আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ
প্রবাসীদের সরাসরি অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে সরকারের কাছে প্রস্তাব পেশের সিদ্ধান্ত আন্তর্জাতিক রেমিট্যান্স যোদ্ধা সংসদের
“আমরা দেশের মালিক হতে চাই না, দেশের মানুষের খাদেম হতে চাই। আমরা ক্ষমতা চাই না, সেবা করার সুযোগ চাই”—দার্শনিক দেশবন্ধু অ্যাডভোকেট এ এন এম ঈসা যুক্তরাজ্য, ২৪ অক্টোবর ২০২৬: প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রম, নীতিনির্ধারণ এবং উপদেষ্টা পরিষদে প্রবাসী রেমিট্যান্স যোদ্ধাদের সরাসরি ও কার্যকর অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে সরকারের কাছে আনুষ্ঠানিক প্রস্তাব পেশের সিদ্ধান্ত নিয়েছে আন্তর্জাতিক রেমিট্যান্স যোদ্ধা সংসদ। গত শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, সংগঠনটির উদ্যোগে অনুষ্ঠিত এক ভার্চুয়াল আলোচনা সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সভায় প্রবাসীদের বাস্তব সমস্যা, অধিকার, মর্যাদা, নিরাপত্তা এবং দেশের অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়নে তাঁদের অবদান আরও কার্যকরভাবে কাজে লাগানোর বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। সভাপতিত্ব করেন আন্তর্জাতিক রেমিট্যান্স যোদ্ধা সংসদের প্রতিষ্ঠাতা ও আহ্বায়ক, দার্শনিক দেশবন্ধু অ্যাডভোকেট এ এন এম ঈসা। সভা পরিচালনা করেন সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা সদস্যসচিব এম এ রউফ (কাতার)।
প্রবাসীদের অভিজ্ঞতাকে নীতিনির্ধারণে গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান
সভায় বক্তারা বলেন, প্রবাসী কল্যাণের জন্য প্রতিষ্ঠিত মন্ত্রণালয়ের নীতিনির্ধারণ ও কার্যক্রমে প্রবাসীদের প্রত্যক্ষ অভিজ্ঞতা এবং মতামতের যথাযথ প্রতিফলন থাকা প্রয়োজন। বিদেশে কর্মসংস্থান গ্রহণের ক্ষেত্রে আর্থিক ব্যয়, দালাল ও সিন্ডিকেটের দৌরাত্ম্য, কর্মক্ষেত্রে প্রতারণা, বিমানবন্দরে ভোগান্তি, পাসপোর্ট ও কনস্যুলার সেবার জটিলতা এবং বিপদগ্রস্ত প্রবাসীদের আইনি সহায়তার মতো সমস্যাগুলো সমাধানে প্রবাসীদের সরাসরি অংশগ্রহণ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। বক্তারা মনে করেন, যাঁরা নিজেরা এসব সমস্যার সম্মুখীন হয়েছেন, তাঁদের বাস্তব অভিজ্ঞতা নীতিনির্ধারকদের কাছে তুলে ধরার সুযোগ সৃষ্টি করা হলে প্রবাসীসেবার মান উন্নত করা সম্ভব হবে। “ব্যথিতের বেদনা সেই ভালো বোঝে, যে নিজে সেই ব্যথা অনুভব করেছে”
সভাপতির বক্তব্যে অ্যাডভোকেট এ এন এম ঈসা বলেন, “ব্যথিতের বেদনা সেই ভালো বোঝে, যে নিজে সেই ব্যথা অনুভব করেছে। প্রবাসী রেমিট্যান্স যোদ্ধারা বিদেশে কর্মসংস্থান গ্রহণ করতে গিয়ে যেসব আর্থিক, সামাজিক ও প্রশাসনিক সমস্যার মুখোমুখি হন, সেগুলো তাঁরা নিজেদের অভিজ্ঞতা থেকেই সবচেয়ে ভালোভাবে উপলব্ধি করতে পারেন।” তিনি আরও বলেন, “প্রবাসীদের কল্যাণের জন্য যে মন্ত্রণালয় প্রতিষ্ঠিত হয়েছে, সেই মন্ত্রণালয়ের নীতিনির্ধারণে প্রবাসীদের সরাসরি অংশগ্রহণ থাকবে না কেন? আমরা সরকারের বিকল্প হতে চাই না; বরং সরকারের সহযোগী হয়ে দেশের কল্যাণে কাজ করতে চাই।” তিনি বলেন, প্রবাসী রেমিট্যান্স যোদ্ধারা বাংলাদেশের জনগণ, তাঁদের পরিবার-পরিজন, আত্মীয়স্বজন এবং মাতৃভূমির সেবক হিসেবে কাজ করতে আগ্রহী। তাঁদের লক্ষ্য ব্যক্তিগত ক্ষমতা, পদ-পদবি কিংবা বিশেষ সুবিধা অর্জন নয়; বরং প্রবাসীদের বাস্তব সমস্যার সমাধান, ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠা এবং দেশের উন্নয়নে কার্যকর অবদান রাখা।।প্রবাসীরা শুধু রেমিট্যান্স প্রেরণকারী নন, তাঁরা দেশের উন্নয়নের অংশীদার। সভায় জালাল উদ্দীন, বীর মুক্তিযোদ্ধা মুজিবুর রহমান, ফারুক আহমেদ চৌধুরী, মোসাদ্দেক মিয়া মানিকসহ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ ও সংশ্লিষ্ট সদস্যদের বক্তব্যে প্রবাসীদের মর্যাদা, অধিকার এবং নীতিনির্ধারণে তাঁদের অংশগ্রহণের প্রয়োজনীয়তা উঠে আসে।
বক্তারা বলেন, প্রবাসীরা শুধু বৈদেশিক মুদ্রা প্রেরণকারী নন; তাঁরা বাংলাদেশের সমান মর্যাদাসম্পন্ন নাগরিক এবং দেশের অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়নের গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার।
তাঁদের ভাষ্য, “আমরা সম্মান চাই, অধিকার চাই এবং দেশের উন্নয়নে দায়িত্বশীল অংশীদার হিসেবে কাজ করার সুযোগ চাই। আমাদের কথা শুনতে হবে, আমাদের অভিজ্ঞতাকে গুরুত্ব দিতে হবে এবং আমাদের সমস্যা সমাধানের প্রক্রিয়ায় আমাদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে হবে।” বক্তারা আরও বলেন, দেশের প্রতি আনুগত্য এবং নাগরিক অধিকার প্রতিষ্ঠার দাবি পরস্পরবিরোধী নয়; বরং একে অপরের পরিপূরক। সরকারের সঙ্গে সহযোগিতা ও সমন্বয়ের ভিত্তিতে কাজ করাই তাঁদের মূল লক্ষ্য। সরকারের কাছে সাতটি প্রস্তাব সভায় আলোচনার ভিত্তিতে সরকারের বিবেচনার জন্য নিম্নলিখিত সাতটি প্রস্তাব পেশের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়: ১. প্রবাসীদের সরাসরি প্রতিনিধিত্ব: প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা পরিষদে যোগ্য, অভিজ্ঞ ও গ্রহণযোগ্য প্রবাসী রেমিট্যান্স যোদ্ধাদের প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করা। ২. নীতিনির্ধারণে অংশগ্রহণ: প্রবাসী কল্যাণ, অভিবাসন ব্যয়, বিদেশে কর্মসংস্থান, নিরাপত্তা ও পুনর্বাসনসংক্রান্ত নীতিমালা প্রণয়নের আগে প্রবাসী প্রতিনিধিদের মতামত গ্রহণ করা।
৩. আন্তর্জাতিক প্রবাসী পরামর্শ পরিষদ গঠন: বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বসবাসরত বাংলাদেশি প্রবাসীদের প্রতিনিধিত্বের ভিত্তিতে একটি কার্যকর আন্তর্জাতিক প্রবাসী পরামর্শ পরিষদ গঠন করা। ৪. অভিযোগ নিষ্পত্তির কার্যকর ব্যবস্থা: প্রবাসীদের অভিযোগ গ্রহণ, তদন্ত, প্রতিকার ও নিষ্পত্তির জন্য স্বচ্ছ, জবাবদিহিমূলক ও সময়সীমাভিত্তিক ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করা।
৫. মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রম মূল্যায়নে অংশগ্রহণ: প্রবাসীদের সেবার মান, প্রশাসনিক কার্যক্রম ও কল্যাণমূলক উদ্যোগের অগ্রগতি মূল্যায়নে প্রবাসী প্রতিনিধিদের অংশগ্রহণের সুযোগ সৃষ্টি করা। ৬. স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করা: প্রবাসী প্রতিনিধিদের মনোনয়ন বা নির্বাচনের ক্ষেত্রে যোগ্যতা, সততা, অভিজ্ঞতা ও জবাবদিহির সুস্পষ্ট নীতিমালা প্রণয়ন করা।
৭. ছয় দফা দাবি বাস্তবায়নে আলোচনা: আন্তর্জাতিক রেমিট্যান্স যোদ্ধা সংসদের উত্থাপিত ছয় দফা দাবির বিষয়ে সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে গঠনমূলক আলোচনা শুরু করা। সরকারের সঙ্গে প্রতিযোগিতা নয়, সহযোগিতা চায় সংগঠন সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা সদস্যসচিব এম এ রউফ বলেন, “সরকারের কিছু সীমাবদ্ধতা থাকতে পারে। কিন্তু সদিচ্ছা, পারস্পরিক সহযোগিতা এবং প্রবাসীদের প্রত্যক্ষ অংশগ্রহণের মাধ্যমে অনেক জটিল সমস্যার বাস্তবসম্মত সমাধান সম্ভব।”
তিনি বলেন, “আমরা সরকারের বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়ার জন্য এই প্রস্তাব করছি না। আমরা সরকারের কাজকে সহজ করতে চাই। যাঁরা সমস্যার ভুক্তভোগী, তাঁদের অভিজ্ঞতা এবং যাঁরা প্রশাসনিক দায়িত্বে রয়েছেন, তাঁদের দক্ষতা একত্রিত করা গেলে প্রবাসীসেবার মান উন্নত করা সম্ভব।” এম এ রউফ আরও বলেন, “আমরা ক্ষমতার অংশীদারত্বের চেয়ে দায়িত্বের অংশীদারত্বকে বেশি গুরুত্ব দিতে চাই। সরকার আমাদের সহযোগিতার সুযোগ দিলে আমরা সততা, নিষ্ঠা ও দেশপ্রেমের সঙ্গে সেই দায়িত্ব পালনে প্রস্তুত।” প্রবাসীদের মতামত সংগ্রহের উদ্যোগ সভায় বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বসবাসরত বাংলাদেশিদের মতামত গ্রহণের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। এ লক্ষ্যে জনমত জরিপ পরিচালনা, প্রবাসী সংগঠনগুলোর মতামত সংগ্রহ এবং তাঁদের বাস্তব অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে একটি বিস্তারিত প্রস্তাবনা তৈরির উদ্যোগ নেওয়ার বিষয়ে আলোচনা হয়। সংগঠনটি প্রবাসীদের মতামত ও অভিজ্ঞতা সংকলন করে সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রস্তাব উপস্থাপন করতে আগ্রহ প্রকাশ করে। “আমরা বাংলাদেশের বোঝা নই, বাংলাদেশের উন্নয়নের অংশীদার” সমাপনী বক্তব্যে অ্যাডভোকেট এ এন এম ঈসা বলেন, “প্রবাসীরা বাংলাদেশের বাইরে থাকলেও তাঁদের হৃদয় বাংলাদেশের মাটিতে। তাঁদের পরিবার বাংলাদেশে, আত্মীয়স্বজন বাংলাদেশে, শিকড় বাংলাদেশে। বাংলাদেশের উন্নতি তাঁদের আনন্দ দেয়, আর দেশের সংকট তাঁদের উদ্বিগ্ন করে।” তিনি আরও বলেন, “আমরা এমন একটি বাংলাদেশ দেখতে চাই, যেখানে প্রবাসীদের মর্যাদা থাকবে, তাঁদের অধিকার সুরক্ষিত থাকবে এবং তাঁদের অভিজ্ঞতা জাতীয় উন্নয়নে কাজে লাগানো হবে।
আমরা বাংলাদেশের বোঝা নই, বাংলাদেশের উন্নয়নের অংশীদার। আমরা সরকারের প্রতিপক্ষ নই, সরকারের সহযোগী হতে চাই। আমরা ক্ষমতা নয়, দায়িত্ব চাই। আমরা বিশেষ সুবিধা নয়, ন্যায্য অধিকার চাই। আমরা ব্যক্তিস্বার্থ নয়, দেশের কল্যাণ চাই। প্রবাসীদের জন্য যে মন্ত্রণালয়, সেই মন্ত্রণালয়ের নীতিনির্ধারণে প্রবাসীদের কার্যকর অংশগ্রহণ নিশ্চিত হোক—এটাই আমাদের প্রস্তাব।” প্রচার ও প্রকাশনায়:
আন্তর্জাতিক রেমিট্যান্স যোদ্ধা সংসদ International Remittance Juddah Shonshod প্রকাশের আগে কয়েকটি বিষয় নিশ্চিত করা প্রয়োজন: ১. সভার তারিখ ২৩ অক্টোবর ২০২৬ এবং প্রকাশের তারিখ ২. অক্টোবর ২০২৬ রাখা হয়েছে। ২. আপনার দেওয়া তালিকায় অনেক সদস্যের নাম রয়েছে। তাঁদের সবাই সভায় উপস্থিত ছিলেন কি না, তা নিশ্চিত না হওয়ায় মূল সংবাদে সবার নাম যুক্ত করা হয়নি।
৩. সাতটি প্রস্তাবের মধ্যে সপ্তমটি ছয় দফা দাবি বাস্তবায়নসংক্রান্ত। মূল ছয় দফা দাবির তালিকা সংযুক্ত করলে সংবাদটি আরও তথ্যসমৃদ্ধ হবে।।৪. অফিসিয়াল নোটিশের অংশটি আলাদা করে দেওয়া প্রয়োজন। সেটি কি একই সংগঠনের পরবর্তী ভার্চুয়াল সভার নোটিশ, নাকি এই সভায় অংশগ্রহণকারীদের পূর্ণাঙ্গ তালিকা? বিষয়টি নিশ্চিত হলে আলাদা নোটিশ হিসেবে সাজানো যাবে। সভাপতি: অ্যাডভোকেট এ এন এম ঈসা (লন্ডন)। প্রধান অতিথি: তাজ উদ্দীন (লন্ডন)। প্রধান বক্তা: ফারুক আহমেদ চৌধুরী (যুক্তরাজ্য)। উদ্বোধনী বক্তব্য: আলহাজ্ব ডক্টর শরিফ সাকি (বাংলাদেশ)। বিশেষ অতিথি: অবসরপ্রাপ্ত ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ড. মো. নাসিমুল গণি (বাংলাদেশ সেনাবাহিনী), বীর মুক্তিযোদ্ধা মুজিবুর রহমান (ফ্রান্স), ড. মনিরুজ্জামান ভূঁইয়া (লন্ডন), জিলা (বাংলাদেশ, ফেনী), মেজর ইমরান মিয়া (বাংলাদেশ), আলী নবাব খোকন (বাংলাদেশ), মির্জা সুমন (ফ্রান্স), জালাল উদ্দীন (ফ্রান্স), হাকিকুল ইসলাম খোকন (আমেরিকা), হাজী আনোয়ার হোসেন (আমেরিকা), শাহিন তালুকদার (দুবাই), হেলাল উদ্দীন (কাতার), আরব আলী (কুয়েত), মোহাম্মদ মুস্তাদিক মিয়া মানিক (লন্ডন), সৈয়দ খালিদ মিয়া অলিদ (লন্ডন), কবির আহমেদ মাসুম (লন্ডন), এস এম আব্দুস সাত্তার (বাংলাদেশ), মোহাম্মদ আব্দুল ওয়াহাব রিংকে (বাংলাদেশ), মোহাম্মদ ফজলুল হক (বাংলাদেশ), মোহাম্মদ ফজলুল করিম শেখ (বাংলাদেশ), অ্যাডভোকেট তাজুল ইসলাম (বাংলাদেশ), অ্যাডভোকেট মীর সিরাজ (বাংলাদেশ), বিদ্যুৎ (বাংলাদেশ), শাহিদা পারভীন রত্না (বাংলাদেশ), নাসরিন আক্তার তরফদার (বাংলাদেশ), ইসমাইল খান (বাংলাদেশ), লায়ন আব্দুল কাদির জিলানী (বাংলাদেশ), হালিম রাজ (বাংলাদেশ), মোহাম্মদ হারুনুর রশিদ (বাংলাদেশ), লায়ন মোহাম্মদ আজম খান (বাংলাদেশ), আহমেদ শাকি (বাংলাদেশ), ড. মালেক ফরাজি (ফ্রান্স), মোহাম্মদ আবুল খায়ের (বাংলাদেশ), হেলাল খান (বাংলাদেশ), কর্নেল ফেরদৌস আজিজ (বাংলাদেশ), এম এ মালেক খান (বাংলাদেশ), সোহান মিয়া (আমেরিকা), মোস্তাফিজুর রহমান রিপন (বাংলাদেশ), আক্তার মিয়া (বাংলাদেশ), মোহাম্মদ আব্দুল কাইয়ুম (বাংলাদেশ), ড. মোস্তাফিজুর রহমান ইরান (বাংলাদেশ), মাহমুদুর রহমান মান্না (বাংলাদেশ), রিয়াজ আবু সাঈদ (ইতালি), দিদার সরদার (হংকং), মোহাম্মদ আবুল হোসেন সরদার (অস্ট্রেলিয়া), আব্দুল্লাহ ইউসুফ (অস্ট্রেলিয়া), আবু তাহের চৌধুরী (যুক্তরাজ্য), আবুল বাসার (বাংলাদেশ), নাজনীন রহমান রাজন, রেজা নবী (আমেরিকা), রেজা লতিফ (কানাডা), রিপন (কানাডা), আব্দুল হামিদ (সৌদি আরব), হাফিজ মিয়া (ওমান), ক্লিনটন হাওলাদার পাভেল (আমেরিকা), আমির হোসেন (সিঙ্গাপুর), ড. সোহেল (লন্ডন), কর্নেল মোহাম্মদ আব্দুল হক (বাংলাদেশ), তুষার আহমেদ (লন্ডন), হীরা মিয়া (সুইডেন), মোহাম্মদ লোকন মিয়া (আমেরিকা), অ্যাডভোকেট হাসান মোহাম্মদ (বাংলাদেশ), আশরাফুল কবির আসিফ (আজকের খবর, বাংলাদেশ), জান্নাতুল নাঈম চৌধুরী রিকু (বাংলাদেশ), হাসিনা মমতাজ (প্রধান শিক্ষক, বাংলাদেশ), মো. নাজমুল হক ভূঁইয়া (সৌদি আরব), রিমন হোসেন (সৌদি আরব), এনাম মিয়া (লন্ডন), মহারাজ মিয়া (দুবাই), কাজী মোকলিস (মালদ্বীপ), শাহজাহান মিয়া (কাতার), শাহজাহান খান (বাহরাইন), কামাল মিয়া (ওমান), লুৎফুর রহমান (লন্ডন), ইকবাল তালুকদার (লন্ডন), আব্দুল হামিদ মিয়া (সৌদি আরব), শুভ মীর (সৌদি আরব), মো. সজীব (সৌদি আরব), মো. সাব্বির হোসেন (সৌদি আরব), মো. রবিউস সানী (সৌদি আরব), মো. মামুন মোল্লা (সৌদি আরব), মীর আশরাফ (আমেরিকা), জামাল মোস্তফা (সুইডেন), রহিম মিয়া (স্পেন), মো. আবুল খায়ের (সিঙ্গাপুর), এডভোকেট আবেদ রাজা (বাংলাদেশ), কামাল হোসেন (আইল্যান্ড), জাহাঙ্গীর আলম (নেপাল), সিরাজ খান (পাকিস্তান), রহিম মিয়া (চীন), শাহাদাৎ হোসেন (পোল্যান্ড), মোহাম্মদ আজাদ রহমান (লন্ডন), কাওসার আহমেদ (অস্ট্রেলিয়া), ব্যারিস্টার জাহাঙ্গীর (লন্ডন), অ্যাডভোকেট এনাম মিয়া (লন্ডন), শাহাজান মিয়া (আইল্যান্ড), শেখ ফরিদ (অস্ট্রেলিয়া), নুরুল হুদা (বাংলাদেশ), মনিরুজ্জামান (বাংলাদেশ), এনামুল কবির লিটু (বাংলাদেশ), মো. এনাম চৌধুরী খোকন (লন্ডন), হোসেন আহমেদ ইনসাফ (লন্ডন), হাবিবুর রহমান রানা (লন্ডন), আলী নবাব খান খোকন (বাংলাদেশ), জগলু আহমেদ চৌধুরী (যুক্তরাজ্য), মুজিবুর রহমান মধু (যুক্তরাজ্য), আব্দুস সালাম রাজা (যুক্তরাজ্য), রফিক উদ্দিন চৌধুরী (যুক্তরাজ্য), আরমান (ইতালি), আকাশ দেওয়ান (বাংলাদেশ), হামিদুল ইসলাম (বাংলাদেশ), নাজাকির হোসেন (বাংলাদেশ), ইউসুফ আলী (বাংলাদেশ), কাপ্তান মিয়া (লন্ডন), সাইদুল করিম শেখ (বাংলাদেশ), মেজর আখতারুজ্জামান (বাংলাদেশ), মোহাম্মদ হোসেন আহমেদ ইনসাফ (লন্ডন)। নারী সদস্য ও সংশ্লিষ্টদের নাম: নাসরিন আক্তার তরফদার, লায়ন শাহিদা পারভীন রত্না, বিনা ঈসা, নারগিস আক্তার, ইয়ামিন রহমান বকুল, নাজনীন রহমান রাজন, ইয়ামিন আক্তার রুমন, লাবনী আনোয়ার, শাহেনা হক, কোহিনূর হ্যাপি, আবেদা সুলতানা, আলহাজ্ব রোমেনা আক্তার, হাসিনা মমতাজ, আলেয়া বেগম, মিসেস সবুজা খাতুন, মিসেস লিলুপা জাহান লিলু, হাসিনা বেগম সাথী, নোভা, ইসরাত জাহান রিপা, রিপা আক্তার, সৈয়দ তানজনা নাহার কাজল, রানিছা রউফ, মহিশা রউফ, নুরনাহার, মোহন তরফদার, আসাদ টাকুর, সাইদুর রহমান (লন্ডন), আবু তারেক আনোয়ার (আমেরিকা), রেশমা জাহান, লিলা শেখ, জি কে জাপর উল্লা (আমেরিকা)।
দ্রষ্টব্য: মূল তালিকায় কয়েকটি নাম একাধিকবার এসেছে এবং কিছু নামের বানান বা পরিচয় অসম্পূর্ণ। প্রকাশের আগে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের নাম ও পদবি যাচাই করে নেওয়া ভালো হবে।