কুমিল্লা প্রতিনিধিঃ
কুমিল্লার বাগিচাগাঁও এলাকার ‘আংকুর আয়েশানুর গার্ডেন’ প্রকল্পের একটি ফ্ল্যাট (৭/এ নম্বর) নিয়ে দীর্ঘদিনের বিরোধ নিষ্পত্তির জন্য ১৬ লাখ টাকার সমঝোতা হলেও এখনো ৬ লাখ টাকা বকেয়া রয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। মো. সাইফুল আলম নামের এক ব্যক্তি এই আর্থিক পাওনা ও দীর্ঘসূত্রতার অভিযোগ তুলেছেন। সংশ্লিষ্ট লিখিত বিবরণ সূত্রে জানা যায়, ফ্ল্যাট সংক্রান্ত বিরোধের শুরুতে ১৮ লাখ টাকা পাওনার দাবি করা হয়েছিল। পরবর্তীতে মধ্যস্থতার মাধ্যমে তা কমিয়ে ১৬ লাখ টাকায় সমঝোতা হয়। উক্ত সমঝোতা আলোচনায় মো. তারিকুল ইসলামের মধ্যস্থতার বিষয়টিও উঠে এসেছে। এছাড়া লিখিত বিবরণে ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ তারিখটিকে এই সমঝোতার সিদ্ধান্ত বা বাস্তবায়নের সময়সীমা হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। অভিযোগকারী মো. সাইফুল আলমের দাবি, সমঝোতার শর্ত অনুযায়ী ১০ লাখ টাকা পরিশোধ করা হলেও অবশিষ্ট ৬ লাখ টাকা তিনি এখনো বুঝে পাননি। তাঁর প্রত্যাশা, দ্রুত বকেয়া অর্থ পরিশোধের মাধ্যমে দীর্ঘদিনের এই ফ্ল্যাট সংক্রান্ত বিরোধের একটি স্থায়ী নিষ্পত্তি হবে। এদিকে, এই বিরোধ নিষ্পত্তির বিষয়ে আলোচনার সময় মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজের প্রিন্সিপাল (অবসরপ্রাপ্ত লেফটেন্যান্ট কর্নেল) মো. আনোয়ারুল ইসলাম খানের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগের প্রসঙ্গও লিখিত বিবরণে এসেছে। এতে বলা হয়, বিরোধের সমাধান নিয়ে তাঁর কাছে পরামর্শ চাওয়া হয়েছিল। তবে এ বিষয়ে অভিযোগের সত্যতা এবং বিরোধ নিষ্পত্তিতে তাঁর সুনির্দিষ্ট ভূমিকা সম্পর্কে জানতে মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজের প্রিন্সিপাল মো. আনোয়ারুল ইসলাম খানের মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বিষয়টি এড়িয়ে যান এবং একপর্যায়ে ফোন কল কেটে দেন। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, সমঝোতা আলোচনায় কারও নাম আসা বা পরামর্শ চাওয়া এক বিষয়, আর বকেয়া অর্থ পরিশোধ। ব্যক্তিগত বা আইনি দায় থাকা সম্পূর্ণ ভিন্ন বিষয়। এই বিরোধে প্রকৃত সংশ্লিষ্টতা ও নির্দিষ্ট ভূমিকা পরিষ্কার করতে সুনির্দিষ্ট নথি এবং বক্তব্য যাচাই করা প্রয়োজন।