সাপ্তাহিক দুই দিন ছুটি নেওয়া মানেই দায়িত্বে অবহেলা করা নয়—বরং একজন কর্মীর শারীরিক ও মানসিক সতেজতা, পারিবারিক দায়িত্ব এবং কর্মজীবনের ভারসাম্য বজায় রাখার জন্য নির্ধারিত ছুটি গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করেন দেশপ্রেমিক এম এ রউফ। বিষয়টি কয়েকটি যৌক্তিক দৃষ্টিকোণ থেকে দেখা যেতে পারে বলে উল্লেখ করে এম এ রউফ বলেন, একজন মানুষ রোবট নন। একটানা কাজ করতে থাকলে ধীরে ধীরে কর্মীর উৎপাদনশীলতা ও কাজের মান কমে যেতে পারে। নির্ধারিত দুই দিনের ছুটি একজন কর্মীকে মানসিক ও শারীরিকভাবে পুনরুজ্জীবিত হওয়ার সুযোগ দেয়। ফলে কর্মদিবসে তিনি নতুন উদ্যমে ও মনোযোগের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করতে পারেন।
দায়িত্বশীল একজন মানুষের শুধু কর্মক্ষেত্রের প্রতিই নয়, পরিবার, সমাজ এবং নিজের স্বাস্থ্যের প্রতিও দায়িত্ব রয়েছে। ছুটির দিনগুলো এসব দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি ব্যক্তিগত জীবনকে গুছিয়ে নেওয়ার সুযোগ সৃষ্টি করে। এম এ রউফের বক্তব্য অনুযায়ী, কর্মজীবন ও ব্যক্তিজীবনের মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখতে পারলে একজন ব্যক্তি দীর্ঘমেয়াদে কর্মক্ষেত্রেও আরও মনোযোগী ও দায়িত্বশীলভাবে কাজ করার সুযোগ পান।
অতিরিক্ত কাজের চাপের কারণে কর্মীরা দীর্ঘমেয়াদে শারীরিক ও মানসিক ক্লান্তিতে ভুগতে পারেন, যাকে সাধারণভাবে ‘বার্নআউট’ বলা হয়। নিয়মিত বিশ্রাম ও ছুটি কর্মীদের অতিরিক্ত চাপ থেকে পুনরুদ্ধারের সুযোগ দিতে পারে। এ কারণে কর্মীর দায়িত্বশীলতা মূল্যায়নের ক্ষেত্রে শুধু তিনি কর্মক্ষেত্রে কত ঘণ্টা সময় কাটিয়েছেন, সেটিকে একমাত্র মাপকাঠি না করে তাঁর কাজের ফলাফল, সময়ানুবর্তিতা, দক্ষতা এবং কাজের গুণগত মানকেও গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন বলে মত প্রকাশ করা হয়েছে।
যোগাযোগ: 0097466958035
ই-মেইল: roufnasrin@gmail.com