অফিস ডেস্ক :
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে কুমিল্লা-৮, পটুয়াখালী-১ ও শরীয়তপুর-২—এই তিনটি আসনের ভোট স্থগিতের দাবি জানিয়েছে জামায়াতে ইসলামী। দলটির অভিযোগ, এসব আসনে প্রার্থীদের ওপর হামলা, এজেন্টদের কেন্দ্র থেকে বের করে দেওয়া এবং ভোটারদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ভোটগ্রহণ ব্যাহত করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (তারিখ উল্লেখযোগ্য হলে যোগ করা যাবে) বিকেলে জামায়াতের একটি প্রতিনিধি দল রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন কমিশন (ইসি) ভবনে গিয়ে ইসির জ্যেষ্ঠ সচিব আখতার আহমেদের সঙ্গে বৈঠক করে। বৈঠক শেষে জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মোয়াজ্জেম হোসেন হেলাল সাংবাদিকদের জানান, অনিয়ম ও সহিংসতার অভিযোগে উল্লিখিত তিনটি আসনের ভোট স্থগিত করে পুনরায় ভোটগ্রহণের দাবি জানানো হয়েছে।
তিনি বলেন, কুমিল্লা-৮, পটুয়াখালী-১ ও শরীয়তপুর-২ আসনের কয়েকটি কেন্দ্রে পরিকল্পিতভাবে ভোটগ্রহণে বাধা দেওয়া হয়েছে। এজেন্টদের মারধর ও কেন্দ্র থেকে বের করে দেওয়া হয়েছে, পাশাপাশি ভোটারদের হুমকি দেওয়া হয়েছে। এসব অনিয়মের প্রমাণ হিসেবে নির্বাচন কমিশনের কাছে শতাধিক ভিডিও ফুটেজ ও সংশ্লিষ্ট লিংক জমা দেওয়া হয়েছে।
কুমিল্লা-৮ (বরুড়া উপজেলা) আসনে জামায়াতের প্রার্থী শফিকুল আলম হেলাল। এ আসনে বিএনপির প্রার্থী জাকারিয়া তাহের, জাতীয় পার্টির এইচ এম এম ইরফান এবং ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের গোলাম ছাদেক প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। পটুয়াখালী-১ আসনে জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী হিসেবে এবি পার্টির মোহাম্মদ আব্দুল ওহাব এবং বিএনপির আলতাফ হোসেন চৌধুরী প্রতিদ্বন্দ্বিতায় রয়েছেন। শরীয়তপুর-২ আসনে জামায়াতের প্রার্থী মাহমুদ হোসেন এবং বিএনপির সফিকুর রহমান কিরন নির্বাচন করছেন।
মোয়াজ্জেম হোসেন আরও জানান, কেবল এই তিন আসন নয়—নরসিংদী, নোয়াখালী ও ঝালকাঠির বিভিন্ন কেন্দ্রেও অনিয়মের অভিযোগ নির্বাচন কমিশনের নজরে আনা হয়েছে।