আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ
বাংলাদেশে রাজনৈতিক ও জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ দাবি আদায়ের ক্ষেত্রে শান্তিপূর্ণ, গণতান্ত্রিক ও জনসম্পৃক্ত গণস্বাক্ষর আন্দোলন চালুর আহ্বান জানানো হয়েছে। গণস্বাক্ষর আন্দোলনের প্রতিষ্ঠাতা ও সূচনাকারী হিসেবে অ্যাডভোকেট এ. এন. এম. ঈসা-এর নাম উল্লেখ করে আয়োজকদের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, কথায় কথায় অবরোধ, রাস্তা বন্ধ, যানবাহনে অগ্নিসংযোগ ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড দেশের উন্নয়ন, অর্থনীতি এবং জননিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি। প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, রাজনৈতিক দাবি আদায়ের নামে সাধারণ মানুষের জীবন ও সম্পদ বিপন্ন করা কোনো গণতান্ত্রিক আন্দোলনের ভাষা হতে পারে না। বাংলাদেশকে ধ্বংসাত্মক রাজনৈতিক সংস্কৃতি থেকে বের করে আনতে শান্তিপূর্ণ ও গণতান্ত্রিক গণস্বাক্ষর আন্দোলন চালু করা প্রয়োজন।
আয়োজকদের প্রস্তাব অনুযায়ী, জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ কোনো দাবি নির্ধারিত সংখ্যক নাগরিকের স্বাক্ষর অর্জন করলে সেই দাবি জাতীয় সংসদে বাধ্যতামূলকভাবে আলোচনার ব্যবস্থা করা যেতে পারে। এতে রাজনৈতিক দল ও বিভিন্ন সংগঠন আগুন, ভাঙচুর কিংবা রাস্তা বন্ধের পরিবর্তে জনগণের কাছে গিয়ে তাদের দাবির পক্ষে সমর্থন সংগ্রহ করবে। এর মাধ্যমে প্রকৃত জনমত প্রতিফলিত হবে এবং সহিংস রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের পরিবর্তে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া শক্তিশালী হবে বলে আয়োজকদের প্রত্যাশা।
আয়োজকদের আহ্বান, রাস্তা বন্ধ নয়—স্বাক্ষর সংগ্রহ করুন।
অগ্নিসংযোগ নয়—সংসদে আলোচনা করুন। সন্ত্রাস নয়—জনমতের মাধ্যমে দাবি প্রতিষ্ঠা করুন। গণস্বাক্ষর আন্দোলনের উদ্যোগ ও নেতৃত্ব গণস্বাক্ষর আন্দোলনের প্রতিষ্ঠাতা, উদ্যোক্তা ও সংগঠক হিসেবে এম এ রউফ দেশপ্রেমিক-এর নাম উল্লেখ করা হয়েছে। যোগাযোগের জন্য দেওয়া হয়েছে: roufnasrin@gmail.com, ফোন: ০৯৭৪৬৬৯৫৮৩৫।
প্রতিষ্ঠাতা আহ্বায়ক ও সভাপতি এডভোকেট এ. এন. এম. ঈসা, লন্ডন; প্রধান অতিথি তাজ উদদীন, লন্ডন; প্রধান বক্তা ফারুক আহমেদ চৌধুরী, ইউকে; উদ্বোধনী বক্তব্য রাখবেন আলহাজ্ব ডক্টর শরিফ সাকি, বাংলাদেশ।
বিশেষ অতিথি হিসেবে রয়েছেন অবসরপ্রাপ্ত ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ড. মো. নাসিমুল গনি, বাংলাদেশ সেনাবাহিনী, বাংলাদেশ; বীর মুক্তিযোদ্ধা মূজিবূর রহমান, ফ্রান্স; ডক্টর মনিরুজ্জামান ভূঁইয়া, লন্ডন; মেজর ইমরান মিয়া, বাংলাদেশ; আলী নবাব খোকন, বাংলাদেশ; মির্জা সুমন, ফ্রান্স; জালাল উদ্দীন, ফ্রান্স; হাকিকূল ইসলাম খোকন, আমেরিকা; হাজী আনোয়ার হোসেন, আমেরিকা; শাহিন তালুকদার, দুবাই; হেলাল উদ্দীন, কাতার; আরব আলী, কুয়েত; মোহাম্মদ মুস্তাদিক মিয়া মানিক, লন্ডন; সৈয়দ খালিদ মিয়া অলিদ, লন্ডন; কবির আহমেদ মাসূম, লন্ডন; এস এম আঃ সাত্তার, বাংলাদেশ; মোহাম্মদ আব্দুল ওয়াহাব রিংকো, বাংলাদেশ; মোহাম্মদ ফজলুল হক, বাংলাদেশ; মোহাম্মদ ফজলুল করিম শেখ, বাংলাদেশ; এডভোকেট তাজুল ইসলাম, বাংলাদেশ; এডভোকেট মির সিরাজ, বাংলাদেশ; বিদ্যুৎ, বাংলাদেশ; শাহিদা পারভীন রত্না, বাংলাদেশ; নাসরিন আক্তার তরফদার, বাংলাদেশ; ইসমাইল খান, বাংলাদেশ; লায়ন আঃ কাদির জিলানী, বাংলাদেশ; হালিম রাজ, বাংলাদেশ; মোহাম্মদ হারুনুর রশিদ, বাংলাদেশ; লায়ন মোহাম্মদ আজম খান, বাংলাদেশ; আহমেদ শাকি, বাংলাদেশ; ডক্টর মালেক ফরাজি, ফ্রান্স; মোহাম্মদ আবূল খায়ের, বাংলাদেশ; হেলাল খান, বাংলাদেশ; কর্নেল ফেরদৌস আজিজ, বাংলাদেশ; এম এ মালেক খান, বাংলাদেশ; সোহান মিয়া, আমেরিকা; মোস্তাফিজুর রহমান রিপন, বাংলাদেশ; আক্তার মিয়া, বাংলাদেশ; মোহাম্মদ আব্দুল কাইয়ুম, বাংলাদেশ; ডঃ মুস্তাফিজুর রহমান, ইরান-বাংলাদেশ; মাহমুদুর রহমান মান্না, বাংলাদেশ; রিয়াজ আবু সাইদ, ইতালি; দিদার সরদার, হংকং; মোহাম্মদ আবূল হোসেন সরদার, অস্ট্রেলিয়া; আব্দুল্লাহ ইউসুফ, অস্ট্রেলিয়া; আবূ তাহের চৌধুরী, ইউকে; আবূল বাসার, বাংলাদেশ; নাজনীন রহমান রাজন; রেজা নবী, আমেরিকা; রেজা লতিফ, কানাডা; রিপন, কানাডা; আঃ হামিদ, সৌদি আরব; হাপিজ মিয়া, ওমান; ক্লিনটন হাওলাদার পাভেল, আমেরিকা; আমির হোসেন, সিঙ্গাপুর; ডক্টর সোহেল, লন্ডন; মোহাম্মদ হারুন রশীদ, বাংলাদেশ; কর্নেল মোহাম্মদ আব্দুল হক; তুষার আহমেদ, লন্ডন; হিরা মিয়া, সুইডেন; মোহাম্মদ লোকন মিয়া, আমেরিকা; এডভোকেট হাসান মোহাম্মদ, বাংলাদেশ; আশরাফুল কবির আসিফ, আজকের খবর, বাংলাদেশ; জান্নাতুল নায়েম চৌধুরী রিকূ, বাংলাদেশ; হাসিনা মমতাজ, হেডমাস্টার, বাংলাদেশ; মোঃ নাজমুল হক ভুঁইয়া, সৌদি আরব; রিমন হোসেন, সৌদি আরব; সৈয়দ খালেদ মিয়া অলিদ, লন্ডন; এনাম মিয়া, লন্ডন; মাহারাজ মিয়া, দুবাই; কাজী মোকলিস, মালদ্বীপ; শাহাজান মিয়া, কাতার; শাহাজান খান, বাহরাইন; কামাল মিয়া, ওমান; লুৎফুর রহমান, লন্ডন; ইকবাল তালুকদার, লন্ডন; আঃ হামিদ মিয়া, সৌদি আরব; শুভ মীর, সৌদি আরব; মো: সজীব, সৌদি আরব; মো: সাব্বির হোসেন, সৌদি আরব; মো: রবিউস সানী, সৌদি আরব; মো: মামুন মোল্লা, সৌদি আরব; মীর আশরাফ, আমেরিকা; জামাল মোস্তফা, সুইডেন; রহিম মিয়া, স্পেন; মোঃ আবূল খায়ের, সিঙ্গাপুর; রিপন মিয়া, কানাডা; এডভোকেট আবেদ রাজা, বাংলাদেশ; কামাল হোসেন, আইল্যান্ড; জাহাঙ্গীর আলম, নেপাল; সিরাজ খান, পাকিস্তান; রহিম মিয়া, চায়না; শাহাদাৎ হোসেন, পোল্যান্ড; মোহাম্মদ আজাদ রহমান, লন্ডন; কাওসার আহমেদ, অস্ট্রেলিয়া; ব্যারিস্টার জাহাঙ্গীর, লন্ডন; এডভোকেট এনাম মিয়া, লন্ডন; সাহাজান মিয়া, আইল্যান্ড; শেখ ফরিদ, অস্ট্রেলিয়া; নুরুল হুদ, বাংলাদেশ; মনিরুজ্জামান, বাংলাদেশ; এনামূল কবির লিটু, বাংলাদেশ; মোঃ এনাম চৌধুরী খোকন, লন্ডন; হোসেন আহমেদ ইনসাফ, লন্ডন; হাবিবুর রহমান রানা, লন্ডন; আলী নবাব খান খোকন, বাংলাদেশ; জগলূ আহমেদ চৌধুরী, ইউকে; মূজিবর রহমান মধূ, ইউকে; আব্দুস সালাম রাজা, ইউকে; রফিক উদ্দিন চৌধুরী, ইউকে; আরমান, ইতালি; আকাশ দেওয়ান, বাংলাদেশ; হামিদুল ইসলাম, বাংলাদেশ; নজাকির হোসেন, বাংলাদেশ; ইউসুফ আলী, বাংলাদেশ; কাপ্তান মিয়া, লন্ডন; সাইদূল করিম শেখ, বাংলাদেশ; মোঃ ফজলুল করিম, বাংলাদেশ; ডঃ মোস্তাফিজুর রহমান, ইরান-বাংলাদেশ; মেজর আখতারুজ্জামান, বাংলাদেশ; নাসরিন আক্তার তরফদার রউফ; লায়ন শাহিদা পারভীন রত্না; বিনা ঈসা; নারগিস আক্তার; ইয়ামিন রহমান বকূল; ইয়ামিন আক্তার রুমন, বাংলাদেশ; লাবনী আনোয়ার, বাংলাদেশ; শাহেনা হক, বাংলাদেশ; কোহিনূর হ্যাপি, বাংলাদেশ; আবেদা সুলতানা, বাংলাদেশ; আলহাজ্ব রোমেনা আক্তার; হাসিনা মমতাজ, বাংলাদেশ; আলেয়া বেগম, বাংলাদেশ; মিসেস সবূজা খাতুন, বাংলাদেশ; মিসেস লিলূপা জাহান লিলূ; হাসিনা বেগম সাথী; নোভা; ইসরাত জাহান রিপা; রিপা আক্তার; সৈয়দ তানজনা নাহার কাজল; রানিছা রউফ; মহিশা রউফ; নুরনাহার, বাংলাদেশ; মোহন তরফদার, বাংলাদেশ; আসাদ টাকূর, বাংলাদেশ; সাইদূর রহমান, লন্ডন এবং আবূ তারেক আনোয়ার, আমেরিকা।
প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, গণস্বাক্ষরভিত্তিক গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠিত হলে জনগণের মতামতকে রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়ায় আরও কার্যকরভাবে যুক্ত করা সম্ভব হবে। একই সঙ্গে রাজনৈতিক দল, সামাজিক সংগঠন ও নাগরিকদের মধ্যে শান্তিপূর্ণভাবে দাবি উপস্থাপন এবং জনসমর্থন অর্জনের সংস্কৃতি গড়ে উঠতে পারে।
আয়োজকদের পক্ষ থেকে দেশের নাগরিক, রাজনৈতিক দল, সামাজিক সংগঠন, প্রবাসী বাংলাদেশি এবং সচেতন মহলের প্রতি শান্তিপূর্ণ গণতান্ত্রিক আন্দোলনের পক্ষে এগিয়ে আসার আহ্বান জানানো হয়েছে।