অন্ন, বস্ত্র ও বাসস্থানের নিশ্চয়তা নিশ্চিত করার পরই রাজনীতি, সমাজনীতি ও ধর্মনীতি প্রাসঙ্গিক

অন্ন, বস্ত্র ও বাসস্থানের নিশ্চয়তা নিশ্চিত করার পরই রাজনীতি, সমাজনীতি ও ধর্মনীতি প্রাসঙ্গিক

Oct 28, 2026

আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ
ক্ষুধার্ত মানুষের কাছে রাজনৈতিক আদর্শ ও গণতন্ত্রের আলোচনা অর্থবহ নয়: অ্যাডভোকেট এ. এন. এম. ঈসা
লন্ডন: মানুষের অন্ন, বস্ত্র ও বাসস্থানের মতো মৌলিক অধিকার নিশ্চিত না করে রাজনীতি, সমাজনীতি, ধর্মনীতি, গণতন্ত্র কিংবা রাষ্ট্রীয় উন্নয়ন নিয়ে আলোচনা বাস্তবসম্মত নয় বলে মন্তব্য করেছেন ইন্টারন্যাশনাল রেমিট্যান্স যোদ্ধা সংসদের প্রতিষ্ঠাতা ও আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট এ. এন. এম. ঈসা। এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, মানুষের পেটে ক্ষুধা থাকলে রাজনৈতিক আদর্শ ও গণতন্ত্রের আলোচনা তার কাছে অর্থবহ হয়ে ওঠে না। ক্ষুধার্ত ও অসহায় মানুষের কাছে রাষ্ট্রীয় উন্নয়ন তখনই বাস্তব তাৎপর্য বহন করে, যখন তার বেঁচে থাকার ন্যূনতম প্রয়োজনগুলো পূরণ হয়। তিনি আরও বলেন, যিনি প্রতিদিন নিজের ও পরিবারের জন্য খাদ্য সংগ্রামের লড়াইয়ে নিয়োজিত এবং যার পরনের কাপড় ও নিরাপদ আশ্রয়ের অভাব রয়েছে, তাঁর কাছে রাজনীতি একটি দূরবর্তী বিষয়। কারণ, তাঁর সময়, চিন্তা ও শ্রমের অধিকাংশই ব্যয় হয় জীবনধারণের মৌলিক প্রয়োজন মেটাতে। অ্যাডভোকেট এ. এন. এম. ঈসা বলেন, রাজনীতি ও রাষ্ট্র পরিচালনা সম্পর্কে সচেতনভাবে চিন্তা করার জন্য মানুষের শিক্ষা, নিরাপত্তা, কর্মসংস্থান, অবসর এবং স্বাধীনভাবে মতপ্রকাশের সুযোগ প্রয়োজন। কিন্তু ক্ষুধা, দারিদ্র্য, বেকারত্ব ও গৃহহীনতার মধ্যে থাকা মানুষের জীবনে এসব সুযোগ প্রায়ই অনুপস্থিত থাকে। তিনি উল্লেখ করেন, ক্ষুধার্ত ও অসহায় মানুষকে সামান্য অর্থ, একবেলা খাবার কিংবা সাময়িক সুবিধার বিনিময়ে রাজনৈতিকভাবে ব্যবহার করা সহজ। তাই প্রকৃত গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার অন্যতম পূর্বশর্ত হলো মানুষের অর্থনৈতিক মুক্তি এবং মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করা। রাষ্ট্রের দায়িত্ব শুধু অবকাঠামোগত উন্নয়ন কিংবা বৃহৎ প্রকল্প বাস্তবায়নে সীমাবদ্ধ নয় উল্লেখ করে তিনি বলেন, প্রতিটি নাগরিকের খাদ্য, পোশাক, বাসস্থান, চিকিৎসা, শিক্ষা ও নিরাপদ কর্মসংস্থানের সুযোগ নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের অন্যতম প্রধান দায়িত্ব। দেশের একজন মানুষও যদি ক্ষুধার্ত অবস্থায় ঘুমাতে বাধ্য হন, তবে সেই উন্নয়নকে পূর্ণাঙ্গ ও মানবিক উন্নয়ন বলা যায় না।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ধর্মীয় ও নৈতিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রেও মানুষের মৌলিক চাহিদা পূরণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ক্ষুধা ও চরম দারিদ্র্য মানুষের নৈতিক জীবন, বিবেক এবং সামাজিক স্থিতিশীলতাকে দুর্বল করে দিতে পারে। তাই সমাজে শান্তি, ন্যায়বিচার ও মানবিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠার আগে মানুষের জীবনধারণের মৌলিক ভিত্তি সুদৃঢ় করা প্রয়োজন ইন্টারন্যাশনাল রেমিট্যান্স যোদ্ধা সংসদের পক্ষ থেকে বলা হয়, সংগঠনটির সুস্পষ্ট অবস্থান হলো—প্রথমে মানুষের অন্ন, বস্ত্র ও বাসস্থানের নিশ্চয়তা নিশ্চিত করতে হবে। এরপর রাজনীতি, সমাজনীতি, ধর্মনীতি এবং অন্যান্য আদর্শিক বিষয় নিয়ে অর্থবহ আলোচনা করা সম্ভব।সংগঠনের পক্ষ থেকে আরও বলা হয়, মানুষকে ক্ষুধার্ত রেখে উন্নয়নের কথা বলা যায় না, গৃহহীন রেখে স্বাধীনতার সুফল তুলে ধরা যায় না এবং বেকারত্বের মধ্যে রেখে রাজনৈতিক অধিকারের পূর্ণতা প্রত্যাশা করা যায় না। সদস্যদের নামের তালিকা:
ফারুক আহমেদ চৌধুরী — ইউকে, ২. আলহাজ্ব ডক্টর শরিফ সাকি — বাংলাদেশ, ৩. অবসরপ্রাপ্ত ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ড. মো. নাসিমুল গনি — বাংলাদেশ, ৪. বীর মুক্তিযোদ্ধা মুজিবুর রহমান — ফ্রান্স, ৫. ডক্টর মনিরুজ্জামান ভূঁইয়া — লন্ডন, ৬. মেজর ইমরান মিয়া — বাংলাদেশ, ৭. আলী নবাব খোকন — বাংলাদেশ, ৮. মির্জা সুমন — ফ্রান্স, ৯. মোহাম্মদ জাফর উল্লাহ — আমেরিকা, ১০. জালাল উদ্দীন — ফ্রান্স, ১১. হাকিকুল ইসলাম খোকন — আমেরিকা, ১২. হাজী আনোয়ার হোসেন — আমেরিকা, ১৩. শাহিন তালুকদার — দুবাই, ১৪. হেলাল উদ্দীন — কাতার, ১৫. আরব আলী — কুয়েত, ১৬. মোহাম্মদ মুস্তাদিক মিয়া মানিক — লন্ডন, ১৭. সৈয়দ খালিদ মিয়া অলিদ — লন্ডন, ১৮. কবির আহমেদ মাসুম — লন্ডন, ১৯. এস. এম. আব্দুস সাত্তার — বাংলাদেশ, ২০. আলহাজ্ব ডক্টর শরিফ সাকি — বাংলাদেশ, ২১. মোহাম্মদ আব্দুল ওয়াহাব রিংকু, ২২. মোহাম্মদ ফজলুল হক — বাংলাদেশ, ২৩. মোহাম্মদ ফজলুল করিম শেখ — বাংলাদেশ, ২৪. অ্যাডভোকেট তাজুল ইসলাম — বাংলাদেশ, ২৫. অ্যাডভোকেট মীর সিরাজ — বাংলাদেশ, ২৬. বিদ্যুৎ — বাংলাদেশ, ২৭. শাহিদা পারভীন রত্না — বাংলাদেশ, ২৮. নাসরিন আক্তার তরফদার — বাংলাদেশ, ২৯. ইসমাইল খান — বাংলাদেশ, ৩০. লায়ন আব্দুল কাদির জিলানী — বাংলাদেশ, ৩১. মেজর ইমরান মিয়া — বাংলাদেশ, ৩২. হালিম রাজ — বাংলাদেশ, ৩৩. মোহাম্মদ হারুনুর রশিদ — বাংলাদেশ, ৩৪. লায়ন মোহাম্মদ আজম খান — বাংলাদেশ, ৩৫. আহমেদ শাকি — বাংলাদেশ, ৩৬. ডক্টর মালেক ফারাজি — ফ্রান্স, ৩৭. মোহাম্মদ আবুল খায়ের — বাংলাদেশ, ৩৮. হেলাল খান — বাংলাদেশ, ৩৯. কর্নেল ফেরদৌস আজিজ — বাংলাদেশ, ৪০. এম. এ. মালেক খান — বাংলাদেশ, ৪১. সোহান মিয়া — আমেরিকা, ৪২. মোস্তাফিজুর রহমান রিপন — বাংলাদেশ, ৪৩. আক্তার মিয়া — বাংলাদেশ, ৪৪. মোহাম্মদ আব্দুল কাইয়ুম — বাংলাদেশ, ৪৫. ড. মুস্তাফিজুর রহমান ইরান — বাংলাদেশ, ৪৬. মাহমুদুর রহমান মান্না — বাংলাদেশ, ৪৭. রিয়াজ আবু সাইদ — ইতালি, ৪৮. দিদার সরদার — হংকং, ৪৯. মোহাম্মদ আবুল হোসেন সরদার — অস্ট্রেলিয়া, ৫০. আব্দুল্লাহ ইউসুফ — অস্ট্রেলিয়া, ৫১. আবু তাহের চৌধুরী — ইউকে, ৫২. আবুল বাসার — বাংলাদেশ, ৫৩. নাজনীন রহমান রাজন, ৫৬. রেজা নবী — আমেরিকা, ৫৭. রেজা লতিফ — কানাডা, ৫৮. রিপন — কানাডা, ৫৯. সোহান মিয়া — আমেরিকা, ৬০. আব্দুল হামিদ — সৌদি আরব, ৬১. হাফিজ মিয়া — ওমান, ৬২. আরব আলী — কুয়েত, ৬৩. ক্লিনটন হাওলাদার পাভেল — আমেরিকা, ৬৪. আমির হোসেন — সিঙ্গাপুর, ৬৫. ডক্টর সোহেল — লন্ডন, ৬৬. মোহাম্মদ হারুন রশীদ — বাংলাদেশ, ৬৭. কর্নেল মোহাম্মদ আব্দুল হক, ৬৮. তুষার আহমেদ — লন্ডন, ৬৯. হীরা মিয়া — সুইডেন, ৭০. মোহাম্মদ লোকন মিয়া — আমেরিকা, ৭১. অ্যাডভোকেট হাসান মোহাম্মদ — বাংলাদেশ, ৭২. আশরাফুল কবির আসিফ — আজকের খবর, বাংলাদেশ, ৭৩. জান্নাতুল নাঈম চৌধুরী রিংকু — বাংলাদেশ, ৭৪. হাসিনা মমতাজ — হেডমাস্টার, বাংলাদেশ, ৭৫. মো. নাজমুল হক ভূঁইয়া — সৌদি আরব, ৭৬. রিমন হোসেন — সৌদি আরব, ৭৭. সৈয়দ খালেদ মিয়া অলিদ — লন্ডন, ৭৮. এনাম মিয়া — লন্ডন, ৭৯. মহারাজ মিয়া — দুবাই, ৮০. আরব আলী — কুয়েত, ৮১. কাজী মোকলিস — মালদ্বীপ, ৮২. শাহজাহান মিয়া — কাতার, ৮৩. হেলাল উদ্দীন — কাতার, ৮৪. শাহজাহান খান — বাহরাইন, ৮৫. কামাল মিয়া — ওমান, ৮৬. লুৎফুর রহমান — লন্ডন, ৮৭. ইকবাল তালুকদার — লন্ডন, ৮৮. আব্দুল হামিদ মিয়া — সৌদি আরব, ৮৯. শুভ মীর — সৌদি আরব, ৯০. মো. সজীব — সৌদি আরব, ৯১. মো. সাব্বির হোসেন — সৌদি আরব, ৯২. মো. রবিউস সানী — সৌদি আরব, ৯৩. মো. মামুন মোল্লা — সৌদি আরব, ৯৪. মীর আশরাফ — আমেরিকা, ৯৫. জামাল মোস্তফা — সুইডেন, ৯৬. রহিম মিয়া — স্পেন, ৯৭. মো. আবুল খায়ের — সিঙ্গাপুর, ৯৮. রিপন মিয়া — কানাডা, ৯৯. মোহাম্মদ হারুনুর রশিদ — বাংলাদেশ, ১০০. অ্যাডভোকেট আবেদ রাজা — বাংলাদেশ, ১০১. কামাল হোসেন — আইল্যান্ড, ১০২. জাহাঙ্গীর আলম — নেপাল, ১০৩. সিরাজ খান — পাকিস্তান, ১০৪. রহিম মিয়া — চীন, ১০৫. শাহাদাৎ হোসেন — পোল্যান্ড, ১০৬. মোহাম্মদ আজাদ রহমান — লন্ডন, ১০৭. কাওসার আহমেদ — অস্ট্রেলিয়া, ১০৮. ব্যারিস্টার জাহাঙ্গীর — লন্ডন, ১০৯. অ্যাডভোকেট এনাম মিয়া — লন্ডন, ১১০. শাহজাহান মিয়া — আইল্যান্ড, ১১১. শেখ ফরিদ — অস্ট্রেলিয়া, ১১২. নুরুল হুদা — বাংলাদেশ, ১১৩. মনিরুজ্জামান — বাংলাদেশ, ১১৪. এনামুল কবির লিটু — বাংলাদেশ, ১১৫. মো. এনাম চৌধুরী খোকন — লন্ডন, ১১৬. হোসেন আহমেদ ইনসাফ — লন্ডন, ১১৭. হাবিবুর রহমান রানা — লন্ডন, ১১৮. আলী নবাব খান খোকন — বাংলাদেশ, ১১৯. জগলু আহমেদ চৌধুরী — ইউকে, ১২০. মুজিবর রহমান মধু — ইউকে, ১২১. আব্দুস সালাম রাজা — ইউকে, ১২২. রফিক উদ্দিন চৌধুরী — ইউকে, ১২৩. আরমান — ইতালি, ১২৪. আকাশ দেওয়ান — বাংলাদেশ, ১২৫. হামিদুল ইসলাম — বাংলাদেশ, ১২৬. নাজাকির হোসেন — বাংলাদেশ, ১২৭. ইউসুফ আলী — বাংলাদেশ, ১২৮. ক্যাপ্টেন মিয়া — লন্ডন, ১২৯. সাইদুল করিম শেখ — বাংলাদেশ, ১৩০. মো. ফজলুল করিম — বাংলাদেশ, ১৩১. ড. মোস্তাফিজুর রহমান ইরান — বাংলাদেশ, ১৩২. মেজর আখতারুজ্জামান — বাংলাদেশ, ১৩৩. মাহমুদুর রহমান মান্না — বাংলাদেশ, ১৩৪. নাসরিন আক্তার তরফদার রউফ, ১৩৫. লায়ন শাহিদা পারভীন রত্না, ১৩৬. বিনা ঈসা, ১৩৭. নারগিস আক্তার, ১৩৮. ইয়ামিন রহমান বকুল, ১৩৯. নাজনীন রহমান রাজন, ১৪০. ইয়ামিন আক্তার রুমন — বাংলাদেশ, ১৪১. লাবনী আনোয়ার — বাংলাদেশ, ১৪২. শাহেনা হক — বাংলাদেশ, ১৪৩. কোহিনূর হ্যাপি — বাংলাদেশ, ১৪৪. আবেদা সুলতানা — বাংলাদেশ, ১৪৫. আলহাজ্ব রোমেনা আক্তার, ১৪৬. হাসিনা মমতাজ — বাংলাদেশ, ১৪৭. আলেয়া বেগম — বাংলাদেশ, ১৪৮. মিসেস সবুজা খাতুন — বাংলাদেশ, ১৪৯. মিসেস লিলুপা জাহান লিলু, ১৫০. হাসিনা বেগম সাথী, ১৫১. নোভা, ১৫২. ইসরাত জাহান রিপা, ১৫৩. রিপা আক্তার, ১৫৪. সৈয়দ তানজিনা নাহার কাজল, ১৫৫. রানিছা রউফ, ১৫৬. মহিশা রউফ, ১৫৭. নুরনাহার — বাংলাদেশ, ১৫৮. মোহন তরফদার — বাংলাদেশ, ১৫৯. আসাদ টাকুর — বাংলাদেশ, ১৬০. সাইদুর রহমান — লন্ডন, ১৬১. আবু তারেক আনোয়ার — আমেরিকা, ১৬২. লিলা শেখ — বাংলাদেশ, ১৬৩. নুসরাত জাহান রেশমা — বাংলাদেশ, ১৬৪. তাজ উদ্দীন — লন্ডন, ১৬৫. মোহাম্মদ শহীদুল ইসলাম চৌধুরী — বাংলাদেশ, ১৬৬. মোহাম্মদ জয়নাল আবেদীন লস্কর — বাংলাদেশ, ১৬৭. মোহাম্মদ হোসেন আহমেদ ইনসাফ — লন্ডন, ১৬৮. আব্দুল কাদির — মালয়েশিয়া, ১৬৯. মোহাম্মদ আইয়ুব আলী — বাংলাদেশ, ১৭০. জান্নাতুল নাঈম চৌধুরী — বাংলাদেশ, ১৭১. সাইমন ইয়াসিন — বাংলাদেশ, ১৭২. হাজী আনোয়ার হোসেন — আমেরিকা, ১৭৩. মোহাম্মদ মুস্তাফিজুর রহমান — আমেরিকা, ১৭৪. মোহাম্মদ সাগর ইয়াসিন — ওমান, ১৭৫. মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন — সৌদি আরব, ১৭৬. মোছাম্মদ জুলিয়া — বাংলাদেশ, ১৭৭. ডানা আক্তার — বাংলাদেশ, ১৭৮. রাপি আক্তার — বাংলাদেশ, ১৭৯. মোহাম্মদ তাফিকুল হক — বাংলাদেশ। এ অবস্থায় ইন্টারন্যাশনাল রেমিট্যান্স যোদ্ধা সংসদ সরকারের প্রতি কার্যকর সামাজিক নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদার, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, গৃহহীনদের পুনর্বাসন এবং দরিদ্র জনগোষ্ঠীর জন্য নিয়মিত খাদ্যসহায়তা নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছে।
সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা, উদ্যোক্তা ও সংগঠক এবং সদস্যসচিব এম. এ. রউফ বলেন, একটি মানবিক, গণতান্ত্রিক ও কল্যাণমুখী রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার জন্য সর্বপ্রথম মানুষের খাদ্যনিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে। পাশাপাশি প্রত্যেক নাগরিকের পরিধেয় বস্ত্র ও নিরাপদ বাসস্থানের ব্যবস্থা করতে হবে। মৌলিক অধিকার নিশ্চিত না হলে স্বাধীনতা অসম্পূর্ণ, গণতন্ত্র দুর্বল এবং রাজনীতি অর্থহীন হয়ে পড়ে।
বার্তা প্রেরক:
এম. এ. রউফ
প্রতিষ্ঠাতা, উদ্যোক্তা ও সংগঠক
ইন্টারন্যাশনাল রেমিট্যান্স যোদ্ধা সংসদ
সভাপতি: অ্যাডভোকেট এ. এন. এম. ঈসা, লন্ডন
ই-মেইল: roufnasrin@gmail.com
যোগাযোগ: 09746695835

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *