অফিস ডেস্ক:-
অধিকার বঞ্চিত মানুষের পক্ষে দীর্ঘদিন ধরে সোচ্চার ভূমিকা পালন করে আসছেন অ্যাডভোকেট এ এন এম ঈসা। বিভিন্ন সামাজিক, জাতীয় ও প্রবাসী অধিকারভিত্তিক আন্দোলনে সম্পৃক্ত থাকার কারণে তিনি সমর্থকদের কাছে একজন পরিচিত অধিকারকর্মী ও সমাজচিন্তক হিসেবে পরিচিত।
তাঁর অনুসারীদের মতে, পাস কোর্স শিক্ষার্থীদের ন্যায্য দাবি আদায়ে গঠিত “পাস কোর্স ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ”-এর উদ্যোক্তা হিসেবে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। এছাড়া প্রবাসীদের ভোটাধিকার নিশ্চিতকরণ, প্রবাসী কল্যাণ এবং বিভিন্ন জাতীয় ইস্যুতে তিনি দীর্ঘদিন ধরে সক্রিয় রয়েছেন।
প্রবাসীদের অধিকার রক্ষার প্রশ্নে ঢাকা বিমানবন্দরে যুক্তরাজ্য প্রবাসী সুরত হত্যাকাণ্ডের বিচার দাবিতে আন্দোলন গড়ে তোলার ক্ষেত্রেও তাঁর ভূমিকার কথা উল্লেখ করেন তাঁর সহযোদ্ধারা। তাদের দাবি, তিনি দেশে-বিদেশে জনমত গঠন এবং বিচার প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত করার লক্ষ্যে কাজ করেছেন।
পরিবেশ ও নদী রক্ষার বিষয়েও তিনি সক্রিয় ছিলেন বলে জানা যায়। টিপাইমুখ বাঁধ প্রকল্পের বিরুদ্ধে জনমত গঠনে তিনি দেশ-বিদেশে বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনা করেন বলে তাঁর অনুসারীরা উল্লেখ করেন।
সামাজিক ও মানবিক দর্শনের ক্ষেত্রেও অ্যাডভোকেট এ এন এম ঈসা বিভিন্ন চিন্তাধারা তুলে ধরেছেন। তাঁর প্রবর্তিত “তোআ-আতো” দর্শন, “৫১-৪৯ স্বার্থপরতা দর্শন”, “দুই বেলা খাদ্য নিশ্চয়তা” এবং “আন্তর্জাতিক তওবা কমিশন” ধারণা নিয়ে বিভিন্ন মহলে আলোচনা রয়েছে। তাঁর মতে, ন্যায়বিচার, মানবিকতা, আত্মশুদ্ধি এবং অন্যের অধিকারকে সম্মান করার মধ্য দিয়েই একটি শান্তিপূর্ণ সমাজ প্রতিষ্ঠা সম্ভব।
এছাড়া তিনি “আন্তর্জাতিক দেশবন্ধু রেমিটেন্স যোদ্ধা সংসদ”-এর প্রতিষ্ঠাতা হিসেবে প্রবাসী কর্মীদের সামাজিক নিরাপত্তা, কল্যাণ এবং মর্যাদা নিশ্চিত করার দাবিতে কাজ করে যাচ্ছেন।
সমর্থকদের ভাষ্য অনুযায়ী, মানুষের জন্য দীর্ঘদিনের অবদান, প্রবাসী অধিকার এবং জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডের স্বীকৃতিস্বরূপ ২০১৩ সালে যুক্তরাজ্যভিত্তিক বাংলাদেশ প্রজন্ম ইউকে তাঁকে “দেশবন্ধু” উপাধিতে ভূষিত করে।
অ্যাডভোকেট এ এন এম ঈসার অনুসারীরা মনে করেন, অধিকার বঞ্চিত মানুষের পক্ষে তাঁর দীর্ঘদিনের কর্মকাণ্ড ভবিষ্যতেও সমাজে ন্যায়বিচার, মানবিকতা ও সচেতনতা প্রতিষ্ঠায় অনুপ্রেরণা জোগাবে।