অফিস ডেস্ক :
নড়াইল সদর উপজেলায় পৃথক দুই দুর্ঘটনায় মা–ছেলেসহ তিনজনের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে।
শনিবার (২৫ এপ্রিল) দুপুরে উপজেলার বরাশুলা এলাকায় চিত্রা নদীর রেল সেতু সংলগ্ন রেললাইনে ট্রেনে কাটা পড়ে পলি বেগম (২৫) নামের এক গৃহবধূ ঘটনাস্থলেই নিহত হন। এ সময় তার কোলে থাকা দুই বছর বয়সী শিশু ফুরকান ভূঁইয়া গুরুতর আহত হলে স্থানীয়রা দ্রুত নড়াইল জেলা হাসপাতাল এ নিয়ে যান। সেখানে জরুরি বিভাগের চিকিৎসক শিশুটিকে মৃত ঘোষণা করেন।
নিহত পলি বেগম সদর উপজেলার মুলদাইড় গ্রামের শ্রমিক নুর ইসলাম ভূঁইয়ার স্ত্রী এবং ফুরকান তাদের ছেলে। স্থানীয়দের ভাষ্য, ট্রেনটি ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা বেনাপোলগামী রূপসী বাংলা এক্সপ্রেস ছিল। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, ঘটনাটি আত্মহত্যা হতে পারে।
নড়াইল সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. অলি মিয়া জানান, মরদেহ দুটি হাসপাতাল মর্গে রাখা হয়েছে। ঘটনাস্থল রেলওয়ের আওতাভুক্ত হওয়ায় রেলওয়ে পুলিশকে অবহিত করা হয়েছে; তারা আইনগত ব্যবস্থা নেবে।
এর আগে শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে নড়াইল–মাগুরা সড়কের মহিলা কলেজ সংলগ্ন এলাকায় অটোভ্যানের সঙ্গে গরু বোঝাই নসিমনের মুখোমুখি সংঘর্ষে মো. জামিরুল খাঁ (৫০) নামের এক নসিমন চালক নিহত হন। তিনি সদর উপজেলার আউড়িয়া ইউনিয়নের বুড়িখালি গ্রামের খোকা খাঁর ছেলে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, মাইজপাড়া পশুর হাট থেকে গরু বোঝাই করে শহরের দিকে আসার পথে দুর্ঘটনাটি ঘটে। গুরুতর আহত জামিরুল খাঁকে উদ্ধার করে নড়াইল জেলা হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
ওসি মো. অলি মিয়া বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ হাসপাতালে ও ঘটনাস্থলে যায়। আইনগত প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হবে।