুর ছেলে। গত নির্বাচনে চট্টগ্রাম-১১ থেকে মনোনয়ন চেয়েও পায়নি। এবার মেয়রের নমিনেশনের জন্য আবেদন করবে। ক্যান্ডিডেট আরেকজন আছে। চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব নাজিমুর রহমান। সাংগঠনিকভাবে সে এগিয়ে আছে। যুগান্তর বলছে এই তিনজনই বিএনপি থেকে নির্বাচন করতে আগ্রহী। তবে কানাঘুঁষা শোনা যায়, কোনো এক প্রতিমন্ত্রীরও নাকি মেয়র হওয়ার খায়েশ আছে। বিএনপির মতো এনসিপির মনোনয়ন প্রত্যাশীও অনেক। এবং বিএনপির মতো তাদের ক্যান্ডিডেটও ঠিক হয়নি। তবে শীঘ্রই হতে পারে, ১ সপ্তাহের মধ্যেই হতে পারে। যুগান্তর অন্তত তেমন বলছে। এনসিপির মেয়র ক্যান্ডিডেট হতে পারে চসিকের সাবেক মেয়র মনজুর আলম। উনি চট্টগ্রামের প্রভাবশালী মেয়র মহিউদ্দিন চৌধুরীকে হারিয়ে চমক লাগিয়ে দিয়েছিল। আগে আওয়ামী লীগ করেছে। পরে বিএনপির রাজনীতি করেছে। হাসনাত আবদুল্লাহ তার সাথে দেখা করার পর অনেকের ঘুম হারাম হয়ে যায়। এরপর এনসিপি বসন্তের চট্টগ্রাম পর্বের সময় পুলিশ দিয়ে যে নাটকটা করা হয়, তাতে বোঝা যায় তাকে বিএনপি কতটা ভয় পায়। মনজুর আলমকে এনসিপি নিজেদের প্রার্থী করলে লড়াই জমে উঠবে। তার অবশ্য স্বতন্ত্র নির্বাচন করারও সম্ভাবনা আছে। তা করলে উনি পানি পাবেন না। আম-ছালা দুটোই হারাতে পারেন। মনজুর আলমের বাইরে এনসিপির মেয়র ক্যান্ডিডেট চারজন। মহানগর এনসিপির সদস্য সচিব আরিফ মঈনুদ্দিন সবার আগে। উনি চট্টগ্রাম-৯ আসন থেকে মনোনয়ন চেয়েও শেষ পর্যন্ত জোটের কারণে সাক্রিফাইস করেন। তার পরে আছে আহ্বায়ক মীর মোহাম্মদ শোয়াইব, যুগ্ম আহবায়ক জিয়া উদ্দিন রনি ও চট্টগ্রাম বিভাগীয় যুবশক্তির সাংগঠনিক সম্পাদকন ইরফাত ইব্রাহিম। এখানে অবশ্য জামায়াত আগেই প্রার্থী ঘোষণা করেছে। কোনো ইকুয়েশন নেই। একক প্রার্থী শামসুজ্জামান হিলালী। চট্টগ্রাম-১০ আসনে ইলেকশন করে তিনি হেরে যান। তবে ২০১০ সালের ইলেকশনে তিনি ৮ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর হন। বর্তমান মহানগরের সাংগঠনিক সম্পাদক। সমূহ সম্ভাবনা আছে চট্টগ্রাম মহানগরে আগামী বছর ত্রিমুখী লড়াই হবে সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *